পেপে গাছের চারা লাগাতে চাই"?
2 Answers
চারা রোপনঃ চারা লাগানোর পূর্বে গর্তের মাটি উলট-পালট করে নিতে হয়। প্রতি গর্তে ৩০ সেমি দূরত্বে ত্রিভূজ আকারে ৩টি করে চারা রোপন করতে হয়। বীজ তলায় উৎপাদিত চারার উন্মক্ত পাতা সমূহ রোপনের পূর্বে ফেলে দিলে রোপনকৃত চারার মৃত্যু হার কমবে এবং চারা দ্রুত প্রতিষ্ঠিত হবে। পলিব্যাগে উৎপাদিত চারার ক্ষেত্রে পলিব্যাগটি খুব সাবধানে অপসারন করতে হবে যাতে মাটির বলটি ভেঙ্গে না যায়। পড়ন্ত বিকালে চারা রোপনের সর্বোত্তম সময়। রোপনের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে চারার গোড়া যেন বীজতলা বা পলিব্যাগে মাটির যতটা গভীরে ছিল তার চেয়ে গভীরে না যায়। গাছে সার প্রয়োগঃ ভাল ফলন পেতে হলে পেঁপেতে সময়মত সার প্রয়োগ করতে হবে। উপরি হিসেব গাছ প্রতি ৪৫০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৪৫০-৫০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপনের ১ মাস পর হতে প্রতি মাসে গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার পর এই মাত্রা দ্বিগুন করতে হবে। মাটিতে রস না থাকলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা আবশ্যক।
জলবায়ু অনুসারে আমাদের গ্রীষ্মকালের ফসলগুলোর মধ্যে পেঁপে অন্যতম এবং চাষাবাদের জন্য এ সময়টাই হচ্ছে ভালো সময়। এ ছাড়া সারা বছরই পেঁপে চাষ করা যায়।
মাটিঃ দোঁআশ ও বেলে দোঁআশ মাটি পেঁপে চাষের জন্য উপযোগী।
চাড়া লাগানোর সময়ঃ এপ্রিল মাস পেঁপের চারা রোপণে উপযুক্ত সময়
জাত নির্বাচনঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইস্টিটিউট ১৯৯২ সালে উন্নত গুণাগুণ সম্পন্ন উচ্চ ফলনশীল একটি পেঁপের জাত আবিষ্কার করেছে। এ জাতটির নাম “শাহী” যা “বারি পেঁপে-১” নামেও পরিচিত।
পেপে চাষে সাঁর দেয়ার মাত্রা এখানে দেখুনঃ https://atharabari.wordpress.com/2012/07/26/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7/
আরও জানতে এখানে দেখুনঃ http://www.infokosh.gov.bd/atricle/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A7%9F