5 Answers
নখ ভেঙ্গে যাওয়ার কারণঃ অতিরিক্ত পরিমাণে বাসন ধোয়া নখ ভঙ্গুর হবার একটি সাধারন কারণ । তাই বলে আমরা বাসন ধোয়া বা কিচেন পরিষ্কার করা তো আর ছেড়ে দিতে পারি না! খুব সহজেই একজোড়া গ্লভস আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। বিরল হলেও থাইরয়েড গ্রন্থি সমস্যা, কিডনি সমস্যা, বা বিশেষ একটি পুষ্টির অভাব, আয়রন বা অন্যান্য খনিজের অভাবও ভঙ্গুর নখের কারণ হতে পারে। রাসায়নিক কেমিক্যালের সংস্পর্শও নখের ক্ষতির কারণ হতে পারে।খুশির বিষয় হলো আমরা চাইলেই আমাদের রুটিনে কিছু পরিবর্তন এনে নখের যত্ন নিতে পারি। নখের যত্ন নেয়ার জন্য আমাদের যা যা করতে হবে সেগুলো হলো- পানির ব্যবহার কমানোঃ ম্যানিকিউর পদ্ধতি পরিবর্তনঃ অতিরিক্ত নেল পলিশ রিমুভার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। নেইল আর্ট না করা থাকলে অ্যাসিটোন যুক্ত রিমুভার ব্যবহার না করাই ভালো। যারা সংসারের কাজকর্ম বেশি পরিমাণে করেন তাদের জন্য চারকোণা আকৃতির নখ না রেখে গোলাকৃতির নখই উপযুক্ত। তাহলে নখ ভাঙ্গার সম্ভাবনা কমে যাবে অনেকখানি। নখের আর্দ্রতা রক্ষা করুনঃ ভঙ্গুর নখের জন্য আর্দ্রতা রক্ষা করাটা জরুরী,বিশেষত নখের বহিঃত্বক রক্ষার জন্য নখকে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতার যোগান দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ভালো মানের cuticle oil ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করলে নখ উজ্জ্বল ও শক্ত হয়।গোসল করলে দীর্ঘক্ষণ নখটা ভেজা থাকে তাই গোসলের পরেই ভ্যাসলিনের প্রলেপ নখকে সুরক্ষা দিবে। নখের ব্যবহারে যত্নশীল হনঃ আপনার নখ আপনার সৌন্দর্যের একটা অংশ তাই এর প্রতি যত্নশীল হন, নিজের নখকে কখনো টুলস হিসেবে ব্যবহার করবেন না।বিভিন্ন কৌটা খুলতে, লেবেল ওঠাতে অনেক সময়ে আমরা নখ ব্যবহার করি এতে নখের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পেতে পারে তাই এসব ক্ষেত্রে সচেতন হন। আপনার নখের উপরেই আপনার হাতের সৌন্দর্য অনেকখানি নির্ভর করে তাই উপরের সাধারণ নিয়ম গুলো মেনে চলার পরেও যদি কাজ না হয় সেক্ষেত্রে ভালো কোন Dermatologist এর কাছ থেকে পরামর্শ নেয়াই উত্তম।
হাতের সৌন্দর্য হল নখ। তবে ভঙ্গুর নখ সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। দুর্বল ও ভঙ্গুর নখ খুব সহজেই ভেঙে যায় এবং এর কারণে নারী কিংবা পুরুষ উভয়ের দেহের যে কোন অংশে আঁচড় লাগতে পারে। কিন্তু ভঙ্গুর নখ অনেক সময় মাঝে মধ্যে দৈহিক অসুখের কারণেও হয়ে থাকে। হাইপারথাইরয়েডিজম, ফুসফুসের সমস্যা, সোরিয়াসিস, রক্ত সল্পতা, ব্যাকটেরিয়া সংক্রামন ইত্যাদি কারণে হাতের নখ ভঙ্গুর হয়ে থাকে। তাছাড়া আরও কিছু কারণ আছে নখ ভঙ্গুর হওয়ার পিছনে। যেমন- পানি শুন্যতা, ঘন ঘন নেলপলিশ ব্যবহার করা, অতিরিক্ত শুষ্ক পরিবেশে থাকা, দেহে পুষ্টির অভাব, অতিরিক্ত নেলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করা ইত্যাদি। তাই নখের এই সমস্যা রোধ করতে মেনে চলুন ২ টি উপায় যার মাধ্যমে নখের এই বিরক্তিকর সমস্যা রোধ করা সম্ভব। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারঃ ভঙ্গুর নখের জন্য অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুব উপকারী। এটিতে আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং এটির ম্যালিক এসিড এবং মেকটিক এসিড হাতের নখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। ১। একটি পাত্রে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার নিয়ে তা পানির সাথে মিশিয়ে নিন। ২। কিছুক্ষণ এই মিশ্রনে হাত ডুবিয়ে রাখুন। ৩। কিছুক্ষণ রাখার পর হাত ধুয়ে ফেলুন। হাতের নখ ভালো রাখতে প্রতিদিন ২/৩ বার পদ্ধতি মেনে চলুন। মিশ্রণটি না ফেলে দিয়ে আবার ব্যবহার করুন পরবর্তীতে। ভিটামিন ই অয়েলঃ নখ ভঙ্গুর হওয়ার পিছনে মূল কারণ হল ময়শ্চারাইজার। ভিটামিন ই অয়েল নখের জন্য খুব উপকারী এবং এটি নখ শক্ত করে ও পুষ্টি যোগায়। ১। একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল থেকে নির্যাস বের করে নিন। ২। এই অয়েল রাতে ঘুমানোর আগে হাতের নখে মেখে নিন ৩। তেলটি হাতে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন যাতে হাতে ভালোমতো রক্ত প্রবাহ করে। ৪। এই কাজটি প্রতিদিন করুন ২ সপ্তাহ গেলেই হাতের নখে পরিবর্তন আসবে। তাছাড়া ভিটামিন ই ক্যাপসুল আপনি খেতেও পারেন। সূত্র: প্রিয় লাইফ
নখ আমাদের হাত পায়ের সৌন্দর্য রক্ষা করে। সামান্য তেরাবেকা নখ আমাদের হাত পায়ের সৌন্দর্যহানি করতে যথেষ্ট। নখ আকাবাকা হওয়ার কারন হল, সহজেই নখ ভেঙ্গে যাওয়া। অমজবুত নখ খুব সহজেই ভেঙ্গে যায়। তাই নখকে মজবুত করা জরুরি। তাই নখ মজবুত করতে কিছু পন্থা অবলম্বন করতে হবে। * প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে নখের আশেপাশে মশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এতে নখের ভঙ্গুরতা কমে এবং রুক্ষ ভাব দূর হয়। * ঘন ঘন নেইল পলিশ বা রিমুভার ব্যবহারে নখ নরম হয়ে যায়। যার ফলে দেখা দেয় ভঙ্গুরতা। তাই ক্যামিকেল জাতীয় পণ্য কম ব্যবহার করতে হবে। * নির্দিষ্ট সময় পর পর নখ কেটে ছেঁটে নিতে হবে। নখের কনা বড় হয়ে গেলে, নেইল ফাইলার দিয়ে নখের আশপাশ ফাইল করে নিতে হবে। নিয়মিত নখ কাটলে নখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং ভাঙ্গার প্রবণতা কমে যায়। * দাঁত দিয়ে কখনোই নখ কাম্রান উচিত না। এতে নখের আশপাশ ভেঙ্গে যায়। তাছাড়াও দাঁত দিয়ে নখ কাটলে নখ দুর্বল হয়ে যায়, আর নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি হ্রাস পায়। * প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই যুক্ত খাবার থাকতে হবে। এছাড়াও অন্যান্য ভিটামিন যেমন ভিটামিন এ,সি,ডি ইত্যাদিও নখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত ভিটামিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। খাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ই পর্যাপ্ত না পেলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়া যেতে পারে। এতে শরীরের ভেতর থেকে নখে পুষ্টি পৌছাবে এবং নখ হবে শক্ত ও স্বাস্থ্যজ্জ্বল। * সমতাহে অন্তত ১বার গরম পানিতে লবন মিশিয়ে ২০মিনিটের জন্য নখ ডুবিয়ে রাখতে হবে। এরপর নরম ব্রাশ দিয়ে হালকা করে নখ ঘষে নিয়ে, গ্লিসারিন বা ভেসলিন দিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। এক সপ্তাহ পর পর একবার এভাবে লবণ পানিতে নখ ধুয়ে নিলে নখের স্বাস্থ্য ভালো হয় এবং নখের ভঙ্গুরতা কমে।
নখ ত্বকেরই অংশ , নখ প্রেসটিন দিয়ে তৈরি । নখ প্রতিদিন তৈরি হয় । প্রতি মাসে ১/৮ ইঞ্চি নখ বড় হয়,পায়ের নখ হাতের নখের তুলনায় ধীরে বড় হয় । নখ সুন্দর রাখার জন্য নখের সঠিক যত্ন প্রয়োজন । নখের নানা ধরণের অসুখ হতে পারে আবার নানা অসুখে নখের পরিবর্তন হতে পারে ।শারীরিক বিভিন্ন ধরণের অসুখ যেমন ফুসফুস বা হার্টের অসুখ,রক্ত স্বল্পতা ইত্যাদি কারণে নখের পরিবর্তন হয় ।নখকে কখনোই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন না। ফোনের নাম্বার ডায়াল করা, নখ দিয়ে কোনকিছু ছেঁড়া, খোঁচানো বা ঘষার মতো কাজ করবেন না। *হাতের সব আঙুলের নখ যদি লম্বায় সমান এবং একই শেপের হয় তাহলে নখ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। * নখ হলো এক ধরনের শক্ত কোষের সমষ্টি। পরিমাণ মতো প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়োডিন ও ভিটামিন ‘বি’যুক্ত খাবার খেলে নখ সতেজ ও সুন্দর থাকে। * নখের সুন্দর গড়নের জন্য সপ্তাহে অন্তত এক বার ম্যানিকিউর, পেডিকিউর করা অবশ্যক। বাজার থেকে কিনে নিতে পারেন নেল স্ট্রেথনার। এতে ভিটামিন ই ও ডি প্যানথেনল থাকে। নেলপলিশের নিচে লাগালে নখ ভাঙবে না বরং নখে ঔজ্জ্বল্য আসবে।নখের ভিত্তি শক্ত করার জন্য নীচের প্যাকটি ব্যাবহার করতে পারেন । ১) একটি পাত্রে ২ চামুচ লেবুর রস নিন । ২)এর মধ্যে ৫ ফোঁটা অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে নিন ৩)এবার এই মিশ্রণ নখে মাখিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা । ৪)এরপর একটি চায়ের কাপের মধ্যে এক কাপ হাল্কা গরম পানির মধ্যে ২ চামুচ লেবুর রস নিন, এবার লেবুর রসের মধ্যে হাতের আঙ্গুল পর্যায়ক্রমে ডুবিয়ে ১ মিনিট সময় রাখুন । তারপর তুলে নিন । এরপর হাল্কা গরম পানি দিয়ে হাত নখ ধুয়ে ফেলুন । এভাবে আপনার নখের গোঁড়া শক্ত হবে ফলে যখন তখন নখ ভেঙ্গে যাবে না।
খুব বেশি নেল আর্ট নখকে ভঙ্গুর করে তোলে। খুব সহজেই নখ ভেঙে যায় তখন। নখ একটু বড় হলেই ভেঙে যায়। তাই নখ যাতে সুন্দর ভাবে বড় রাখতে পারেন তাই খুব বেশি নেল আর্ট না করাই ভালো।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy