2 Answers

আগুনের রং কি হবে তা নির্ভর করে আগুন দ্বারা উৎপন্ন তাপের উপর। এটা বোঝার জন্য আমাদের জানতে হবে ব্ল্যাক বডি রেডিয়েশন এমিশন (Black Body Rediation Emission)। ব্ল্যাক বডি রেডিয়েশন এমিশন হল এক ইলেক্ট্রোম্যাগন েটিক রেডিয়েশন যা প্রত্যেক বস্তু থেকেই বের হয়। যখন তাপমাত্রা কম থাকে, যেমন আমাদের রুমের তাপমাত্রা তখন বস্তুর থেকে যে রেডিয়েশন বের হয় তা আমাদের দৃষ্টি সীমার মধ্যে থাকে না তাই আমরা তা দেখতে পারি না। অনেকটা লোহা গরম করার মত, গরম করার প্রথম দিকে স্পর্শ করলে বোঝা যাবে লোহা গরম কিন্তু রঙের কোন পরিবর্তন দেখা যায় না। কিন্তু যখন তাপমাত্রা বাড়তে থাকে তখন রেডিয়েশন আমাদের দৃষ্টি সীমার মধ্যে আসতে থাকে। আর তাই আমরা দেখি লোহা অনেক গরম হলে লাল/কমলা রঙের হয়ে যায়। আগুনও তাই। আগুন জ্বলার সময় পরিবেশের পার্টিকেল গুলকে পুড়াতে থাকে যার থেকে রেডিয়েশন বের হয় এবং তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে আগুনের রং হাল্কা লাল থেকে, গাঢ় লাল এবং কমলা হয়ে যায়। আর এই তাপমাত্রা আরও বাড়তে থাকলে আগুন কমলা রং থেকে নীল রং হয়ে যায়। এর এই কারণে উৎসের কাছে আগুনের রং নীল থাকে আর উৎস থেকে দুরে আগুন হলুদ বা লাল থাকে। বাসার চুলায় দেখলে আশা করি ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। এই হল আগুনের রং। যদিও আগুনের আরও অনেক রং হয়, সেটা অবশ্য কিছু নির্দিষ্ট রাসায়নিক বস্তুর সাথে বিক্রিয়ার ফলে। ক্যামিষ্ট্রি ল্যাবে অনেক রকমের আগুন দেখা যায়।

2678 views

এর কারণ হলো পদার্থের এনার্জি ছেড়ে দিয়ে স্ট্যাবল হবার প্রবণতা। সহজ ভাষায় বলতে গেলে-- আগুনের ফ্লেমের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন রং থাকে কারণ নিচের দিকে তাপ খুব বেশি থাকে আর যত উপরে উঠে তত ঠান্ডা হতে থাকে। নিচে তেমন তাপ ছাড়ে না। যখন শক্তি ছেড়ে দেয় তখন সেই শক্তি বর্নালী রূপে ছড়িয়ে পড়ে (কারন শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই) অর্থাৎ সেখানের পদার্থের শক্তির (বিকিরনের) সমতুল্য রঙ বা বর্নালী দেখা যায়। ধীরে ধীরে যখন আগুনের শিখা উপরে উঠতে থাকে সেটা আরো ঠান্ডা হতে থাকে মানে আরো তাপশক্তি বর্জন করতে থাকে। ফলে বিভিন্ন রঙ-এর স্তর দেখা যায়।

2678 views

Related Questions