1 Answers

একটোপিক প্রেগন্যান্সির চিকিৎসা:

একটোপিক প্রেগন্যান্সির কারণে রক্তক্ষরণ হলে রোগীকে রক্ত দিতে হয়। গর্ভাবস্থার প্রথমদিকে একটোপিক প্রেগন্যান্সি প্রয়োজন হলে মিথোট্রিক্সেট ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। মিথোট্রিক্সেট দিলে ভ্রুণ নষ্ট হয়ে মাসিকের সঙ্গে বের হয়ে যায় অথবা শরীরের ভেতরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থেকে যায়। তবে লিভার, কিডনি বা রক্তের অসুখ থাকলে ভ্রুণ ৩.৫ সেন্টিমিটারের চেয়ে বড় হয়ে গেলে মিথোট্রিক্সেট দেয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে অপারেশনের আশ্রয় নিতে হয়। অনেকসময় মিথোট্রিক্সেট দিয়ে চেষ্টা করার পরও জটিলতা থেকে যেতে পারে এবং অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে। একটোপিক প্রেগন্যান্সি জটিল আকার ধারণ করলে অপারেশনের মাধ্যমে ডিম্বনালি মেরামত করা হয় অথবা ডিম্বনালি কেটে ফেলা হয়। অনেকসময় জরায়ুও কেটে ফেলতে হয়। দক্ষ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা সেবা নিলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

রোগ নির্ণয়ের পর যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা করাতে হবে, ঠিক কতদিন পর্যন্ত চিকিৎসা না করালেও চলবে তা বলা যায়না। রোগটির বিভিন্ন ধরণ ও মাত্রা রয়েছে, সে অনুযায়ী যে কোনো মুহুর্তেই মারাত্মক বিপত্তি ঘটে যেতে পারে।

5370 views

Related Questions

কিং রোট দিয়ে?
1 Answers 2631 Views