3 Answers
মেয়েদের সৌন্দর্যের প্রধান আকর্ষণ হল উন্নত স্তনযুগল। তাই, এই নিয়ে মেয়েরা সদা সতর্ক থাকে। অনুন্নত স্তনযুগল যেমন অগ্রাহ্য তেমনই বিশালাকার স্তনযুগল অনাকর্ষণীয়। সাধারণত ৩৪/৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড স্তন বা ব্রেস্টের সাইজ। যদি ব্রেস্টের মাপ ৩৮ ও হয়, তাতেও সমস্যা নেই। যদি আপনি স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্টের মাপের চেয়ে ছোট করতে চান, তবে তা দেখতে বেমানান লাগবে। এ পদ্বতিটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যাদের ব্রেস্ট খুবই বড় অথবা অস্বাভাবিক। তাই নিম্নে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করার কয়েকটি উপায় আলোচনা করা হলোঃ মেয়েদের ব্রেস্ট টিস্যুর ৯০% হলো ফ্যাট। তাই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করা যায়। তবে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য শুধুমাত্র ব্রেস্টকেই টার্গেট করা যাবে না। তাই ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো শরীরের প্রতি নজর দিতে হবে, যা আপনার ব্রেস্ট ছোট করতে সাহায্য করবে। তাই ফিগার মেনটেইন করতে হবে আগে। ওজন নিয়ন্ত্রণ: অস্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে ফাস্টফুড খাবার বর্জন করতে হবে। এছাড়া চিনিজাতীয় খাবারও বর্জন করতে হবে। বিভিন্ন সফট ড্রিংক্স, জুস, আইসক্রিম, চিপস, তেলে ভাজা খাবার যতটা সম্ভব কম খান। অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন: স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে শাক-সবজি বেশি করে খাবেন। দু’ঘন্টা অন্তর লো-ক্যালোরির খাবার খান। এতে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরে যাবে এবং আপনার শরীরের ওজনও কমে যাবে। তবে সফট ড্রিংক্স এবং জুস খুব কম পান করুন, কারণ, এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি আপনার ব্রেস্ট কমানোর বদলে বৃদ্বি করতে সাহায্য করবে। পুষ্টি: শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই। নিয়মিত ব্যায়াম করলে এবং নিয়মিত ডায়েট করলে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে। ব্যায়াম করলে আপনার শরীরের পেশীগুলো নতুন করে সুসংগঠিত হবে, ফলে আপনার ব্রেস্ট ছোট হবে। সারাদিনে অন্তত ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম: প্রতিদিন আধঘন্টা করে যদি এ্যারোবিক্স করেন, তাহলে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে। তাই ব্রেস্ট ছোট করতে চাইলে এ্যারোবিক্স ট্রাই করতে পারেন।
অনেক মেয়ের মনে হয়তো প্রশ্ন থাকে যে ছোট ব্রেস্ট কিভাবে বড় করব?? বা এতো ছোট ব্রেস্ট দিয়ে স্বামীকে খুশী করতে পারবো তো?? ইত্যাদি প্রশ্নগুলোর সমাধান হলো প্রাকৃতিকভাবেই এখন ব্রেস্ট বড় করা যায়, সার্জারীর প্রয়োজন তেমন হয় না। বড় ব্রেস্ট মেয়েদের যৌন আকর্ষনীয় করে তোলে। সাধারণত ৩৪-৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্ট সাইজ। তবে অনেকের ব্রেস্ট আকারে ছোট হয়। এ পদ্বতিটি তাদের জন্য যাদের ব্রেস্টের মাপ ৩৪-৩৬ এর নিচে। নিম্নে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট বড় করার উপায়আলোচনা করা হলোঃ ১.ওজন নিয়ন্ত্রণঃ মেয়েদের ব্রেস্ট টিস্যুর ৯০% হলো ফ্যাট। তাই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করা যায়। তবে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য শুধুমাত্র ব্রেস্টকেই টার্গেট করা যাবে না। তাই ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো শরীরের প্রতি নজর দিতে হবে, যা আপনার ব্রেস্ট ছোট করতে সাহায্য করবে। তাই ফিগার ম্যানটেইন করুন। ২.অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জনঃ অস্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে ফাস্টফুড খাবার বর্জন করতে হবে। এছাড়া চিনিজাতীয় খাবারও বর্জন করতে হবে। বিভিন্ন সফট ড্রিংক্স, জুস, আইসক্রিম, চিপস, তেলে ভাজা খাবার একদম খাবেন না। ৩.পুষ্টিঃ স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে শাক-সবজী বেশী করে খাবেন। দুই ঘন্টা পর পর লো ক্যালোরীর খাবার খান। এতে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরী ঝরে যাবে এবং আপনার শরীরের ওজনও কমে যাবে। এক্ষেত্রে “Kellogg’s Special K” ট্রাই করে দেখতে পারেন। তবে সফট ড্রিংক্স এবং জুস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি আপনার ব্রেস্ট কমানোর বদলে বৃদ্বি করতে সাহায্য করবে। ৪.ব্যায়ামঃ শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই। নিয়মিত ব্যায়াম করলে এবং নিয়মিত ডায়েট করলে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে। ব্যায়াম করলে আপনার শরীরের পেশীগুলো নতুন করে সুসংগঠিত হবে, ফলে আপনার ব্রেস্ট ছোট হবে। তবে এধরণের ব্যায়াম পরিমিত করবেন। ৫.এ্যারোবিক্সঃ সপ্তাহে অন্তত ৫-৬ দিন, অর্থাৎ প্রতিদিন আধঘন্টা করে যদি এ্যারোবিক্স করেন, তাহলে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে। তাই ব্রেস্ট ছোট করতে চাইলে এ্যারোবিক্স ট্রাই করতে পারেন। ৬.ডায়েটঃ ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে ডায়েট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা অবহেলা করা উচিত নয়। ডায়েট করতে হলে বিভিন্ন ফল, শাক-সবজী, রুটি খেতে পারেন। তবে বাটার, আইসক্রিম, চিপস, বার্গার এবং বিভিন্ন তেলে ভাজা খাবার বর্জন করতে হবে। ৭.রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি সার্জারীঃ যদি উপরোক্ত উপায়ে কাজ না হয় তবে রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি সার্জারী করতে পারেন, তবে এটি ব্যয়বহুল। রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি সার্জারী হচ্ছে অস্বাভাবিক বড় স্তনকে ছোট করে দেহের সাথে মানানসই আকার দেয়া। তবে এধরণের সার্জারী তাদেরই করা উচিত যাদের ব্রেস্ট অস্বাভাবিক। তবে এধরণের সার্জারী করার আগে অবশ্যই এ বিষয়ে কোন অভিজ্ঞ ডাক্তার বা সার্জনের সাথে পরামর্শ করে নেয়া উচিত। এছাড়া জামা-কাপড় এবং জুয়েলারীর মাধ্যমেও আপনার বড় ব্রেস্টকে ছোট দেখাতে পারেন, যদি আপনি ব্রেস্ট ছোট করার ঝামেলা করতে না চান। এ পদ্বতিটি তাদের জন্য যারা নিজেদের ব্রেস্ট ছোট দেখাতে পছন্দ করেন। উপায়গুলো নিম্নে দেয়া হলোঃ ১.মিনিমাইজিং ব্রা ব্যবহারঃ যাদের ব্রেস্ট বড়, তারা মিনিমাইজিং ব্রা ব্যবহার করতে পারেন। এর বিভিন্ন ডিজাইন রয়েছে। আপনার ব্রেস্টের মাপ অনুযায়ী ব্রা কিনুন। এ ধরণের ব্রা পরলে আপনার ব্রেস্টকে অন্তত ২ সাইজ কম দেখাবে। এছাড়া মিনিমাইজিং ব্রা পরতে আরামদায়ক এবং ব্রেস্টের সাইজ কম দেখানোর অন্যতম উপায়। ২.অন্যান্য ব্রা এর মাধ্যমে ব্রেস্ট ছোট দেখানোঃ মিনিমাইজিং ব্রা ছাড়াও অন্যান্যব্রা এর মাধ্যমেও বড় ব্রেস্টকে ছোট দেখানো যায়। সেক্ষেত্রে পাতলা ধরণের দুটি ব্রা একত্রে পরিধান করুন। এক্ষেত্রে কাপড় বা পাতলা ফোম জাতীয় সঠিক কাপ সাইজের ব্রা পরতে পারেন। এতে আপনার ব্রেস্ট টানটান থাকবে এবং আপনার ব্রেস্ট ছোট দেখাবে। এছাড়া স্পোর্টস ব্রা পরতে পারেন। এতেও ব্রেস্ট ছোট দেখাবে। ভুলেও টাইট ব্রা অথবা ব্লাউজ পরবেন না। ৩.জামা-কাপড় এবং জুয়েলারীর মাধ্যমেব্রেস্ট ছোট দেখানোঃ জামা-কাপড়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লম্বা এবং ঢিলেঢালা জামা পরতে পারেন। এছাড়া গাঢ় রংয়ের জামা পরতে পারেন। এতে ব্রেস্টের প্রকৃত মাপ বোঝা যায় না। ব্রেস্টের অধিকাংশ দেখা যায় এমন জামা পরবেন না। এছাড়া বড় গলার ডিজাইন করা এবং শর্ট জামাও পরবেন না। শর্ট জামা পরলে ব্রেস্ট বড় দেখায়। আর জুয়েলারীর ক্ষেত্রে এমন কোন জুয়েলারী পরবেন না যা ব্রেস্টের মাঝখানে এসে ঝুলে থাকে। চাইলে গলায় থাকবে এমন ছোটখাট কোন জুয়েলারী পরুন। Thank you.
স্তন ছোট করার কিছু নিয়ম ও টিপসঃ ১। ওজন নিয়ন্ত্রণ: মেয়েদের স্তনের ৯০% ই ফ্যাট।যদি এই ফ্যাটের সিংহভাগ কমানো যায় তবে স্তনের অঅকার ছোট করা সম্ভব। তবে শুধু স্তনের ফ্যাট কামেনা সম্বভ নয়। তাই নজর দিতে হবে সম্পূর্ণ শরীরের উপর।এক্ষত্রে ফিগার নিয়ন্ত্রন করাই হবে শ্রেয়। ২। অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জনঃ বাইরের অস্স্থ্যকর খাবার বর্জন করতে হবে।সাথে সাথে চিনি জাতীয় খাবার ও বর্জন করতে হবে যেমন:জুস, আইসক্রিম, চিপস, সফট ড্রিংক্স ও বিভিন্ন তেলে ভাজা খাবার। ৩। পুষ্টিঃ সাস্থ্যসম্মত খাবার বেশি বেশি খেতে হবে। বিশেষ করে শাবসবজি খাদ্য তালিকায় কমন রাখতে হবে।লো ক্যালরীযুক্ত খাবার বেশি বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন।ক্যালরী কমে গেলে অতিরিক্ত ওজন কেমে যেতে সাহায্য করবে। ৪। ব্যায়ামঃ অতিরিক্ত ফ্যাট কমাতে ব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। নিয়মিত ব্যায়ামে করতে হবে।ব্যায়ামের মাধ্যমে পেশী নতুনভাবে সুঘঠিত করা সম্ভব।আর পেশী সুগঠিত হলে স্নায়ু ও সুগঠিত ও ছোট হবে। ৫। এ্যারোবিক্সঃ ব্রেস্ট ছোট করতে প্রতিদিন না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫-৬ দিন এ্যারোবিক্স করুন। তাহলে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে আর স্তন ছোট হবে। ৬। ডায়েটঃ স্তন ছোট করতে ডায়েড নিয়ন্ত্রন কার উচিত।ডায়েড কারা জন্য শাক-সবজি ও রুটি খেতে হবে।অঅর বাটার,চিপস, বার্গার , আইসক্রিম বর্জন করতে হবে। ৭। রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি সার্জারীঃ উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করার পরও যদি আশানুরূপ ফল না পান, তাহলে রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি সার্জারী করুন।মনে রাখবেন রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি সার্জারীব্যয়বহুল। রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি সার্জারী হচ্ছে অস্বাভাবিক বড় স্তনকে ছোট করে দেহের সাথে মানানসই আকার দেয়া। তবে এধরণের সার্জারী তাদেরই করা উচিত যাদের ব্রেস্ট অস্বাভাবিক। তবে এধরণের সার্জারী করার আগে অবশ্যই এ বিষয়ে কোন অভিজ্ঞ ডাক্তার বা সার্জনের সাথে পরামর্শ করে নেয়া উচিত। এছাড়া জামা-কাপড় এবং জুয়েলারীর মাধ্যমেও আপনার বড় ব্রেস্টকে ছোট দেখাতে পারেন, যদি আপনি ব্রেস্ট ছোট করার ঝামেলা করতে না চান। এ পদ্বতিটি তাদের জন্য যারা নিজেদের ব্রেস্ট ছোট দেখাতে পছন্দ করেন। উপায়গুলো নিম্নে দেয়া হলোঃ ১। মিনিমাইজিং ব্রা ব্যবহারঃ যাদের ব্রেস্ট বড়, তারা মিনিমাইজিং ব্রা ব্যবহার করতে পারেন। এর বিভিন্ন ডিজাইন রয়েছে। আপনার ব্রেস্টের মাপ অনুযায়ী ব্রা কিনুন। এ ধরণের ব্রা পরলে আপনার ব্রেস্টকে অন্তত ২ সাইজ কম দেখাবে। এছাড়া মিনিমাইজিং ব্রা পরতে আরামদায়ক এবং ব্রেস্টের সাইজ কম দেখানোর অন্যতম উপায়। ২। অন্যান্য ব্রা এর মাধ্যমে ব্রেস্ট ছোট দেখানোঃ মিনিমাইজিং ব্রা ছাড়াও অন্যান্য ব্রা এর মাধ্যমেও বড় ব্রেস্টকে ছোট দেখানো যায়। সেক্ষেত্রে পাতলা ধরণের দুটি ব্রা একত্রে পরিধান করুন। এক্ষেত্রে কাপড় বা পাতলা ফোম জাতীয় সঠিক কাপ সাইজের ব্রা পরতে পারেন। এতে আপনার ব্রেস্ট টানটান থাকবে এবং আপনার ব্রেস্ট ছোট দেখাবে। এছাড়া স্পোর্টস ব্রা পরতে পারেন। এতেও ব্রেস্ট ছোট দেখাবে। ভুলেও টাইট ব্রা অথবা ব্লাউজ পরবেন না। ৩। জামা-কাপড় এবং জুয়েলারীর মাধ্যমে ব্রেস্ট ছোট দেখানোঃ জামা-কাপড়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লম্বা এবং ঢিলেঢালা জামা পরতে পারেন। এছাড়া গাঢ় রংয়ের জামা পরতে পারেন। এতে ব্রেস্টের প্রকৃত মাপ বোঝা যায় না। ব্রেস্টের অধিকাংশ দেখা যায় এমন জামা পরবেন না। এছাড়া বড় গলার ডিজাইন করা এবং শর্ট জামাও পরবেন না। শর্ট জামা পরলে ব্রেস্ট বড় দেখায়। আর জুয়েলারীর ক্ষেত্রে এমন কোন জুয়েলারী পরবেন না যা ব্রেস্টের মাঝখানে এসে ঝুলে থাকে। চাইলে গলায় থাকবে এমন ছোটখাট কোন জুয়েলারী পরুন। আশাকরি উপরের পদ্ধতি অবলম্বন করলে আপনার ব্রেস্ট হবে সুস্থ্য সুন্দর ও ছোট আকারের। কালেক্টেড!
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy