2 Answers
যে আল্লাহর সাথে শরিক করে সে মুশরিক।আর যে ব্যাক্তি অবৈধভাবে কোন নারীর সাথে সঙ্গম করে সেটা ব্যাভিচার।
ইসলামী শরীয়তে মুশরিক বলা হয়ঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরকে লিপ্ত হয়, আল্লাহ্র সাথে কাওকে শরীক করে বা আল্লাহ্কে ত্যাগ করে অন্য কাওকে প্রভু হিসেবে মান্য করে তাকে বলে মুশরিক। অর্থাৎ, সে একজন অমুসলিম। বেনামাজি ব্যক্তি হচ্ছে মুশরিক... অমুসলিম। হ্যাঁ, বেনামাজি ব্যক্তিকে কুরানে মুশরিক বলা হয়েছে। মহান আল্লাহ্ বলেন- "সবাই তাঁর অভিমুখী হও এবং ভয় কর, সালাত কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। (সুরা আর রুমঃ ৩১) এই আয়াতে আল্লাহ্ বলেছেন- সালাত কায়েম করতে এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত না হতে। তাহলে যে ব্যক্তি সালাত কায়েম করল না সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হবে। কেননা সালাত হচ্ছে আল্লাহ্র হুকুম। আল্লাহ্র আনুগত্য করা ফরজ। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বনী আদম যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদায় যায়, তখন শয়তান কাঁদতে কাঁদতে দুরে সরে পড়ে এবং বলতে থাকে হায়! দুর্ভাগ্য আমার। দুর্ভাগ্য! বনী আদম সিজদার জন্য আদিষ্ট হল। তারপর সে সিজদা করল এবং এর বিনিময় তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হল। আর আমাকে সিজদার জন্য আদেশ করা হল, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করলাম, ফলে আমার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত হল। [সহিহ মুসলিম, ১ম খন্ড, ঈমান অধ্যায়, হাদিস নং-১৪৭] #যিনা বা ব্যভিচার বলতে বুঝায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ বন্ধন ছাড়া অবৈধ পন্থায় যৌন তৃপ্তি লাভ করাকে। ইসলামী শরীয়াতে অবৈধ পন্থায় যৌন সম্ভোগ সম্পূর্ণ হারাম এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। # রাসূল (সা) বলেছেন, ‘মানুষ তার সমগ্র ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে জিনা করে। দেখা হচ্ছে চোখের জিনা,ফুঁসলানো কণ্ঠের জিনা, তৃপ্তির সাথে কথা শোনা কানের জিনা, হাত দিয়ে স্পর্শ করা হাতের জিনা, কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে পথ চলা পায়ের জিনা, এভাবে ব্যভিচারের যাবতীয় ভূমিকা যখন পুরোপুরি পালিত হয়, তখন লজ্জাস্থান তার পূর্ণতা দান করে অথবা পূর্ণতা দান থেকে বিরত থাকে’ (বুখারি, মুসলিম ও আবু দাউদ)। যিনার বিধান: ------------------- ইসলামের মূল লক্ষ্যসমুহের মধ্যে অন্যতম লক্ষ্য হল, মানুষের ইজ্জত-আবরু ও বংশের হেফাজত করা। যিনার মাধ্যমে ইসলামের এ মহান উদ্দেশ্য বিঘ্নিত হয় বিধায় ইসলামে এটি হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং যে সব মানবিক অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে এটি তন্মধ্যে গুরুতর ও অন্যতম। ব্যভিচার একটি মহাপাপ যা অনেকগুলো অপরাধের নায়ক। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন: •“তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটি অশ্লীল কাজ ও অসৎ পন্থা।” (সূরা বনী ইসরাঈল: ৩২) তিনি অন্য স্থানে বলেন: • “কোন রকম অশ্লীলতার কাছেও যেও না তা প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে হোক।” (সূরা আল-আনআম: ১৫১) অশ্লীল কাজসমূহের মধ্যে যিনা বা ব্যভিচার সর্বাধিক অশ্লীল কাজ। ইসলাম পর্দার বিধান পালন, দৃষ্টি অবনতকরণ ও পরনারীর সাথে নির্জনে অবস্থান নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে ব্যভিচারের পথ ও মাধ্যম রুদ্ধ করে দিয়েছে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy