1 Answers

খুব ভালো তো ধারণা নেই তারপরও যেই ফিচার গুলি থাকলে সেগুলি স্মার্ট টিভি বলে বিবেচনা করা হয় সেগুলি হচ্ছে- প্রথমেই ইন্টারনেট কানেক্ট করার মত সুবিধা থাকতে হবে। যেহেতু Wi-Fi প্রযুক্তিতে খুব সহজেই সব ধরণের ডিভাইসে এখন ইন্টারনেট কানেক্ট করা যায় তাই এই সুবিধাটা স্ট্যান্ডার্ড স্মার্ট টিভিতে অবশ্যই থাকবে। তারপর ফ্ল্যাশ সাপোর্ট থাকতে হবে। কারণ আধুনিক সময়ের সবাই বিভিন্ন সাইট থেকে ভিডিও দেখার সুবিধা নেয়। আর সেই সব সাইটের প্রায় সব গুলিতেই ফ্ল্যাশ ব্যবহার করে ভিডিও দেখার সুবিধা দেয়া হয়। আর তাই সেই ফিচারটি আপনার স্মার্ট টিভিতে ব্যবহার করতে অবশ্যই ফ্ল্যাশ সাপোর্ট থাকতে হবে। সাথে HTML5 সাপোর্ট থাকলে আরও সুবিধে হয়। এর পর এ্যাপ এবং এ্যাপ স্টোর সাপোর্ট। আধুনিক প্রতিটি ডিভাইসেই এখন তাদের নিজস্ব কিংবা ভিন্ন ভিন্ন ডেভেলপারদের ডেভেলপ করা এ্যাপ আর গেমস ব্যবহারের সুবিধা দেয়। সেই সুবিধা এখন স্মার্ট টিভিতেও যুক্ত করেছে স্মার্ট টিভি প্রস্তুতকারীরা। তাই আপনার স্মার্ট টিভিতে অবশ্যই এখন এই সুবিধাটা থাকতে হবে। নয়তো অনেক প্রয়োজনীয় জিনিষই হয়তো মিস করবেন। আর উপরন্তু অনেক জরুরী কাজ এই গুলি ব্যবহার করেই সেরে নিতে পারবেন স্মার্ট টিভি ব্যবহার করে। রিমোটের দিকেও নজর দিতে হবে। এইটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি গতানুগতিক বাটন টাইপের রিমোর্ট দিয়ে স্মার্ট টিভি চালানোর কথা চিন্তা করেন তাহলে ব্যাপারটা ডিজিটালের ভেতরে এনালগ ইনপুট দেবার মতই হবে। স্মার্ট টিভির রিমোট এমন হবে যাতে আপনার হাতে রেখে নির্দিষ্ট ভঙ্গীতে শুধু ইশারা করলেই সে আপনার কাজটা করতে শুরু করবে। অর্থাৎ সেন্সর সম্বলিত রিমোর্ট থাকা আবশ্যিক স্মার্ট টিভির জন্যে। এরপর আরও কিছু গুরুত্ব পূর্ণ ফিচারের মধ্যে আছে টাচ-স্ক্রিন ফিচার, বিভিন্ন মিডিয়া আর ডিভাইস (PS3, AppleTV, Tivo, Roku, Xbox 360) কানেক্ট করার সুবিধা, সেকেন্ড স্ক্রিন ফিচার, 3D স্ক্রিন কম্পাবিলিটি সহ আরও নিত্যনতুন সব ফিচার।

2596 views Answered

Related Questions

Next steps