7 Answers
সরিষার তেলে রসুন কোয়া দিয়ে গরম করুন(মৃদু আচে)।এরপর রসুন কোয়া নাকের কাছে ধরুন। অনেকটা ঠিক হয়ে যাবে ।এভাবে কয়েকবার করুন।
৩-৪ টুকরো আদা, ২-৪ কোয়া রসুন, ২-৩ টি দারুচিনি, ৫-৬ টি গোলমরিচ একটি বাটিতে নিয়ে শিলনোড়া দিয়ে থেঁতলে তারপর এই মিশ্রিত উপাদান দিয়ে চা বানিয়ে প্রতিদিন ১-২ বার পান করুন। এটি পান করলে কফ ও কাশির পরিমাণ এবং সর্দি দিয়ে নাক বন্ধের সমস্যা কমে যায়। কফের পরিমাণ বেশী থাকলে ২ টি মধ্যম আকারের পেয়াজ, এক গ্লাস পানি এবং এক টেবিল চামচ মধু নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস বানিয়ে নিন এবং কফ বেশী থাকলে প্রতিদিন পান করুন।
১. রাতে শোবার আগে সরষের তেল বা ঘি হালকা গরম করে শুঁকলে সর্দি-ঠান্ডা দূর হয় এবং প্রতিরোধ করে।২. রাতে খাবার সঙ্গে রসুন খেলেওসর্দি-ঠান্ডা দুর হয়।৩. সকালে চারটি তুলসী পাতা এবং চারটি গোল মরিচ খেলে ঠান্ডা লেগে আসা জ্বর উপশম হয়।৪. পুদিনাপাতা, তুলসী পাতা, কাঁচা আদা, মধু মিশিয়ে খেলে ঠান্ডা লাগা দ্রুত ভাল হয়।প্রতিরোধ১. যাদের ঠান্ডা লেগেছে, তাদের কাছ থেকে দূরে থাকুন। কারণ, এর ভাইরাস নিঃশ্বাসের সঙ্গে, এমনকি হাতের মাধ্যমেও ছড়ায়।২. পর্যাপ্ত খাওয়া-দাওয়া করলে ও ঘুমালে শরীরে রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে।৩. আপনার ঘরের তাপমাত্রা বেশি শুষ্ক করবেন না ৷ বেশি আর্দ্রওকরবেন না। এতে রোগ-প্রতিরোধে সক্ষম হওয়া যায় সহজেই।৪. নিয়মিত লেবু খান। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি ৷ যা ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করে।
Flonaspray নামক নাকের স্প্রেটি ব্যাবহার করে দেখতে পারেন। আরো ভাল একটি নাজাল স্প্রে হল - Avamys. এসব ব্যাবহারে কোন ক্ষতি হয় না। নিজেই ব্যাবহার করে আসছি। যে কোন একটি স্প্রে দিনে একবার নাকের ২ ছিদ্রে ব্যাবহার করবেন।
গরম পানিতে মেনথলের দুই-তিনটি দানা ছেড়ে দিয়ে সেই পানির ভাপ নিতে পারেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাকের ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিবার ব্যবহারের সময় নাকের প্রতি পাশে চার ফোঁটা করে ব্যবহার করা উচিত। এসব ড্রপের কোনোটি দিনে দুবার আবার কোনোটি দিনে তিনবার করে ব্যবহার করতে হয়। তাই এই ড্রপগুলো ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এসব ড্রপ ১০-১৫ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন।