3 Answers
দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ব্যবহারে আমাদের কি কি ক্ষতি হয়? স্নায়ুতন্ত্রের উপর মোবাইল ফোনের ক্ষতি নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। সবচেয়ে বড় দুটি সমীক্ষা ইণ্টারফোন স্টাডি ও হার্ডেল রিসার্চ গ্রূপ। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দিনে দেড় ঘণ্টা বা তার বেশি সময় মোবাইল ফোনে কথা বললে ব্রেনের উপর তার খারাপ প্রভাব পড়ে। দশ বছর ধরে মোবাইল ব্যবহার করলে মস্তিষ্ক কোষের অস্বাভাবিক রকমের বৃদ্ধি হতে পারে। যা থেকে পরবর্তীকালে গ্লাইওমা (সব থেকে পরিচিত ব্রেন টিউমার) ও ব্রেন ক্যানসারের আশঙ্কা থাকে। গবেষণায় প্রথম জানা যায়, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশনের প্রভাবে মস্তিষ্কের ব্লাড-ব্রেন বেরিয়ার (রক্ত ও মস্তিষ্ক কোষের মধ্যে অর্ধভেদ্য পর্দা) লিক করে। ফলে রক্তের বিষাক্ত পদার্থ এই পর্দা ভেদ করে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি হয়। ৩০ মিনিটের বেশি মোবাইলে কথা বললে মস্তিষ্কের কাজের ক্ষমতা কমে যায়। মস্তিষ্কের মধ্যে রক্তপ্রবাহেও প্রভাব ফেলে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচেছ নতুন প্রজন্মের। অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের জন্য স্মৃতিশক্তি কমছে কমবয়সিদের। ক্ষতি বেশি থ্রি-জিতে শৈশব থেকে বয়ঃসন্ধির সময় মাথার খুলি (স্কাল) অনেক পাতলা হয়। মাথাও আকারে অনেক ছোট হয়। ২০ বছর বয়স পর্যন্ত দ্রূত মস্তিষ্কের বৃদ্ধি হতে থাকে। এই বয়সে মস্তিষ্কের কলা-কোষের সংবেদনশীলতাও বেশি থাকে। ফলে এই সময় মোবাইল ব্যবহারে মস্তিষ্কের ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। ‘থ্রি জি' মোবাইল ফোনে এই ক্ষতির মাত্রা অনেকটাই বেশি। ব্রেন টিউমার ও ব্রেন ক্যান্সার মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কে গ্লাইওমা ও অ্যাকুইস্টিক নিউরোমা' টিউমার হয়। অ্যাকুইস্টিক নিউরোমা' সাধারণত মাথার এক পাশে হয়। এই টিউমার তুলনায় কম ক্ষতিকর। যদিও কখনও কখনও এর কারণে জীবনহানি হতে পারে। গ্লাইওমা টিউমার ব্রেন ও স্পাইনাল কর্ডে হয়। এই টিউমারে মৃত্যু হতে পারে কারণ এর কোষগুলি ম্যালিগন্যাণ্ট। অ্যাকুইস্টিক নিউরোমায় আক্রান্ত রোগীর জীবনের মেয়াদ এক থেকে তিন বছর। যাঁরা দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলেন তাঁদের মস্তিষ্কে টেম্পোরাল লোব টিউমার প্রবণ হয়ে যায়। কুড়ি পেরনোর আগে থেকেই যাঁরা মোবাইল বা কর্ডলেস ফোন ব্যবহার করেন তাঁদের এই অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। মোবাইল ফোনের ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ফিল্ডের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির প্রধান লক্ষ্য মস্তিষ্ক কোষ। মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্ল্যান্ডের পাশাপাশি থাইরয়েড গ্ল্যান্ড, স্টেম সেল, ত্বক, মুখ, প্যারোটিড গ্ল্যান্ড, রক্ত কোষ, লিম্ফ নোড, স্তন, চোখেও ক্যানসার হতে পারে। থাইরয়েড গ্রন্থিতে ক্যান্সার পিটুইটারি গ্ল্যান্ডে ক্যানসারের ফলে তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ হরমোন ক্ষরণ বিঘ্নিত হয়। যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় দেহের বৃদ্ধি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হয়। গলায় থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থাকে। কানের পরেই মোবাইলের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেখা গিয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই থাইরয়েড গ্রন্থিতে ক্যান্সারের প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ ধরনের ত্বক কোষ দিয়ে শুরু হয়ে মস্তিষ্কে মেলানোমা (ক্যানসারের) আক্রান্তের সংখ্যাও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সঙ্গে বেড়েছে। বিতর্ক থাকলেও সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, স্টেম সেল ক্যানসারে আক্রান্ত ২৯ জনের মধ্যে ১১জনই মোবাইল ফোন অত্যধিক ব্যবহার করেন। বাড়ছে গর্ভপাত অত্যধিক মোবাইলের ব্যবহারে শুক্রাণুর ক্ষতি, পুরুষের বন্ধ্যাত্ব, মহিলাদের গর্ভপাতের সম্ভাবনা বাড়ে। শিশুদের ক্যানসার, ঘুমের সমস্যা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, আত্মহত্যার প্রবণতা, হূদরোগ, শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে যাওয়া, আরথ্রাইটিস, শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া ও ত্বকের সমস্যাও হতে পারে। প্রভাব পড়ে ক্রোমোজোমের উপর। যার ফলে প্রজননের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশন সিঙ্গল ও ডাবল-স্ট্র্যন্ড ডিএনএকে ভেঙে দেয়। এছাড়াও মোবাইলের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আমাদের নার্ভাস সিস্টেমের উপর এমন ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে যার ফলে স্নায়ুতন্ত্রে পরিবর্তনের পাশাপাশি কোষের মৃত্যু ঘটে। অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত কোষ ক্যান্সারের কারণও হয়।
মোবাইল ফোন যেমন বিভিন্ন দিক দিয়ে আমাদের উপকার করছে, একইভাবে স্বাস্থ্যগতভাবে আমাদের নানাদিক দিয়ে ঝুঁকির মুখোমুখি করছে। চলুন জেনে নেয়া যাক অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে স্রিষ্ট ১০ স্বাস্থ্যঝুঁকি। (১) অমনোযোগিতা গবেষকরা দেখেছেন, বেশিরভাগ মানুষই প্রয়োজন না থাকলেও তাদের মোবাইলের মেনু স্ক্রিন, ই-মেইল বা এপ্লিকেশন চেক করার জন্য বার বার ফোন চেক করে। যদিও নতুন কোন ইমেইল, এস এম এস কিংবা নোটিফিকেশন আসার সম্ভাবনা হয়তো থাকে না বললেই চলে। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা সারাক্ষণ তাদের ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, তারা যে কোন জরুরী পরিস্থিতিতে অন্যদের তুলনায় ২৩% দেরিতে সক্রিয় হন। যে কারণে বিশ্বের বহু দেশে গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোনে কথা বলা আইনত নিষিদ্ধ। বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, মোবাইল ফোন আমাদের কোন কাজের প্রতি একাগ্রতা নষ্ট করে দেয়। এর ফলে যে কোন কাজ করতে আমাদের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগে। (২) সাধারণ অসুস্থতা আপনার মোবাইল ফোনের কারণেও কিন্তু আপনি অসুস্থ হতে পারেন! কিভাবে? আপনি সারাক্ষণই আপনার প্রিয় ফোনটি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এতে ধূলোবালি তো জমা হয়ই, সাথে থাকে অনেক রোগ-জীবাণুও। খাবার সময় হলে আপনি হয়তো খুব ভালভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে আসলেন। খাবার খাওয়ার ঠিক আগ মূহুর্তে আপনার ফোন বেজে উঠলো কিংবা একটা মেসেজ এলো, আপনি সেটার রিপ্লাই দিয়ে এসে খেতে বসে গেলেন। আর এরই সাথে মোবাইল ফোন থেকে প্রায় ২০ থেকে ৩০ ভাগ ব্যাক্টেরিয়া ও ভাইরাস খাবারের সাথে আপনার দেহে প্রবেশ করলো। আপনি হয়ত সাথে সাথে অসুস্থ হবেন না, কিন্তু পরবর্তীতে যেকোন অসুস্থতার জন্য এই বিষয়গুলোই দায়ী থাকবে। (৩) চোখের সমস্যা যারা চোখের খুব কাছাকাছি দূরত্বে রেখে ফোন ব্যবহার করেন তারা ধীরে ধীরে মাথাব্যথা, চোখ ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা-এরকম নানা রকম সমস্যায় আক্রান্ত হন। এজন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো ফোনের বিভিন্ন লেখার ফন্ট সাইজ বাড়িয়ে দেয়া, চোখ থেকে ন্যুনতম ১৬ ইঞ্চি দূরত্বে ফোন ব্যবহার করা। আর যদি বেশ দীর্ঘ কোন লেখা ফোনে পড়তে হয়, তবে কিছুক্ষণ পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য চোখকে বিশ্রাম দিন। (৪) মানসিক চাপ আমরা ফোন ব্যবহার করি যাতে সব সময় অন্যদের সাথে যোগাযোগ রাখা যায়। কিন্তু এটি একইসাথে আমাদের মানসিক প্রশান্তিও কেড়ে নেয়। কিভাবে? আমরা সব সময় আশা করতে থাকি এই বুঝি ফোনটি বেজে উঠবে কিংবা কেউ হয়তো মেসেজ দিবে। সচেতনভাবে না হলেও আমাদের অবচেতন মন আমাদের সব মনোযোগ এই ক্ষুদ্র ফোনটির কাছে কেন্দ্রীভূত করে। এধরণের চিন্তার কারণে এক ধরণের মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন এক ঘন্টার জন্য ফোনটি সুইচ অফ করে রাখুন। এটি আপনাকে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দিবে। (৫) স্নায়বিক সমস্যা মোবাইল ফোন থেকে নিঃসরিত তেজস্ক্রিয় রশ্মি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে আমাদের ডি এন এ-কে। কোন কারণে মস্তিষ্কের কোষের ডি এন এ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা স্নায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন শারীরিক কাজের ক্ষতিসাধন করে। মোবাইল ফোনের তেজস্ক্রিয়তা মস্তিষ্কে মেলাটনিনের পরিমাণ হ্রাস করে, যার ফলে বিভিন্ন স্নায়বিক সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া এটি এখন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, মোবাইল ফোন থেকে নিঃসরিত তড়িত-চৌম্বকীয় তরঙ্গের কারণে অনিদ্রা, আলঝেইমার ও পারকিনসন’স ডিজিজের মত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। (৬) হার্টের সমস্যা গবেষণায় জানা গিয়েছে, মোবাইল ফোন থেকে সৃষ্ট তেজস্ক্রিয়তা মানুষের হার্টের স্বাভাবিক কর্মকান্ডকে ব্যহত করে। এর ফলে রক্তের লোহিত রক্তকণিকাতে থাকা হিমোগ্লোবিন আলাদা হয়ে যেতে থাকে। এছাড়া হিমোগ্লোবিন রক্তের লোহিত কণিকার মাঝে তৈরি না হয়ে দেহের অন্যত্র তৈরি হতে থাকে, যেটি বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা তৈরি করে। যে কারণে বুক পকেটে ফোন রাখা একদমই অনুচিত। এছাড়া যারা হার্টে পেসমেকার বসিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও মোবাইল ফোন ব্যবহারে যথেষ্ঠ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। (৭) শুক্রাণুর গুনগত মান ও পরিমাণ হ্রাস এখনকার সময়ে ছেলেদের প্রায় সবাই নিজেদের প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন রাখে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব পুরুষ বা ছেলে খুব বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তাদের শুক্রাণু খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া শুক্রাণুর ঘনত্ব হ্রাস পেতে থাকে। আমরা যখন ফোনে কথা বলার পর ফোন পকেটে রেখে দিই, তখন এটি কিছুটা উত্তপ্ত অবস্থায় থাকে। এর ফলে অন্ডকোষের চারপাশে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। অথচ শুক্রাণু দেহের ভেতরে মাত্র ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সক্রিয় থাকে। তাই অতিরিক্ত তাপমাত্রা শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকর। আবার আমাদের শরীর থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে উপকারী তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরংগ বের হয়, কিন্তু মোবাইল ফোনের উচ্চ মাত্রার তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ আমাদের দেহের তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের নিঃসরণকে বাধাগ্রস্ত করে। যার ফলে অস্বাভাবিক আকৃতির শুক্রাণু তৈরি হয়। (৮) শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া যারা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোনে কথা বলেন তাদের কানের বিভিন্ন সমস্যা যেমন-কানে কম শোনার ঝুঁকি অনেক বেশি। বর্তমানে যাদের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছর, তাদের মাঝে শ্রবণশক্তি হ্রাসের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে। চিকিৎসকদের মতে, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যপক ব্যবহার এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। যারা দৈনিক ২-৩ ঘন্টার চেয়ে বেশি ফোনে ব্যস্ত থাকেন তারা ৩ থেকে ৫ বছরের মাথায় আংশিকভাবে বধির হয়ে যান। তাই এটি রোধ করতে আপনার ফোনের রিং-টোন যতটুকু সম্ভব কমিয়ে রাখুন ও ফোনে খুব বেশি গান শোনা থেকে বিরত থাকুন। (৯) মস্তিষ্কের ক্যান্সার মোবাইল ফোন থেকে সৃষ্ট তেজষ্ক্রিয় রশ্মি আমাদের মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ধীরে ধীরে মেরে ফেলতে পারে। মোবাইল ফোন থেকে সৃষ্ট বেতার তরঙ্গ আমাদের মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উত্তপ্ত করে তোলে। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই তরঙ্গকে কারসিনোজেনিক বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বলে ঘোষণা দিয়েছে। অর্থাৎ মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার মস্তিষ্কের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। (১০) গর্ভাবস্থায় ঝুঁকি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব নারীরা তাদের গর্ভাবস্থায় খুব বেশি মাত্রায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তাদের গর্ভস্থ ভ্রূণের মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যহত হয়। এছাড়া পরবর্তীতে এই শিশুদের মাঝে আচরণগত অনেক সমস্যাও দেখা দেয়। তাই গর্ভাবস্থায় মায়েদের উচিত মোবাইল ফোন যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনকে একেবারে জীবন থেকে সরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু একটু সচেতন হলেই আমরা মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে তৈরি হওয়া স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে নিজেদের বাঁচাতে পারি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy