1 Answers
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত সংখ্যাটা খোদ সরকারও বলতে পারে না। এত বছর ধরে এখনও শুধু তালিকাই হচ্ছে।
যে জায়গায় দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যাই বলা যায় না, সে জায়গায় ভারতীয় মিত্র বাহিনীর প্রকৃত সংখ্যা বলাটা প্রায় অসম্ভব।
১৯৮৬-৮৭ সালে এরশাদ সরকারের আমলে একটি জাতীয় কমিটির প্রণীত খসড়া তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক লাখ দুই হাজার ৪৫৮ বলে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে ৬৯ হাজার ৮৩৩ জন মুক্তিযোদ্ধার নামের তালিকা রয়েছে।
১৯৯৪ সালে বিএনপি সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভোটার তালিকায় ৮৬ হাজার আর ’৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের খসড়া তালিকায় এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৯০ জন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
অন্যদিকে সর্বশেষ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে (২০০১-২০০৬) গেজেটে প্রকাশিত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক লাখ ৯৮ হাজার ৮৮৯।
তবে জোট সরকারের গঠিত জাতীয় কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দুই লাখ ১০ হাজার ৫৮১ জন। অর্থাত্ জোট আমলে সংখ্যাটি আবার বেড়ে যায়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মইনুল হোসেন চৌধুরীকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আশ্চর্য লাগে, সরকার বদলালে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যাও বেড়ে যায়। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এসব দেখে নিজেকে খুবই হেয়প্রতিপন্ন মনে হয়।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশই বোধহয় একমাত্র দেশ, যেখানে অতীত পাল্টে যায়। তাঁর মতে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কোনোভাবেই এক লাখের বেশি হতে পারে না।
(বুঝতেই পারছেন, বিষয়টা কতটা ঘোলা।)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy