আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে যে বিজর ভাগে কুরবানি দেওয়া, এটা আসলে কততা সঠিক? জর ভাগে কোরবানি দিলে কোন সমস্যা আছে কি? সরিয়াত মতাবেক যদি কেউ হেল্প করতেন।
2925 views

2 Answers

ইসলাম মতে যার যাকাত দেয়ার সামর্থ্য আছে তাঁর ওপর ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশু কুরবানি করার নির্দেশ রয়েছে। ঈদুল আযহার দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী দুইদিন পশু কুরবানির জন্য নির্ধারিত। বাংলাদেশের মুসলমানরা সাধারণত গরু বা খাসী কুরবানি দিয়ে থাকেন। এক ব্যক্তি একটি গরু বা খাসি কুরবানি করতে পারেন। তবে গরুর ক্ষেত্রে ভাগে কুরবানি করা যায়। ৩, ৫ বা ৭ ব্যক্তি একটি গরু কুরবানিতে শরীক হতে পারেন। কুরবানির মাংস তিন ভাগে ভাগ করে ১ ভাগ গরীব- দুঃস্থদের মধ্যে ও ১ ভাগ আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে বিতরণ করার পর তৃতীয় ১ ভাগ নিজেদের খাওয়ার জন্য রাখা যায়। কুরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থ দান করে দেয়ার নির্দেশ রয়েছে।মুসাফির বা ভ্রমঙ্কারির ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব নয়| ঈদুল আযহার নামাজের আগে কুরবানি করা সঠিক নয়| সাধারণত গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে ১ থেকে ৭ জন পরযন্ত শরিক হয়ে কুরবানি করা যায়| কুরবানির খাসীর বয়স কমপক্ষে ১ বছর হতে হবে। গরু ও মহিষের বয়স কমপক্ষে ২ বছর হতে হবে। নিজ হাতে কুরবানি করা ভাল। কুরবানি প্রাণির দক্ষিণ দিকে রেখে কিব্লামুখী করে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে 'বিস্মিল্লাহি আল্লাহু আকবার' বলে জবাই করতে হয়।

2925 views

সাধারনত কুরবানির মাংস তিন ভাগে ভাগ করা উওম। সমাজে এক ভাগ যেটা ঔখান থেকে ফকির মিসকিন গরিব সবাই কে দিয়ে দিবে আর দুইভাগ বাড়ি নিয়ে আসতে হবে এর মধ্যে একভাগ নিজেদের রেখে দিতে হবে আর একভাগ আত্মীয় স্বজন দের দিতে হবে।

2925 views

Related Questions