1 Answers

নাকের সংক্রমণের কারণে হতে পারে সাইনোসাইটিস নামের এ সমস্যা। নাকের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী সাইনাসগুলোর (হাড়ের মধ্যকার বায়ুপূর্ণ গহ্বর) সংযোগ রয়েছে বলে এমন সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া নাকের বিভিন্ন সংক্রমণের কারণে জীবাণুগুলো সাইনাসে ঢোকার সুযোগও পায় বেশি। সেখান থেকেও হতে পারে সাইনোসাইটিস। অ্যালার্জিজনিত কারণে যাঁদের নাক থেকে পানি পড়ার সমস্যা থাকে, তাঁরাও পড়তে পারেন এমন সমস্যায়। লক্ষণঃ সাইনোসাইটিসের প্রধান লক্ষণ ব্যথা। সাইনোসাইটিস হলে কপালের সামনের অংশে এবং নাকের পাশের অংশে ব্যথা অনুভূত হয়। সামনের দিকে ঝুঁকলে এ ব্যথা বাড়ে। সাধারণত সকালের দিকে সাইনোসাইটিসের ব্যথা বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদি হাঁচি, কাশি বা নাক বন্ধ থাকলেই সেটি সাইনোসাইটিস নয়। বিশেষ ধরনের এ ব্যথাটিই সাইনোসাইটিসের প্রধান লক্ষণ। ব্যথার সঙ্গে জ্বর বা হাঁচি-কাশিও থাকতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি এ সমস্যা থাকলে জ্বর থাকে না। কী করতে হবে : সাইনোসাইটিসের সমস্যায় ভুগলে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন। এভাবে কিছুটা আরাম পাবেন, নাকের বন্ধভাবটাও কাটবে বেশ। এছাড়া নাক পরিষ্কার করতে হবে খুব ভালোভাবে। নাকের একপাশের ফুটো বন্ধ করে অন্য পাশের ফুটো পরিষ্কার করুন। একইভাবে পরিষ্কার করতে হবে নাকের দুই দিকের ফুটোই। নাক বন্ধ হলে কখনোই নাকের ভেতরের দিকে বা ওপরের দিকে সর্দি টেনে নেওয়া ঠিক নয়। জ্বর থাকলে খেতে পারেন প্যারাসিটামল- জাতীয় ওষুধ। তবে ঘরের চিকিৎসায় কাজ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টিহিস্টামিন- জাতীয় ওষুধ খেতে হতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হলে অবশ্যই সময়মতো ওষুধ সেবন সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিরোধেঃ যাদের ধুলাবালিতে অ্যালার্জি আছে, তাঁরা ধুলার সংস্পর্শে আসা থেকে বিরত থাকুন। এছাড়া যে কেউ যখনই সর্দির সমস্যায় আক্রান্ত হোন, সব সময় খেয়াল রাখুন যেন নাক সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয়। সাইনোসাইটিসের ব্যথার সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। এছাড়া আলো বা শব্দের কারণে এ ব্যথা বাড়ার কোনো কারণ নেই। তথ্যসূত্র : সুপারমমবিডি

2899 views

Related Questions