দুই চোখের পাসে কালো দাগ ।এর কারণ কি এবং দাগ দুর করব কি ভাবে ?
6 Answers
চোখের কাল দাগ দুর করার জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি- ১। শসাঃ সজীব শসা স্লাইস করে কেটে আধ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। দশ মিনিট চোখের উপর রেখে পরিস্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে অন্তত দুবার, একটানা সাত দিন। আবার শসা আর লেবুর রস সমান পরিমান মিশিয়ে মাখতে পারেন ত্বকে। দিনে একবার করে সাত দিন মাখুন। স্বাভাবিক রং ফিরে আসবে। ২। কাঁচা আলুঃ কাঁচা আলু ঠাণ্ডা করে ব্লেন্ডারে পিষে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্ট দাগের উপর মেখে ১০-১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আলু পেস্ট করতে ঝামেলা মনে হলে শসার মত স্লাইস করেও ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহব্যাপী দিনে ১-২ বার ব্যবহার করলেই চলবে। ৩। গোলাপ জলঃ প্রাকৃতিক ভাবেই গোলাপ জল স্কিন টোনার হিসেবে কাজ করে। ছোট্ট পরিস্কার কাপড়ের টুকরা বা আই প্যাড গোলাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন কয়েক মিনিট। পুরো ভিজলে চোখ বন্ধ করে চোখের পাতার উপর রেখে দিন ১০-১৫ মিনিট। দিনে একবার করে ৭-১০ দিন ব্যবহার করলে চোখের স্বাভাবিক রং ফেরত আসবে। ৪। টমেটোঃ এক চামচ টমেটোর রস এবং আধা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে মেখে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন পরিস্কার পানি দিয়ে। দিনে একবার বা দুইবার করে টানা সাত দিন ব্যবহার করুন। ৫। আমন্ড ওয়েলঃ স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য আমন্ড ওয়েলের খ্যাতি আছে। প্রতি রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে চোখের নিচে হালকা আমন্ড ওয়েল মেখে শুয়ে পড়ুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কালো দাগ বিদায় হওয়ার আগ পর্যন্ত এ পদ্ধতি চালু রাখুন।
চোখের নিচে কালি এক দিনে পড়ে না। অনেক দিনের প্রক্রিয়া এটি। আমাদের অজান্তেই এটি হতে থাকে। কিছুটা খারাপ অবস্থায় চলে যাওয়ার পর নজরে আসে। চোখের কালি পড়ার একটি কারণ হচ্ছে স্ট্রেস। কাজের দুশ্চিন্তা, পারিবারিক সমস্যা, ব্যক্তিগত টানাপোড়েনসহ অনেক কিছুই এখানে মূল নায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে। এসব সাময়িক ঝামেলার জন্যই ঘুম ঠিকমতো হয় না। অতিরিক্ত সময় টেলিভিশন দেখাও এর জন্য দায়ী।চোখের নিচে কালো দাগটি হতে যেমন কিছুটা সময় লাগে, তেমনি এটি চেহারা থেকে দূর করতে চাইলেও কিছুদিন সময় দিতে হবে। সঠিক সময়ে ঘুম, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এ ক্ষেত্রে অনেকটা জাদুর মতোই কাজ করবে। চেষ্টা করতে হবে মন ভালো রাখার।’ রাতের বেলায় ঘুমোতে যাওয়ার আগে ময়েশ্চারাইজার, আই ক্রিম বা জেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে ।চোখের চারপাশে হালকা করে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। যাঁদের চোখের নিচের কালি গাঢ় হয়ে পড়েছে, তাঁদের একটু বেশি যত্ন নিয়ে কাজটি করতে হবে। আঙুল দিয়ে আলতো করে চোখের চারপাশে ক্লকওয়াইজ তিনবার এবং অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ তিনবার ম্যাসাজ করতে হবে। তখন অবশ্যই চোখ বন্ধ রাখতে হবে। খুব সহজ তিনটি প্যাক ব্যবহার করার উপায় আছে বলে জানান। আলু, শসা ও গমের অঙ্কুর পেস্ট বা গ্রেট করে লাগালে খুব ভালো কাজ করবে। এ তিনটি উপাদান আপনি আলাদাভাবেও চোখের ওপর লাগাতে পারেন আবার একসঙ্গে মিশিয়েও লাগিয়ে রাখতে পারেন। তিনটি উপাদান না পেলে যেকোনো দুটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে দিলেও চোখের কালি অনেকাংশেই দূর হয়ে যাবে। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন ১৫ মিনিট করে লাগালেই হবে। অনেকে চাক চাক করে কেটে লাগাতে চান। তবে এভাবে লাগানোর চেয়ে থেঁতলে লাগালে বেশি ভালো ফল পাবেন। কারণ, এতে উপাদানগুলোর রস এবং কষ দুটোই পুরোপুরিভাবে ত্বকের সংস্পর্শে আসতে পারে। চোখের আশপাশের কালো ভাবটি দূর করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সামগ্রী পাওয়া যায়। ভালো এবং নামকরা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রী এ ক্ষেত্রে অনেকটাই বাঞ্ছনীয়।
আপনি মনে হয় খুব বেশি টেনসন করেন, চোখের নিচ কোন কারন ছাড়া কালো হয় না, আপনার ঘুম পর্যাপ্ত না হলে চোখের নিচ ধীরে ধীরে কালো হবে। তা ছাড়া আরো অনেক কারন আছে, যা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিলে জানতে পারবেন। চোখের নিচের কালো দাগ সারাতে আপনি ছোট একটি কাজ করে দেখুন, কাগজি লেবুর রসের সাথে চিনি মিশিয়ে সেটা প্রতিদিন চোখের নিচের কালো দাগে লাগিয়ে দিনে ২ বার রেখে দিন, কিছুদিন পর দেখবেন দাগ কমে গেছে।
কারন: রুদ্র আবহাওয়া, ত্বকের সঠিক যত্ন না নেয়া, সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি, সঠিক খাদ্যাভ্যাসের অভাব, বাজে অভ্যাস, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত রাগ, কালোদাগ পরার কারণ। সমাধান : টমেটো পেস্ট: অর্ধেক টমেটো পেস্ট, লেবুর রস, ময়দা এবং হলুদ আধা চামচ করে নিয়ে পেস্ট করুন। চোখের চারপাশে এই পেস্ট মেখে ১৫ মিনিটের জন্য রাখুন। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুইবার এটি ব্যবহার করুন চোখের চারপাশের ত্বক উজ্জ্বল হবে। আলুর রস: একটি আলু গ্রেট করে রস বের করে নিন। তুলার বল দিয়ে এটা চোখের চারপাশে মেখে ১০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ময়দা এবং অলিভ ওয়েল: দুই চা চামচ ময়দায় আধা চা চামচ অলিভ ওয়েল দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার ত্বকে এই পেস্ট লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। সবশেষে গোলাপ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মাত্র তিন বার প্রতিটি পেস্ট মাখুন। এতেই আপনার চোখের চার পাশের কালো দাগ হালকা হতে শুরু করবে। আর নিয়মিত ব্যবহারে এই কালো দাগ ত্বক থেকে চিরতরে মুছে যাবে।
চোখের নিচের কালি অনেকেরই দুশ্চিন্তার কারণ। আবার উল্টোভাবেও বলা যায়, দুশ্চিন্তার কারণেও কালি পড়ে চোখের নিচে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চর্মরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল জানিয়েছেন কালি পড়ার কারণ এবং এর প্রতিকার। ঘুম কম হওয়ায় বা দীর্ঘদিন কোনো অসুখে ভোগার কারণে চোখের নিচে কালি পড়লে তার জন্য কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। তা এমনিতেই চলে যাবে। চোখের নিচের কালি দূর করার জন্য বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এসব ক্রিম ব্যবহারে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হতে পারে। ক্রিম ব্যবহারের আগেই তা খেয়াল রাখতে হবে। ক্রিম ব্যবহার বা অন্য কোনো ধরনের চিকিৎসা নিলেই যে চোখের নিচের কালি পুরোপুরি চলে যাবে, তা নয়। তবে তা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। প্রচুর পানি ও দুধ পান করুন। হরমোনজনিত সমস্যা বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে চোখের নিচে কালো দাগ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে বংশানুক্রমিকভাবে চোখের নিচে কালি হলে, তা দূর করার জন্য তেমন কিছুই করার থাকে না। আশা করি ভাই আপনি উপকৃত হবেন।
যে সমস্ত কারনে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে নিম্নে তা বর্ণনা করা হল :- বংশগত কারনে চোখের নিচে এই কালো দাগ হতে পারে। অনেক পরিবারে দেখা যায় বংশ পরম্পরায় এরকম হয়ে আসছে। বিশেষ করে যাদের গায়ের রং ফর্সা এবং চোখ কোটরে বসা তাদের ক্ষেত্রে। ঘুম কম হলে বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে মুখ ফ্যাকাশে বা মলিন হয়ে যায়। এতে ত্বকের রক্তনালীগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে যা ত্বক নিলচে বা কালচে করতে সাহায্য করে। কালো দাগ দুর করতে আলু এবং কচি শশা একসাথে থেতো করে চোখের ওপর দিয়ে রাখুন ২০-২৫ মিনিট। তারপর ঠাণ্ডা পানির ঝাপ্টা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন দিতে পারলে খুব দ্রুত ফল পাবেন। এর মাধ্যমে চোখের নিচের কালির সাথে সাথে শরীরের ক্লান্তিও দূর করতে সাহায্য করে।