ফর্সা হওয়া?
3 Answers
প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক ফর্সাকারী এবং ডিটক্সিফাইংঃ
- Setria যুক্ত ৫০০ মি,গ্রা L-Glutathione উচ্চ শক্তিসম্পন্ন
- অ্যাভোক্যাডো, ওয়ালনাট এবং টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে গ্লুটাথায়োন পাওয়া যায়।
- যদি আপনি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট গ্রহন করতে চান, তাহলে গ্রহন করুন গ্লুটাথায়োন। এর শক্তিশালী ট্রাই পেপটাইড শরীরের মূল অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ডিটক্সিফায়ার হিসেবে কাজ করে। শরীরের প্রতিটি কোষে উপস্থিত থেকে এটি আপনার শরীরের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। জাপানে উৎপাদিত Setria যুক্ত ৫০০ মি,গ্রা L-Glutathione এর প্রতিটি ক্যাপসুল উচ্চ শক্তিসম্পন্ন।
গ্লুটাথায়োন খুবই উচ্চ মানের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং এটি আপনার রঙ ফর্সা হওয়া নিশ্চিত করে যদি আপনি এটি নিয়মিতভাবে গ্রহন করেন।
গ্লুটাথায়োন-এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট লিভার পরিষ্কার করে, এর ফ্রি র্যাডিক্যাল সরিয়ে নেয় এবং মস্তিষ্কেরও উপকারে আসে। আপনি কি জানেন আমাদের মস্তিষ্কের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হল গ্লুটাথায়োন এবং এর নিম্ন মাত্রা নানা অসুস্থতা এবং ডিসঅর্ডারের কারণ?
যাদের বয়স ১৬ -র বেশি তাদের জন্য গ্লুটা গ্রহন নিরাপদ
- ওজন বৃদ্ধির জন্য এটি গ্রহনের সবচেয়ে উপযোগী মাত্রা হল ১০-২০ মি,গ্রা/কে,জি এবং রঙ ফর্সা করার জন্য এটি গ্রহনের সবচেয়ে উপযোগী মাত্রা হল ২০-৪০ মি,গ্রা/কে,জি/BW। উদাহরণস্বরূপ - ৫০ কে,জি x ২০ মি,গ্রা = ১০০০ মি,গ্রা। ফর্সা হওয়ার জন্য ভালো ফলাফল পেতে এটি ভিটামিন সি এবং অ্যাসকরবিক এসিডের সাথে মিশিয়ে গ্রহন করুন। ভিটামিন ই -র সাথেও এটি গ্রহন করলে উপকার পাওয়া যায়। তবে বেশিদিন ভিটামিন ই গ্রহন ভাল নয় কারণ এটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না এবং পরবর্তীতে সমস্যা হতে পারে। তাই আপনি গ্লুটা শুধু রঙ ফর্সাকারণ উপাদান হিসেবেই গ্রহন করছেন না!
- ১০০% গ্যারান্টি যুক্ত যে এটি রঙ ফর্সা করবে।
- বেশির ভাগ মানুষের জন্য প্রথম ৩ মাস গ্লুটা গ্রহন অনেক প্রয়োজনীয় শরীরে এর ফাউন্ডেশান গঠনের জন্য। একবার ফাউন্ডেশান গঠন হলে এরপর এর ফর্সা করার কার্যকারিতা শুরু হয়। রঙ হালকা হওয়ার প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে শুরু হয়। এই প্রক্রিয়া মানুষের মেটাবলিজম এবং শরীরের কেমিক্যাল ভেদে ভিন্ন হয়। এভাবেই আপনি একটা সময় দেখবেন আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক উজ্জল এবং সাস্থ্যকর দেখাচ্ছে.
- গ্লুটা ত্বকের মেলানিন উৎপাদনের হার কমিয়ে ত্বক ফর্সা করে।
- এটি ব্যবহারের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কারণ এর রঙ ফর্সা করাই এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
- বেশিদিন ব্যভারে কোন ক্ষতি নেই।
- এটি খাবারের সাথে গ্রহন করা যায়। তবে কখনোই লিকার এবং অ্যালকোহলিক পানীয়র সাথে গ্রহন করা উচিৎ নয়।
- গ্লুটা ব্যবহারে ত্বক সেনসিটিভ হয় না। এর সাথে আপনি নিয়মিত সানব্লক ক্রিম এবং লোশন ব্যবহার করতে পারবেন।
-
-
- Price
- Tk. 3,500.00
প্রাকৃতিকভাবে ফর্সা হওয়ার সহজ উপায়
১ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ,১ টেবিল চামচ মধু,১টেবিল চামচ লেবুর রস এবং আধা টেবিল চামচ বাদামের তেল ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।তারপর পরিষ্কার করুন।এই প্যাকটি মুখে শাইন আনবে আর রোদে পোড়া ভাব দূর করবে।
• বেশন,দুধ ২ চা চামচ এবং লেবুর রসের মিশ্রন মুখে,গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ২বার এটা লাগান আপনার গায়ের রঙ অবশ্যই উজ্জ্বল হবে।

• আমরা সবাই কমলা খেয়ে খোসাটা ফেলে দিই,অথচ এই ফেলনা জিনিসটাই আপনাকে পৌছে দিবে আপনার স্বপ্নের অনেক কাছাকাছি।কমলার খোসা রোদে শুকিয়ে নিন।তারপর মিহি করে গুঁড়ো করে নিন।তারপর ১ টেবিল চামচ গুঁড়োর সাথে ১ টেবিল চামচ টক দইয়ের পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
• ঝকঝকে ত্বকের জন্য চন্দন গুঁড়োর অবদান অনস্বীকার্য। চন্দন গুঁড়োর সাথে দুধ মিশিয়ে প্রত্যেকদিন হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। অল্প দিনের মধ্যে আপনার মুখে হাসি ফুটবেই।

• আপনার যদি টমেটো তে অ্যালার্জি না থেকে থাকে তাহলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সাথে টমেটোর ক্লাথ মিশিয়ে মুখে এবং গলায় ব্যবহার করুন ফর্সা ত্বকের জন্য আর ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
• আধা কাপ চায়ের লিকার(ঠাণ্ডা),২ চামচ চালের গুঁড়ো, আধা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগান।চালের গুঁড়ো স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করবে আর মধু মুখের আর্দ্রতা বজায় রাখবে।
• শশার রস আর মধু সমান পরিমাণ নিয়ে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন।এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য অনেক উপকারী।তৈলাক্তও ত্বকে মধুর বদলে লেবু ব্যবহার করতে হবে।

• সপ্তাহে একবার পাকা কলা চটকিয়ে মুখে লাগান আর ৩/৪ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।মুখে লুকিয়ে থাকা সব ময়লা নিমিষে পালিয়ে যাবে আর আপনি হয়ে উঠবেন আরো আকর্ষণীয়।
• ২ টেবিল চামচ বেসন,২ চিমটি কাঁচা হলুদ ,২-৩ ফোঁটা লেবুর রস আর ১ চা চামচ দুধ দিয়ে প্যাক বানিয়ে ফেলুন।মুখে ৫ মিনিট ভালো ভাবে ম্যাসাজ করুন এই প্যাকটি।তারপর ২০ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।তবে মনে রাখবেন হলুদ কিন্তু সবার ত্বকের জন্য নয়। তাই আগে একটু টেস্ট করে নিবেন কাঁচা হলুদ আপনার বন্ধু না শত্রু।
