উল্লেখ্য যে আমার রোল এক?
3173 views

4 Answers

কোন ব্যাপার না। আপনি যেহেতু আপনার রোল এক সেহেতু আপনার মাথায় সৃজনশীলতা আছে বলে আমি মনে করি। আপনি শুধুমাত্র রচনার মূল পয়েন্টগুলো মুখস্থ রাখুন এবং পয়েন্টগুলো ভালোভাবে রিডিং পড়ে কিছুটা ধারনা নিন তাহলেই আমার মনে হয় আপনি সাফল্য পেতে পারেন।

3173 views

মুখস্থ না করেও আপনি রচনা লিখায় দক্ষ হতে পারবেন । কিছু নিয়ম মেনে দেখুন আশাকরি ভালো ফলাফল পাবেন ।

১. পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীনভাবে বিবরণমূলক লেখার অভ্যাস বাড়াতে হবে ।

২. যে বিষয়ে রচনা পড়বেন সেটা সম্পর্কে মুক্তভাবে চিন্তা করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন , কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে , শিক্ষক/শিক্ষিকা বা মা-বাবার সাহাজ্য নিন ।

৩. যে অংশে বুঝতে সমস্যা হয় সে অংশটুকু বারে বারে লিখুন এবং প্রয়জনে নোট করে রাখুন ।

৪. রচনা লিখার জন্য পয়েন্ট গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ তাই রচনার পয়েন্ট গুলোর দিকে বেশি লক্ষ রাখুন ।

আপনি উপরোক্ত পদক্ষেপ গুলো অনুসরন করুন আশা করি আপনার রচনা মুখস্থ না করেও ভালোভাবে লিখতে পারবেন ।

3173 views

পড়া মনে রাখার বৈজ্ঞানিক উপায়

মানুষের মস্তিষ্কের দুটি দিক রয়েছে। একটি সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম, অন্যটি পেরিফেরাল নার্ভাস সিস্টেম। সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের আবার অনেক ভাগ। এর সঙ্গে রয়েছে নানা রকম কাজ। তার একটি হলো মেমোরি বা স্মৃতিশক্তি। পৃথিবীতে বেশি আইকিউ নিয়ে কেউ জন্মগ্রহণ করে না। তাদের ব্যবহারিক আচরণের ওপর নির্ভর করে বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ। যত চর্চা করা যাবে, আইকিউ ততই বাড়বে। সাধারণ আইকিউ ৯০ থেকে ১১০। তবে কারো কারো আইকিউ ১১০-এর ওপরে হতে পারে।

পৃথিবীতে অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির আইকিউ ১১০-এর ওপরে। এ আইকিউ বৃদ্ধির জন্য চর্চার বিকল্প নেই। চর্চার মাধ্যমেই একজন ছাত্র সাধারণ থেকে মেধাবী হতে পারে। মনে রাখতে না পারার ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে। যেমন- আত্মবিশ্বাসটাই প্রধান: যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রধান ও প্রথম শর্ত হলো আত্মবিশ্বাস। নিজের মনকে বোঝাতে হবে যে, পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয়। আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াও সহজ মনে হবে।পড়তে হবে বুঝে-শুনে: একবার পড়েই কোনো বিষয় মনে রাখা সহজ নয়। তাই যেকোনো বিষয় মুখস্ত করার আগে বিষয়টি কয়েকবার পড়ে বুঝে নিতে হবে। তাহলে সেটা মনে রাখা অনেক সহজ হবে। যেকোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে তা মনে রাখা কঠিন। তাই ভয় না করে প্রথম থেকে বুঝে পড়ার চেষ্টা করলে মনে রাখা কঠিন হবে না। পড়ার পাশাপাশি লেখার অভ্যাস খুবই জরুরি। পড়াশোনার জন্য উপযুক্ত সময় বেছে নিতে হবে।

লেখাপড়ার জন্য কোন সময়টা বেছে নিতে হবে, তা একেকজনের কাছে একেক রকম। কেউ রাত জেগে পড়াশোনা করে, কেউ সকালটাকেই মুখ্য সময় হিসেবে বেছে নেয়। তবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় ঘুমের পর ভোরবেলাই পড়াশোনার উপযুক্ত সময় হিসেবে মনে করা হয়।

কৌশল অবলম্বন: পড়া মনে রাখা একটি কৌশল। কোনো একটি পড়া পড়ে নেয়ার পর সাতটি ভাগে ভাগ করতে হয় এবং প্রতিটি ভাগের জন্য এক লাইন করে সারমর্ম লিখতে হয়। ফলে পড়ার বিষয়টি সাতটি লাইনে সীমাবদ্ধ থাকে। এর প্রতিটি লাইন একটি পাতায় লিখে অধ্যায় অনুযায়ী একটি গাছ তৈরি করে গাছের নিচ থেকে ধারাবাহিকভাবে পাতার মতো করে সাজাতে হবে, যাতে এক দৃষ্টিতেই পড়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মনে পড়ে যায়। এ পাতাগুলোয় চোখ বোলালে লেখা সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যাবে। বাংলা, ভূগোল, সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এ কৌশল অধিক কার্যকর।পড়তে হবে শব্দ করে: পড়া মনে রাখার এটি একটি কার্যকর পন্থা। উচ্চঃস্বরে পড়লে শব্দগুলো কানে প্রতিফলন হয়ে তা মস্তিষ্কে সহজেই ধারণ করে। শব্দহীনভাবে পড়া হলে মনের মধ্যে অন্য চিন্তা ঢুকে পড়ে, পড়ার আগ্রহটা কমে যায়। ফলে পড়া মুখস্ত হয় না।

মনে রাখা: সাধারণত মেধাবী ছাত্রদের দেখা যায়, কোনো একটি বিষয় সম্পর্কে তারা বিভিন্ন বই থেকে উপাদান সংগ্রহ করে নিজের মতো করে একটা নোট তৈরি করে। এটা খুবই ভালো পন্থা। এতে ওই বিষয় সম্পর্কে বারবার পড়ার কারণে তাদের নোট তৈরির সময়েই বিষয়টি সম্পর্কে অনেকটা ধারণা অর্জন করা সম্ভব হয়। পরে সেই বিষয়টি মনে রাখতে কোনো কষ্টই হয় না।

ইংরেজির অর্থ জেনে পড়া: ইংরেজি পড়া মুখস্ত করার আগে শব্দের অর্থটা জেনে নিতে হবে। অর্থ না জানলে পুরো পড়াটাই বিফলে যাবে। আর সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকেই প্রশ্ন আসতে পারে। সেক্ষেত্রে অর্থ জানা থাকলে অবশ্যই উত্তর দেয়া যায়।

তথ্য সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

3173 views

ধন্যবাদ আপনার রোল এক। আর মুখস্ত বিদ্যা বেশীদিন মনে থাকেনা।বুঝে পড়লে মনে থাকবে। বর্তমান যুগ সৃষ্টিশীলের যুগ।তাই বুঝে বুঝে নিজের মেধা খাটিয়ে লিখার চেষ্টা করুন।

3173 views

Related Questions

কিং রোট দিয়ে?
1 Answers 2631 Views