কেন এইরকম নিয়ম করা হল?
2 Answers
আল্লাহ অনেক জিনিস ই পছন্দ করেন না । এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল হিংসা এবং অহংকার। আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়। তিনি ছাড়া আর অন্যকোন মাবুদ নেই। তাই অহংকার শুধু তার করাই সাজে। মানুষ তার বান্দা, গোলাম। তাই মানুষের অহংকার সাজে না। আল্লাহ এজন্য অহংকার করতে নিষেধ করেছেন।
আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যাদের স্বভাব হচ্ছে বুঝে না বুঝে তর্ক করা। আর পুরুষের টাকনুর উপরে কাপড় পরা নিয়েও অনেকে তর্ক করেন। অনেকে বলে আমি অহংকার করি না। অনেকে অনেক কিছু বলে থাকে এটা জানার পরও যে রাসূল (সা: বলেছেন। আপনি মানবেন না সেটা আলাদা ব্যপার কিন্তু তর্ক এবং হাদীস কিম্বা রাসূলের কথা মিথ্যে বলে প্রমান করার চেষ্টা করে অনেকে।রাসূল বলেছেন পুরুষ টাকনুর নিচে কাপড় পড়া অহংকার এর অন্তর্ভুক্ত।আর আপনি বলেন আমি অহংকার করি নাই। তার মানে রাসূল মিথ্যে বলছেন ?(নাউজুবিল্লাহ) যে রাসুল(সা)এর কথা-কাজ তার নিয়ে আসা দিনের এবং তার কোনো প্রকার বিরোধীতা করবে সে -কাফের। এই বেপারে আল্লাহ বলেন - আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে ? তোমরা কোনো প্রকার ওজর পেশ করো না, কারণ তোমরা ঈমান আনার পরে কাফের হয়ে গিয়েছ।- >সূরা আত্-তাওবা: ৬৫, ৬৬ ------------->> পরুষদের টাখনুর উপরে কাপড় পড়তে হবে কেন ? ---> -> কারণ রাসূল (সা)বলেছেন আর মহান আল্লাহ বলেছে রাসুলের আনুগত্য করতে। আল্লাহ যখন হুকুম করবেন আমরা এর পিছে কোনো যুক্তি কোনো কারণ খুজবোনা। আর এটাই হলো ইমান। আল্লাহ বলেন - আর তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ ও রসূলের, যাতে তোমাদের উপর রহমত করা হয়।(আল-ইমরান-১৩২) রাসূল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে সে তোমাদের নিষেধ করে তা থেকে বিরত হও এবং আল্লাহকেই ভয় কর, নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি প্রদানে কঠোর।’ {সূরা আল- হাশর, আয়াত : ০৭} ---> আলোচনা ও হাদিসের দলিল-টাখনুর নীচে কাপড় পরা আজকাল অধিকাংশ কিশোর, যুবক কিংবা বৃদ্ধ টাখনুর উপরে প্যান্ট পরা কে ‘ইজ্জতের প্রশ্ন’ মনে করে , তাই প্যান্টকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে । আর এমন অনেক মেয়ে আছে যারা টাখনুর উপরে বা তারও উপরে প্যান্ট পরা কে ‘সম্মান জনক’ ব্যাপার মনে করে । একটু ভাবলেই বোঝা যায় , ব্যাপারটা একজন সুস্থ মস্তিষ্কের মেয়ের জন্য কতোটা “লজ্জাজনক”। ভাই , টাখনুর উপরে প্যান্ট পরা আল্লাহ্র হুকুম এবং এই ব্যাপারে ইসলামে কঠোর নিষেধ আছে । আপনি মানলে ইসলামের কোন লাভ-ক্ষতি নাই , না মানলেও কোন লাভ-ক্ষতি নাই , ইসলাম যেমন আছে তেমন-ই থাকবে । কিন্তু মানা বা না মানার উপর আপনার নিজের লাভ-ক্ষতি নির্ভর করে ।