2 Answers

দাত থেকে রক্ত পরার পিছনে মোটামুটি অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো -

১.যদি দাতে ডেন্টাল প্লাক জমে মাড়ির প্রদাহ সৃষ্টি করে !

 ২.দাত ব্রাশ কিংবা টুথ পিক দিয়ে অসাবধানতা বসত ব্যবহার করলে খোচা লেগে রক্ত পড়তে পারে I

৩.কৃত্রিম দাত লাগানো থাকলে এর ঘর্ষনের  ফলেও  রক্ত পড়তে পারে I 

 ৪. ভিটামিন স্বল্পতা

* এখন, যদি জিজ্ঞেস করা হয় এই রক্ত বন্ধের জন্য কি করা উচিত তাহলে এর আগে জানতে হবে ঠিক কি কারণে হচ্ছে ?  ডেন্টাল প্লাক জমে গিয়ে হচ্ছে ? নাকি ভিটামিন স্বল্পতা ? নাকি অন্যান কোনো রোগ ? নাকি তেমন কিছুই না অসাবধানতাবসত সামান্য খোচাখুচির ফলে এইটা হওয়া ? যদি ডেন্টাল প্লাক হয় তাহলে, স্কেলিং করাতে হবে I আবার যদি, ভিটামিন স্বল্পতা হয় তাহলে, বেশি বেশি ভিটামিন সি এবং আয়রন জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে এই যেমন- শাক-সবজি, লিচু, কমলা, আমলকি ইত্যাদি ! আবার যদি এমন হয় অন্যান্য রোগের কারণে হচ্ছে তাহলে ব্লাড টেস্ট করে ডায়াবেটিস কিংবা অন্য কিছু আছে কিনা তা চেক করা এরবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া !

তবে, যারা এত ঝামেলা করে বের না করতে চায় তাদের জন্য একটা সহজ সমাধান তো রয়েছেই একজন ভালো ডেন্টিস্ট দেখানো !

2882 views

দাঁত থেকে রক্ত পড়া রোধে করণীয়ঃ প্রথমেই রক্ত পড়ার কারণগুলো চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্দিষ্ট কোনো রোগের কারণে দাঁত থেকে রক্ত পড়লে সেই রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে প্রথমেই। রোগের উপসর্গ হিসেবে রক্ত পড়া বন্ধ হবে। সাধারণ যেসব কারণে রক্ত পড়ে, তার প্রতিরোধে যে প্রস্তুতি নিতে হবে তা জেনে নেওয়া যাক। - চিনিযুক্ত খাবার, চকলেট দাঁতের নানা রোগের কারণ। এ খাবারগুলো কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে।  -আপনাকে সব ধরনের ফল খেতে দিতে হবে। দামি ফল দিতে হবে এমন কথা নেই। মৌসুমি দেশি ফলেই আপনাকর চাহিদা পূরণ হবে।  -শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।  -সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত মাজতে হবে। দাঁতে জোরে চাপ দিয়ে ব্রাশ না করে আলতো করে ব্রাশ করতে হবে।  -প্রতিবার দাঁত মাজা শেষে মাড়ি ম্যাসাজ করুন।  -বিশেষ করে, ভিটামিন ‘সি’ আর ‘কে’ আছে এমন খাবার আপনার দাঁত থেকে রক্ত পড়া বন্ধে সাহায্য করে। তাই ‘সি’ ও ‘কে’ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে মনোযোগ দিন।  -দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত ঝরলে কুসুম গরম পানিতে লবণ দিয়ে কুলকুচা করলে রক্ত বন্ধ হবে।  -আদা রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। আদায় আছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক গুণ। আপনার দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বছরে অন্তত দুবার দাঁতের চিকিৎসকের কাছে শিশুকে নিয়ে যান।

2882 views

Related Questions