3 Answers
তোতলানো একটি জন্মগত সমস্যাএটা দূর করার কার্যকর কোন ঔষধ নাই। এটা নিয়নত্রন করতে সে সবসময় আস্তে এবং ধীরস্থীরভাবে কথাবলে দেখতে পারেন ।
তোতলামি দূর করার তেমন কোনো নির্দিষ্ট উপায় নাই। তারপরও কিছু মুখের ব্যায়াম রয়েছে যেগুলো অনুশীলনে তোতলামির অভ্যাসটা কিছুটা আয়ত্তে আনা সম্ভব। এছাড়া ধীরে ধীরে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সম্ভব হলে গানে গানে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। এতে করে নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে বাক্যটি শেষ করার একটা প্রবণতা তৈরি হবে। ধন্যবাদ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তারের তোতলামি নিয়ে একটি প্রতিবেদন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এ প্রকাশিত হয়, আপার জন্য এটার হুবহু কপি করে দিলাম।
কথা বলার সময় বেধে যাওয়া, হঠাৎ থেমে যাওয়া, লম্বা স্বরে কথা বলা, আবার কখনো কথা বলার মধ্যে সঙ্গতি বা মিল খুঁজে পাওয়া যায় না, এক শব্দ বার বার বলার চেষ্টাকে তোতলানো বলে। তোতলানো এমন একটি রোগ যা মনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কোনো কোনো সময় তোতলানো বেড়ে যায় আবার কখনো কমে যায়। আপনি যখন খুব কাছের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, যেমন_ বাবা, মা, ভাইবোন অথবা কোনো বন্ধু তখন সমস্যাটা কম হয়। আবার নতুন কোনো পরিবেশে গেলে তোতলানো বেড়ে যায়। যেমন_ অফিসের উপরস্থ কর্মকর্তা বা শিক্ষকের সামনে বা সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তির সামনে কথা বললে সমস্যা বেড়ে যায়। এর কারণ আপনি আবেগপ্রবণ হয়ে যান অর্থাৎ ভয় পান। তাই এ সমস্যা হয়। আপনি কখনো আবেগপ্রবণ হবেন না, অর্থাৎ ভয় পাওয়া, রাগ করা, লজ্জা পাওয়া বা হতাশ হবেন না। এসব কারণে সমস্যা বাড়তে থাকে। নিজেকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখবেন না, সমাজের ছোট-বড় সবার সঙ্গে মিশবেন এবং কথা বলবেন। কথা বলার সময় তাড়াতাড়ি বলার চেষ্টা করবেন না। ধীরে ধীরে কথা বলুন এবং অন্যের কথা মনোযোগসহকারে শোনেন। আপনি কোনো অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন, হঠাৎ কোনো এক জায়গায় বেধে গেছেন আর বলতে পারছেন না। সমাজের অনেকেই হাসছে বা কিছু লোক ব্যঙ্গ করছে। তখন আপনাকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে। আপনি আপনার সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। স্পিচ থেরাপি একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতির মাধ্যমে ধীরে ধীরে তোতলানো সেরে যায়।
মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর
স্পিচ থেরাপিস্ট (ইএনটি), এমএসসি (সাইকোলজি), বিএসএমএমইউ
ফোন : ০১৯১১৭৪৮০৩৭