আমাকে সাহায্য করুন?
10 Answers
ভতির জন্য প্রস্তুুতি নেন।অার অনেক পড়াশোনা করেন তাইলে পারবেন।।অাপনার অাজকের কাজ অাগামির ফল
আপনি একটা কথা চিন্তা করার চেষ্টা করুন যে সবাই কি ২২ বছরেই ইনকাম করে। আপনার দুই-চার বন্ধু হয়তো ইনকাম করে। কিন্তু তাই বলে ২২ বছরে আপনারও ইনকাম করতে হবে এমন কিছু না। তবে এখন আপনি ইনকামের চেষ্টা করতে পারেন। তাই আপনি প্রথমে পড়ালেখার পাশাপাশি প্রাইভেট পড়াতে পারেন ছাত্রদের।
সাধারনত নেটওয়ার্ক টাওয়ার ১ কিলোমিটার দুরে থাকলেও3g ফুল স্পিডে চলে ।আপনার মোবাইল টি restore দিয়ে দেখতে পারেন । আর যদি samsung ক্লোন সুপার কপি বা মাষ্টার কপি হয়ে থাকে ?তাহলে চেষ্টা করেও কোন ফল পাবেন না
প্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে, তা হচ্ছে, যে অধ্যায় বা গল্পটা পড়বেন সেটা আগে বুঝতে হবে যে এখানে মূল বিষয়টা কী, কী বুঝাতে চাচ্ছে এখানে? যখন মূল বিষটা বুঝতে সক্ষম হবেন তখন এটা আপনাকে মনে রাখতে সাহায্য করবে। আর পাঠগুলোকে বইয়ের ভাষায় না বুঝে, নিজের মত করে বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনার মাথা শুধু একটা বিষয়ে আটকে না রেখে মাথাটা খোলা রাখুন প্রশস্ত রাখুন। সংকীর্ণতা মানুষের বুঝশক্তিকে সংকীর্ণ করে রাখে। যে বিষয়টি আপনার মনে থাকে না সেটাকে নিয়ে সব সময় চিন্তা করুন। খেতে, বসতে, শুতে, ঘুমাতে সেটা নিয়ে ভাবুন। সময়, তারিখ, সন এগুলো বারবার মনে করার চেষ্টা করুন। ঝাপসা ঝাপসা মনে হলে আবার বইটা একটু খুলে একবার দেখে নিন। আশা করি এগুলো আপনাকে কাজে দিবে, ইনশাআল্লাহ।
তাওফিকুল ভাই খুব সুন্দর কথা বলেছেন। এছাড়া সাল তারিখ মনে রাখতে আপনি একটা পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। আপনি একটা খাতা নিয়ে সেখানে ১৯৫২ লিখবেন, সে সালে যা যা ঘটেছে তা লিখবেন(শুধু ভাষাসংগ্রাম নয়, আরো অনেক কিছুই ঘটেছে)। তারপর ১৯৫৩,৫৪ এভাবে করতে থাকবেন। আশা করি তখন সাল তারিখের ব্যাপারটা মনে থাকবে। আর আপনি কোন শ্রেণিতে পড়েন সেটা জানলে স্পেশাল টিপস দিতে পারি। ধন্যবাদ।
আমি টিপস দিতে একেবারেই অভ্যস্ত নই,কাজেই ভুল লিখলে মাফ করে দিবেন।।এবার আসি কথা প্রসঙ্গ তে। পড়াশুনাকে আপনি যত কঠিন ভাবে নিবেন,সে আপনাকে ততই ভোগাবে। আপনি যতইই মানসিক চাপ নিয়ে পড়বেন,ততই আপনি সহজ জিনিসও ভুলে যাবেন। এটাই সত্যি। কাজেই রিল্যাক্স মুডে পড়াশুনা করবেন। যেকোনো জিনিস (যেগুলি কঠিন,সাল কিংবা এমন জাতিয়) ছন্দ বানিয়ে মনে রাখার চেষ্টা করবেন,দেখবেন ঠিকই মনে থাকবে। আর এক্সাম হল তো আমাদের কাছে জমের বাড়ির মতই...!! এক্সাম দিতে ঢুকলেই কিছু মানুষের হাত পা নাড়ি-ভুড়ি সব একত্রিত হতে শুরু করে...!! এটা মজার কথা মনে হলেও কথাটা কিন্তু সত্যি। কাজেই আপনি কতটা পারেন তা বড় কথা নয়,আপনি এক্সামে কি লিখে আসলেন সেটাই বড় কথা। সারাজীবন পড়েও আপনার কোনো লাভ হবেনা যদিনা এক্সাম হলে সেটি যথাযথভাবে লিখতে পারেন।কাজেই মানসিক চাপ না নিয়ে শান্ত মস্তিষ্ক নিয়ে এক্সাম দিবেন,ভেবে চিন্তে লিখবেন।আপনি কখনো ভাববেন না যে আপনাকে সর্বোচ্চ মার্ক পেতে হবে,আপনি চিন্তা করবেন যে আপনি অনেক কিছুই পারেন যা আপনাকে খাতায় লিখতে হবে। এভাবে নিজের মনকে সেট-আপ করে এক্সামে লিখবেন। দেখবেন আপনি খুবই ভাল ফল পাবেন।বাড়তি চাপ নিয়ে অযথা সময় নষ্ট এবং রেজাল্ট খারাপ করার কোনো মানেই হয়না। রিল্যাক্স থাকুন,ইনশাআল্লাহ ভাল রেজাল্ট করবেন। আর মনে রাখার জন্য আপনি ছন্দ করে পড়ুন,পড়াকে গল্পের মত মনে করে পড়বেন। এতে বিরক্তিও আসবে না,পড়াও মনে থাকবে,পড়তেও আনন্দ পাবেন। পরীক্ষার আগে বাড়তি কিছু পড়তে যাবেন না,আগে যা পড়েছেন তাই রিভিশন দিন।
আপনি ভয় পাবেন না। নিজেকে শান্ত রাখুন। স্কুল বেশ কয়েক দিন দেরি তে খুলবে আমার মনে হয় না অতো দিন পর্যন্ত স্যার এর এই ব্যাপার টা মনে থাকবে। আর যদিও মনে থাকে তাহলে স্যার কে বলবেন ভুল করে গেছে মেসেজ টা। যদি কোন আপত্তিকর মেসেজ না দেন তাহলে কোন সমস্যা হবে না। আপত্তিকর মেসেজ না দিয়ে থাকলে ভুল করে মেসেজ টা চলে গেছে এটা বলতে পারেন। আর যদি আপত্তিকর মেসেজ দিয়ে থাকেন তাহলে সব টা শিকার করে মাফ চেয়ে নিবেন।
আপনারা যদি প্রাপ্ত বয়স্ক হন এবং বিয়েতে ২ জনের মত থাকে তাহলে আইন আপনাদের সাহায্য করবে। কিন্ত আপনার বাড়ি থেকে মেনে নিবে কিনা সেটা আপনার পরিবারের লোক জন ই ভাল জানে।