কোরিয়া যেতে চাই, এক্ষেত্রে করনীয়?
1 Answers
কোরিয়াতে চাকুরির উদ্দেশে যেতে চাইলে কিছু বিষয় অবশ্যই জানতে হবে। ইপিএস (এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম) কি? কোরিয়ান সরকার তাদের শ্রম মন্ত্রণালয়ের এইচআরডি কোরিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার জন্য ইপিএস (এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম) চালু করে। ২০০৮ সাল থেকে ইপিএস মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কোরিয়াতে শ্রমিক নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। কোন সংস্থা শ্রমিক প্রেরণ করবে? উল্লেখ্য, চুক্তি অনুযায়ী একমাত্র বোয়েসেলই এইচআরডি কোরিয়ার সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে কর্মী প্রেরণ করতে পারে। কোরিয়াতে যেতে কত টাকা খরছ হবে? ইপিএসে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে কোরিয়া আসা পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার টাকার মত খরচ হতে পারে। কিভাবে কোরিয়াতে যেতে হয়......? ১, ইন্টারনেট রেজিস্ট্রেশন: ইপিএস সিস্টেমে কোরিয়া আসতে হলে কোরিয়ান ভাষা (ইপিএস-টপিক) পরীক্ষায় পাস করে আসতে হয়। আবেদনকারীর প্রাথমিক যোগ্যতা ঃ - বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৯ বছর। - মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট। - কখনো কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে আবেদন অগ্রহণযোগ্য। - কোরিয়া থেকে যাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বা অবৈধভাবে ছিলেন তাদের আবেদন অগ্রহণযোগ্য। ২, পরীক্ষার্থী নির্বাচনের জন্য লটারিঃ কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আগ্রহীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় লটারীর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে কারা পরীক্ষা দিতে পারবেন তা নির্বাচন (এই নিয়ম পরিবর্তনশীল)। ৩, ইপিএস-টপিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য চুড়ান্ত রেজিস্ট্রেশনঃ বোয়েসেলের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট অনুযায়ী নির্বাচিত হলে বোয়েসেল নির্ধারিত ফি পে-অর্ডার (এখনকার নিয়মানুযায়ী ১৯০০টাকা) করে বোয়েসেলে জমা করলে চুড়ান্ত রেজিস্ট্রেশনের জন্য দেওয়া তথ্য এবং কাগজপত্র অনুযায়ী এইচআরডি কোরিয়ার সার্ভারে আপলোড। ৪, কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা লটারীতে নির্বাচিত হওয়ার পর চুড়ান্ত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে বোয়েসেলের দেওয়া নির্ধারিত সময়ানুযায়ী কোরিয়ান ভাষার পরীক্ষা। পরীক্ষার ধরনঃ পরীক্ষা হবে লিসেনিং (২৫টি প্রশ্ন) এবং রিডিং (২৫টি প্রশ্ন) এর উপর। ৫, চাকরির আবেদন, শ্রমিক বাছাই পদ্বতি এবং কোরিয়া যাত্রাঃ এই কথাটা ভালভাবে মনে রাখতে হবে যে ইপিএসে পাশ করলেই কোরিয়া যাওয়া নিশ্চিত নয়। ইপিএস-টপিক পরীক্ষায় পাস করলে চাকরির জন্য আবেদনের ˃ জব রোস্টার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত ˃ এইচআরডি’র তালিকাভুক্ত কোম্পানীগুলো দ্বারা শ্রমিককে নির্বাচন করা হলে তাদের জন্য এমপ্লয়মেন্ট পারমিট ইস্যু ˃ নিয়োগপত্র পুরণ ˃ সিসিভিআই (সার্টিফিকেট ফর কানফার্মেশন অব ভিসা ইস্যুয়েন্স) বাংলাদেশে পাঠালে কোরিয়ান ভিসার ব্যবস্থা ˃ যাওয়ার আগে ১ সপ্তাহের নির্ধারিত ট্রেনিং এবং কোরিয়ায় পৌঁছানোর পর ন্যূনতম ২০ ঘন্টা ট্রেনিং ˃ ট্রেনিং শেষে আপনি আপনার কর্মস্থলে যোগদান। ইপিএসের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট- বোয়েসেলঃ http://www.boesl.org.bd/ ইপিএসের প্রশ্ন ডাউনলোড এবং রেজাল্ট জানার জন্যঃhttp://epsklt.hrdkorea.or.kr/eps_klt/servlet/ ContentManager