4 Answers
পৃথিবী কবে কখন ধবংশ হবে কেউ যানে না, আল্লাহ ছাড়া।তবে বিভিন্ন ওলামাদের কাছ থেকে জানা যায় যেদিন পৃথিবীতে আল্লাহর ১টিও খাটি বান্দা খুজে পাওয়া যাবে না সেদিন ই পৃথিবী ধ্বংস হবে আর সে দিনটি হবে শুক্রবার।
পৃথিবী কবে ধ্বংস হবে? ইসলামঃ "নিশ্চয় আল্লাহর কাছেই কেয়ামতের জ্ঞান রয়েছে।" ***সূরা লুক্বমানঃ আয়াত-৩৪। রাসুল(সাঃ) বলেছেনঃ উমার রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বসেছিলাম, এমন সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত হয় যার কাপড় ছিল ধবধবে সাদা, চুল ছিল ভীষণ কালো; তার মাঝে ভ্রমণের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনতে পারে নাই। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে গিয়ে বসে, নিজের হাঁটু তার হাঁটুর সঙ্গে মিলিয়ে নিজের হাত তার উরুতে রেখে বললেনঃ "......... আমাকে কেয়ামত সম্পর্কে বলুন"। তিনি (রাসূল) বললেনঃ "যাকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে সে জিজ্ঞাসাকারী অপেক্ষা বেশী কিছু জানে না"। ...............তারপর ঐ ব্যক্তি চলে যায়, আর আমি আরো কিছুক্ষণ বসে থাকি। তখন তিনি (রাসূল) আমাকে বললেনঃ "হে উমার, প্রশ্নকারী কে ছিলেন, তুমি কি জান? আমি বললামঃ "আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল অধিক ভাল জানেন"। তিনি বললেনঃ "তিনি হলেন জিব্রাইল। তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন শিক্ষা দিতে তোমাদের কাছে এসেছিলেন।" ***সহীহ্ মুসলিমঃ আয়াত-৮। দেখুন, এই দুনিয়ার সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তিটি নিজেই জানতেন না কবে কেয়ামত হবে। এই জ্ঞান শুধুই আল্লাহর, কবে কেয়ামত হবে, কবে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। কিয়ামত বলে কয়ে আসবেনা। একেবারে দিন, তারিখ, বার নির্দিষ্ট করে আসবেনা। মানুষ ঘুর্ণাক্ষরেও জানতে পারবেনা কোনদিন কেয়ামত হবে। আকস্মিকভাবে এর আগমন ঘটবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন: ‘তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করে, কিয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে? বলে দিন-এর খবর তো আমার পালনকর্তার কাছেই রয়েছে। তিনিই তা অনাবৃত করে দেখাবেন নির্ধারিত সময়ে। আসমান ও যমীনের জন্য সেটি অতি কঠিন বিষয়। যখন তা তোমাদের উপর আসবে, তখন অজান্তেই এসে যাবে। ***সূরা আ’রাফঃ আয়াত -১৮৭। 'বরং তা আসবে তাদের ওপর অতর্কিতভাবে, অতপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে দিবে, তখন তারা তা রোধও করতে পারবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।’ ***সূরা আম্বিয়াঃ আয়াত-৪০। 'যেদিন আপনার পালনকর্তার কোন বড় নিদর্শন আসবে, সেদিন এমন কোন ব্যক্তির বিশ্বাস স্থাপন তার জন্য ফলপ্রসূ হবে না।’ ***সূরা আনআমঃ আয়াত-১৫৮। এই আয়াতের ব্যাখ্যায় রাসূল্লাহ সালল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-’যখন কিয়ামতের সর্ব শেষ নিদর্শনটি প্রকাশিত হবে, অর্থাৎ সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হবে, তখন এ নিদর্শনটি দেখা মাত্রই সারা বিশ্বের মানুষ ঈমানের কালেমা পাঠ করতে শুরু করবে এবং সব অবাধ্য লোকও বাধ্য হয়ে যাবে; কিন্তু তখনকার ঈমান ও তওবা গ্রহণযোগ্য হবে না।’(বগভী) ............................................. ....................... বিজ্ঞানঃ পৃথিবী কবে নাগাদ ধ্বংস হবে তার ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তারা জানিয়েছেন, ২৮৮০ সালের ১৬ মার্চ ধ্বংস হবে পৃথিবী। এর কারণ এদিন ডিএ-১৯৫০ নামে এক গ্রহাণু সজোরে আঘাত হানবে পৃথিবীর বুকে। এটির আঘাত হানার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ, এ যাবৎকালের যে কোনো গ্রহাণুর চেয়ে এটির আঘাতের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ বেশি। গ্রহাণুটি ১৯৫০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আবিষ্কৃত হয়। সে সময় ১৭ দিন দৃশ্যমান ছিল এটি। এই গ্রহাণুটি আবারো ধরা দিয়েছে বিজ্ঞান চোখে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গ্রহাণুটি প্রতি সেকেন্ডে ১৫ কিলোমিটার (৯ মাইল) বেগে ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। পৃথিবীতে আঘাত হানার পর এটি আছড়ে পড়বে আটলান্টিক মহাসাগরে। আছড়ে পড়ার সময় গ্রহাণুটির ওজন দাঁড়াবে ৪৮ হাজার মেগাটন TNT. ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিজ্ঞানী সান্তাক্রুজ দেখিয়েছেন, গ্রহাণু আছড়ে পড়লে আটলান্টিকের পানি ৪০০ ফুট উপরে উঠে আসবে। যার ফলে বড় ধরণের সুনামি দেখা দেবে। তবে গ্রহাণুটির আঘাত হানার সম্ভাবনা একদম নাকচ করে দেওয়া যায় না। ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে এমন এক আঘাতের ফলে পৃথিবী থেকে ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটে। নাসার বিজ্ঞানীরা গ্রহাণুটির আঘাত প্রতিরোধের উপায় খুঁজছেন। সূত্র : ডেইলি মেইল আক ডেস্কটপ সংস্করণ দূরদেশ
পৃথিবী ঠিক কবে ধ্বংস হবে সেটা নিশ্চিত নয়।কিন্তু কি কি কারনে তা হতে পারে তার একটা সম্ভাবনা আছে। সেটা হলঃ মহাজাগতিক কোন কিছুর সাথে সংঘর্ষ,পৃথিবীর ঘূর্ণন কমে যাওয়া,সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ইত্যাদি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy