5 Answers

এটা কোনভাবেই ঠিক না। একাধিক স্ত্রী রাখার কথা বলা আছে কিন্তু অন্য নারীর সাথে মিলামিশা করা ঠিক না/ 

4367 views

না, এটা ঠিক ছিল না | তারা যেটা করতো সেটা নিঃসন্দেহে জেনা ব্যাভিচার | কারন স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে সেক্স করা মানে জেনা করা | অবশ্য ক্রীতদাসীর ব্যাপারটা ভিন্ন |

4367 views

ইসলাম একধিক স্ত্রী রাখার কথা বলেছে যদি সব স্ত্রীর হক পূরণ করতে সক্ষম হয় ৷ রাজা সম্রাটরা অন্য স্ত্রী ছাড়া অন্য নারীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হলে তা অবশ্যই জিনা ৷ আর আমরা সবাই জানি ইসলামে জিনা হারাম

4367 views

ইসলামে স্ত্রীর পাশাপাশি ক্রীতদাসীদের সাথে বিশেষ শর্তসাপেক্ষে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে অনুমতি দিয়েছে। আগেকার দিনে রাজাদের বেশীরভাগ নারীকর্মীই কিন্তু ক্রিতদাসী ছিলেন সেহেতু এটাকে সম্পুর্ন অবৈধ বলা যাবেনা। তারা যদি এ ব্যাপারে শর্তসমূহ মেনে তাদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে থাকেন তাহলে তা বৈধ, আর তা নাহলে অবৈধ।

4367 views

আসলে আমরা অনেকেই প্রকৃত সত্যটা জানি না বলে এ ভুল ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে। মূলত ব্যপারটা হচ্ছে ইসলাম ধর্মে সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী রাখার পাশাপাশি দাসীও রাখার অনুমতি দিয়েছে। এবং স্ত্রীর ন্যায় দাসীদের সাথেও স্ত্রী সুলভ সব রকমের আচরণের অনুমতি দিয়েছে। শুধু ভোগের বিষয়টিই নয়। তার গর্ভে জন্ম নেয়া শিশুরা যেন দাসীর সন্তান বলে উপেক্ষিত না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখেছে। ও তার গর্ভে জন্ম গ্রহণ করা সন্তানদেরকে নিজ সন্তানদের মত সুশিক্ষায় শিক্ষিতকরণ ও মৃত্যুর পর তাদের ওয়ারিস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর পরিত্যক্ত সম্পত্তির অংশীদার বানিয়েছে। ইসলামে দাস-দাসী হয় কয়েক প্রকারে। ১/ যুদ্ধে হেরে যাওয়া শত্রু পক্ষের সৈন্য বাহিনীর সাথে থাকা সমস্ত নারী-পুরুষ। পাইকারীভাবে বিজিত দেশের সকল নারী-পুরুষ নয়। ২/ এ প্রক্রিয়ায় পাওয়া দাস-দাসী স্বাধীন ব্যক্তিগণ একে অপরকে উপহার হিসেবে প্রদান করলে। ৩/ একই প্রক্রিয়ায় পাওয়া দাস-দাসী স্বাধীন ব্যক্তিগণ একে অপরের কাছে ক্রয়-বিক্রয় করলে। ৪/ তাছাড়া আগেকার যুগে এমন অনেক উচ্চবিত্ত ফ্যামিলি দেখা যায় যাঁরা নিজেদের মেয়েকে বাদশার দাসী হিসেবে প্রেরণ করতেন। এটা আপনার কাছে অনেক আশ্চর্যের মনে হতে পারে। কিন্তু সেকালে এটা ছিল অতি সাধারণ ব্যপার। এবং এটাকে অনেক সম্মানের চোখে দেখা হত। এটা অনেকটা পারিবারিকভাবে মেয়ে বিয়ে দেয়ার মত। পরিবার মেয়েকে বাদশার দাসী হিসেবে দিতে আগ্রহী এবং মেয়েরও এতে কোন আপত্তি ছিল না। বাদশাহও তাকে তাঁর দাসী হিসেবে কবুল করতেন। সাধারণত এ প্রক্রিয়ায় আসা দাসীরা হেরেমে "বাদশার বিশেষ বাঁদী" হিসেবে আলাদা মর্যাদা লাভ করতেন। অনেক সময় এ বাঁদীগণ অন্যান্য দাসীদের সর্দারনী হিসেবে সম্মানীয়া হতেন। এ প্রকারের বাঁদীগণ সাধারণত নবাব পরিবার / প্রদেশের গভর্ণর বা এ জাতীয় উচ্চ স্তরের নারীরাই হতে পারতেন। এ ছাড়া আরও একটি পদ্ধতি আছে। যেটা অনেক বিতর্কিত। তাই এখানে উল্লেখ করা হল না। আর পূর্বের যুগে রাজা-বাদশাহদের মধ্যে উপহার হিসেবে একে অপরকে সুন্দরী দাসী দেয়ার প্রচলন ছিল অনেক বেশী। বিশেষ করে যেসব বাদশাহগণ অধিক প্রভাবশালী বা অনেক বেশী ক্ষমতাধর ছিলেন তাঁদের সম্মান করে / তোয়াজ করে / নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ছোট / কম ক্ষমতাশীল বাদশাহগণ উপহার হিসেবে তাঁদের নিকট সুন্দরী দাসীদের প্রেরণ করতেন। আর এভাবেই বড় বড় বাদশাহগণ অনেক দাসীর মালিক হয়েছিলেন। এ কারণেই দেখা যায় যে বাদশাহ যত ক্ষমতাশীল তাঁর হেরেমেও বাঁদী বা দাসীর সংখ্যা ততবেশী। আর ইসলাম একজন পুরুষের স্ত্রীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৪ জন নির্ধারন করে দিলেও দাসী রাখার ব্যপারে সর্বোচ্চ কোন সংখ্যা নির্ধারণ করে নি।

4367 views

Related Questions