1 Answers

Md Ariful Islam
বিএসসি(সিএসই), এমবিএ(মার্কেটিং)
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার Bissoy.com


গর্ভপাত ঘটানো সম্পর্কে আলেমদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো- শরয়ী কারণ ব্যতীত গর্ভের কোনো পর্যায়ে বাচ্চা ফেলা বৈধ নয়। গর্ভ যদি প্রথম পর্যায়ে থাকে, যার বয়স চল্লিশ দিন, অথবা জমাট বাঁধা রক্ত অথবা গোশতের টুকরা হয়ে থাকে, কিংবা গর্ভ যদি তৃতীয় স্তর পার করে ও তার চার মাস পূর্ণ হয়, আর গর্ভপাত করার কারণ যদি হয় সন্তান লালন-পালন করার কষ্ট অথবা তাদের ভরণ-পোষণ করার দুশ্চিন্তা অথবা ভবিষ্যৎ গড়ার চিন্তা অথবা যে সন্তান আছে তাদেরকে যথেষ্ট জ্ঞান করা, তাহলে বৈধ নয়।

যদি রোজা রাখা গর্ভবতী নারীর জন্য ক্ষতিকর হয়, তবে রমযানের পানাহার তার জন্যে বৈধ । যদি গর্ভের বাচ্চায় রূহ সঞ্চার করা হয় এবং গর্ভপাত ঘটানোর ফলে মারা যায়, তাহলে এটা অন্যায় হত্যার শামিল, যা আল্লাহ হারাম করেছেন। গর্ভের বাচ্চা হত্যা করলে হত্যাকারীর জন্যে কাফফারা দেওয়া ওয়াজিব। কাফফারা হলো, মুমিন দাসী মুক্ত করা, যদি মুমিন দাসী পাওয়া না যায় লাগাতার দু’মাস রোজা রাখা।

গর্ভপাত ঘটানো সম্পর্কে আলেমদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো- শরয়ী কারণ ব্যতীত গর্ভের কোনো পর্যায়ে বাচ্চা ফেলা বৈধ নয়। গর্ভ যদি প্রথম পর্যায়ে থাকে, যার বয়স চল্লিশ দিন, অথবা জমাট বাঁধা রক্ত অথবা গোশতের টুকরা হয়ে থাকে, কিংবা গর্ভ যদি তৃতীয় স্তর পার করে ও তার চার মাস পূর্ণ হয়, আর গর্ভপাত করার কারণ যদি হয় সন্তান লালন-পালন করার কষ্ট অথবা তাদের ভরণ-পোষণ করার দুশ্চিন্তা অথবা ভবিষ্যৎ গড়ার চিন্তা অথবা যে সন্তান আছে তাদেরকে যথেষ্ট জ্ঞান করা, তাহলে বৈধ নয়।

হ্যাঁ যদি নির্ভরযোগ্য ডাক্তারি টিম বলে যে, গর্ভ থাকলে মায়ের জীবনের আশঙ্কা আছে তাহলে বৈধ, তবে এটা অবশ্যই গর্ভধারী মাকে শঙ্কামুক্ত করার সকল প্রচেষ্টা প্রয়োগ শেষে এবং বাচ্চার জীবন রক্ষা করার সকল প্রচেষ্টা ব্যয় শেষে। এ সুযোগ প্রদান করা হয়েছে দু’টি ক্ষতি থেকে ছোট ক্ষতি দূর করা ও দু’টি কল্যাণ থেকে বড় কল্যাণ অর্জন করার স্বার্থে।

শাইখ মুহাম্মাদ উসাইমীন [রহ] বলেন- “যদি গর্ভের বাচ্চায় রূহ আসার পর গর্ভপাত করে সন্তান নষ্ট করা হয় তাহলে নিঃসন্দেহে হারাম। কারণ এটা অন্যায়ভাবে প্রাণ হত্যার শামিল, নির্দোষ প্রাণকে হত্যা করা কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মতের ঐকমত্যে হারাম”।

আল্লাহ তায়ালা বলেন- আর যখন জ্যান্ত দাফনকৃত কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হবে, কোন অপরাধে হত্যা করা হয়েছে”। [সূরা আত-তাকওয়ীর, আয়াত: ৮-৯]

মূল : ড. সালেহ ইবনে ফাওজান

35707 views Answered

Related Questions