3 Answers

মালিশ,ওষুধ ,ক্রিম ,মেশিন আছে সব ভুয়া । এরসাথে বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক নাই।(কেউ মালিশ,ওষুধ ,ক্রিম, মেশিন এর সাথে লিঙ্গ বড় করার বিষয়ে বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক – এর কথা বললে অবশ্যই প্রমান সহ বলবেন । মনে রাখবেন হাতুড়ে চিকিৎসা বিষয়ক কোন কথা মানা হবে না )

8175 views Answered

লিঙ্গের আকার কি পরিবর্তন করা যায় ? আকাঙ্খা – বাস্তবতা – করনীয়। যদি কাউকে প্রশ্ন করা হয় – “আপনি কি আপনার লিঙ্গ লম্বা করতে চান ?” প্রায় সবাই উত্তরে বলবে “অবশ্যই চাই!” যাই হোক, প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/আবিষ্কার আসেলেই হয়নি। তবে এটা সত্যযে – বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, ব্যায়াম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এখন মানুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্ট করে থাকে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাদের সবটিই হয়তো কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষ লিঙ্গত্থান সমস্যা সহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হন। কত ছোট কে ছোট বলেবেন ? প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত লিঙ্গের গড় আকার ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পাথ্যর্ক দেখা যায়। আমাদের দেশ তথা দক্ষিন এশিয়ার পুরুষের জন্য সর্বচ্চো ৬ ইঞ্চি একটি ভাল আকার। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। ঔষধ শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে। ভুল ধারনা সমুহঃ - আমাদের মাঝে অনেকেরই একটি ভুল ধারনা আছে যে – অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যায়।এটা মোটেও সত্য নয় ( http://in.answers.yahoo.com/question/index?qid=20090508062001AA85WU7 অথবা http://wiki.answers.com/Q/Does_masturbation_increase_the_size_of_your_penis )। ( তবে মনে রাখবেন ইসলামের বিধি বিধান অনুসারে হস্তমৈথুন করা মহা পাপ। ) আসলে লিঙ্গ প্রাকিৃতিক ভাবে ছোট বা বড় হয়ে যেতে পারেনা। এটি শুধু উত্তেজনার সময় পর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে আকার পরিবর্তন করে। - অনেক পুরুষ কিংবা নারী পর্ন ফিল্ম দেখে লিঙ্গের আকার এবং মিলেনের সময় নিয়ে নিজের মধ্যে একপ্রকার নেগেটিভ ধারনা করে রাখে। সত্যিকার অর্থে ছবিতে নায়ক তারাই হয় যারা অন্যদের তুলনায় হ্যান্ডসাম হয়। পর্নষ্টারও তার ব্যতিক্রম নয়। পর্নগ্রাফিতে ক্যামেরা এমন এঙ্গেল এ ধরা হয় যাতে ভিজ্যুয়ালী লিঙ্গকে বড় দেখা যায়। উদাহরন স্বরুপ আপনি যদি কোন একটি উচু স্থানে থেকে নিচে দাড়ানো আপনার কোন বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে তাকে খাটো দেখাবে। তেমনি যদি আপিনি মাটিতে বসে কিছুটা উপরে দাড়ানে অবস্থায় আপনার বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে একই ব্যাক্তিকে অনেক লম্বা দেখাবে। আর সে জন্যই আমরা যখন মাথা নিচু করে আমাদের নিজের লিঙ্গ দেখতে যাই তখন ভিজ্যুয়াল ইল্যুশানের কারনে আমাদের লিঙ্গের আকার প্রকৃত আকারের চেয়ে ছোট দেখা যায়। * এখানে এ বিষয়টি বলে রাখতে চাই – পর্ন ফিল্মে আমরা দেখি একই যুগল ২০/২৫ মিনিট মিলন করছেন। সত্যিকার অর্থে তাদের এই ২০ মিনিট এর মিলন দৃশ্যের শুটিং হয়েছে ২/৩ দিন ধরে। তাদের অনেকবারের মিলনের দৃষ্টিনন্দন অংশগুলো ভিডিও এ্যাডিটে কাট-ছাট করে একটি ক্লিপ বাজারে আসে। তাই পর্ন ফিল্ম দেখে আকার এবং মিলনের সময় নিয়ে আমাদের হতাশ হবার অবকাশ নেই। - যৌন তৃপ্তির জন্য আকার মুল বিষয় নয়। প্রধান বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে মিলনে এবং সিঙারে আপনার কারুময়তা। আপনি যত বেশি সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে নারীকে “অন” করবেন সে তত বেশি আপনার পার্সোনলিটির প্রতি আবেগী হবে। * আমাদের নারী ফ্যানদের বলছি: নারীর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয় হল – মিলনকালে পেনিট্রেশান (যোনীতে লিঙ্গ প্রবেশ করানো) থেকে সর্ব আনন্দ নিতে হবে তা নয় (শুধু পেনিট্রেশানে কোন পুরুষই নারীকে তৃপ্ত করতে পরেনা) বরং সিঙার (ফোর প্লে) বস্ত্র হরন সহ সকল বিষরের সংমিশ্রনে যৌন মিলনেরে যে প্যাকেজ তা থেকে পরিপুর্ন তৃপ্তি অর্জন সম্ভব। এর জন্য আপনার সঙ্গীর ভাললাগা, তার শরীরের কোন অংশ অতি সংবেদনশীল তা আবিষ্কার করা, যৌন আসনের পরিবর্তন করে যে আসন সর্বচ্চো কার্যকর তা জানার পর যে কোন যুগল সহজে তাদের শাররীক কাম আগুন নিভাতে সক্ষম হবেন। তাই সম্পর্ক যত পুরোনো – পুর্নতৃপ্তির পরিমানও বেশি হয়।

8175 views Answered

যৌন চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ ভুল ধারণা হচ্ছে যে, লিঙ্গ যত বড় হবে যৌন তৃপ্তি তত বেশি হবে; এবং সেই ধারণা থেকেই আমাদের সমাজে পুরুষরা সাধারণত লিঙ্গ বর্ধিত করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতিতে হন্ন হয়ে পড়ে, বিশেষত যাদের লিঙ্গ স্বাভাবিকের চেয়ে একটু ছোট। তবে বর্তমানকালে লিঙ্গ বর্ধিত করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত পদ্ধতি এবং বিজ্ঞাপন সমাজে এবং মিডিয়ায় পাওয়া যায় তা কতটা বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসু সেই বিষয় নিয়েই এখন আলোচনা করা হবে। পেনিস এক্সটেন্ডার টুল: এই টুলসটি উপরের চিত্রে দেখা যাচ্ছে ১ও ২ নং ইনসেটে। যারা পেনিস ইনলারজমেন্ট বিষয়ে অনলাইনে সার্স দিয়েছেন তারা এ বিষয়ে জানেন। ৩ নং ইনসেটে হস্তশিল্পের মাধ্যমে এটির তৈরীকৃত একটি মডেলের ফটো দেওয়া হয়েছে। এর পক্ষে যে সব ব্যাখ্যা আছে তা হল- ১.এটি প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কোষের গতিশীলতাকে বৃদ্ধি করে কোষগুলোকে দূরে অবস্থান করে নিজেদের আকৃতি বৃদ্ধি করে লিঙ্গকে স্থায়ীভাবে বর্ধিত করবে বলে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। ২.এটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি নির্ভর তাই এর ফলাফল কৃত্রিম মেডিসিন প্রয়োগের ফলের মতো সাময়িক না হয়ে স্থায়ী হবে বলে ব্যাখ্যা করা হয়। ৩.মায়ানমারে 'কায়া' নামক একটি নৃগোষ্ঠী আছে যারা তাদের মেয়েদের গলায় একটি নির্দিষ্ট বয়সে স্প্রিং লাগিয়ে দেয় যা দীর্ঘদিন তারা ব্যবহার করে এবং এতে করে তাদের নারীদের গলা হাসের গলার মতো লম্বা হয়ে যায়। তাদের এই হাসের মতো লম্বা গলা সেই নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও বিশেষত্ব হিসেবে তারা পরিগণিত করে এর জন্য গর্ববোধ করে। এই বাস্তব উদাহরণটি পেনিস এক্সটেন্ডার টুলের ক্ষেত্রেও একই রকম ফল দিবে বলে এক্সটেন্ডার টুলস কোম্পানিগুলো ব্যাখ্যা করে। এসব ব্যাখ্যা শুনে অনেকেই বিদেশ থেকে উচ্চদামে এটি কিনে আনতে বা অনলাইনে অর্ডার করতে হন্ন হয়ে পড়ে কারণ বাংলাদেশে সেক্সটয় বা এসব প্রডাক্ট বিক্রি করা অনুমোদিত নয়। আসলেই কি এটি ফলপ্রসু? অনেক তত্ত্ব ও ভিডিওসহ ব্যাখ্যা থাকলেও এটি ফলপ্রসু নয়। এর উদ্দেশ্যই হলো মনোমুগ্ধকর ব্যাখ্যা শুনিয়ে মানুষকে মুগ্ধ করে এই প্রডাক্ট উচ্চদামে বিক্রি করে লাভবান হওয়া। এটি ফলপ্রসু হয় না কারণ: ১.লিঙ্গ তো আর গলার মতো স্থির অঙ্গ নয়, এটি কখনও ইরেক্ট হয়ে স্থুল হয় আবার শিথিল হলে স্থিমিত হয়; লিঙ্গ স্থুল হওয়া অবস্থায় এটি লাগালে পরে লিঙ্গ স্থিমিত হয়ে গেলে তা খুলে পড়ে। ২.এটি কিছুটা স্থান দখল করে তাই এটি লাগিয়ে প্যান্ট পড়ে বাহিরে হাটাচলা করা যায় না। তাই ব্যাখ্যাটি বিজ্ঞনসম্মত হলেও এটি বাস্তবে প্রয়োগ করা যায় না। যদি এই গবেষণাটি বাস্তবসম্মত মনে না হয়ে থাকে তাহলে বিদেশ থেকে এই টুলস না এনে নিজেই এই টুলসটি তৈরী করে প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। টুলসটি হস্তশিল্পের মাধ্যমে তৈরী করার পদ্ধতি জানতে ভিজিট করুন: http://facebook.com/methodMCAS অন্যান্য পদ্ধতিসমূহ: VigRX, MAN Up, prosolution, X Man Power ইত্যাদি পিল ও মেডিসিন পেনিস এক্সটেন্ডার সাপ্লিমেন্ট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে। এসবের ব্যাখ্যা হচ্ছে এসব মেডিসিন যৌনতন্ত্রের কোষকে সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন ও হরমোন সরবরাহ করে যৌনাঙ্গকে সজীব ও প্রাণবন্ত করে তোলে এবং এই প্রকৃয়ায় লিঙ্গ বর্ধিত হয়। এই ব্যাখ্যা শুনে মানুষ সহজেই আস্থা অর্জন করে তা প্রয়োগ করে কিন্তু আশানুরূপ ফল পায় না। কারণ, এসব মেডিসিন একটি সাময়িক সজীবতা সৃষ্টি করে যা কোন মেডিসিনের ক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টা আবার কোনটার ক্ষেত্রে ৭ দিন বা তার বেশি ফল দেয়; আবার ক্রমাগত সেবনের ফলে লিঙ্গকে কিছুদিন বা কয়েক বছর সময় সজীব রাখে। তবে এই পদ্ধতি এপ্লাই করার পর তা ছেড়ে দিলে মেডিসিন ব্যবহারের পূর্বের ন্যায় স্বাভাবিক সজীবতাও ব্যাহত হয়; আবার দীর্ঘদিন এসব ব্যবহারের ফলে এসব মেডিসিনও এক সময় তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তাহলে সমাধান কি? লিঙ্গ বর্ধিত করা যেহেতু একটি আশানুরূপ ফলপ্রসু পদ্ধতি নয় তাই যৌন চাহিদা পূরনের ক্ষেত্রে অন্যসব পদ্ধতি এপ্লাই করুন; কোনো যৌনরোগ থাকলে তার চিকিৎসা নিন। কিছু পাচ্ছি না এমন খুঁতখুঁতে মানসিকতা ছেড়ে দিন এবং যা পাচ্ছেন তাকেই সুন্দর মনে করুন। আর অবিবাহিতরা মানসিকভাবে গবেষণা করে এমন একজনকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে খুঁজে নিন যার খুঁতখুঁতে স্বভাব নেই এবং স্বভাবিক প্রাপ্তি পেলেই সন্তুষ্ট থাকবে। মিলনের সময় ভালোবাসা এবং স্বস্তি নিয়ে মিলন করুন। লেখক ও গবেষক: মোঃ মেহেদী হাসান, Father of Method of Creative Adaptation System MCAS.

8175 views Answered

Related Questions

Next steps