2 Answers
সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে কর্মচারীদের কাজের ফাকের সময় পাওয়ার ন্যাপ বা ঝটিকা ঘুমের আয়োজন করতে তৈরি হয়েছে এই বিশেষ বিউটি পার্লার।এখানে ঘুমাতে হলে নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিতে হয়।
সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় এবার কর্মচারীদের কাজের ফাঁকের সময় পাওয়ার ন্যাপ বা ঝটিকা ঘুমের আয়োজন করতে তৈরি হয়েছে বিশেষ পার্লার। রাজধানী সিউলে টাকা দিয়ে ঘুমানোর এই ব্যবস্থা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বেশ। শহরের বাণিজ্যিক এলাকাগুলিতে পাওয়ার ন্যাপ বা কাজের ফাঁকে অল্প সময়ের ঘুমের জন্য এই ধরনের জায়গা বাড়ছে এবং তা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইতিমধ্যে। তবে এসব জায়গায় ঘুমাতে হলে নির্দিষ্ট একটি অঙ্কের টাকা আগে দিতে হবে। যাতে অফিসে নয়, ঘুম পেলেই এই ধরণের পার্লারে চলে যাওয়া যাবে। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কর্মচারী জানিয়েছেন, আমি প্রায়ই নিজের টেবিলের ওপরে কিংবা টয়লেটে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম।কিন্তু এখন আমি এখানে একটু আরাম করে শুয়ে ঘুমাতে পারছি। দক্ষিণ কোরিয়ার লোকজনকে বেশ লম্বা সময় কর্মঘন্টা কাটাতে হয় এবং কর্ম-সংক্রান্ত মানসিক চাপও সেখানে বেশ চিন্তার বিষয়। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে ঘুমানোর জন্য বিমানের মত রিসাইক্লিং আসন, আবার মাস্যাজ করার চেয়ারও রয়েছে। গত কয়েকদিনের মধ্যে এই ধরণের পার্লার এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে, এখন ঘুম পেলেও সেখানে জায়গা পাওয়াটা খুবই কষ্টের।