2 Answers
নারীদের গর্ভধারণের সময় নিজের প্রতি বাড়তি কিছুটা যত্ন নেয়া, অনাগত সন্তানের জন্য বাড়তি খাবার খাওয়া, বিশেষ করে বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং ভারী ও খুব বেশি পরিশ্রমের কাজ না করা সন্তানের জন্য ভালো। এসকল কারণে গর্ভধারণের সময় বেশীরভাগ নারীই মুটিয়ে যান। এটি গর্ভে সন্তান থাকাকালীন সময়ে যতোটা ভালো ততোটাই খারাপ গর্ভকালীন পরবর্তী সময়ের জন্য।

সন্তান জন্মদানের কিছুটা সময় পর থেকেই প্রত্যেক মায়ের উচিৎ নিজের শরীরে দিকে নজর দেয়া। নিজেকে আরও মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা। কারণ, তা না হলে মুটিয়ে যাওয়ার জন্য দেহে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। এবং বেশি মুটিয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে গর্ভধারণে আসতে পারে ঝুঁকি। তাই সন্তান জন্মদানের কিছু সময় পর থেকেই স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠা উচিৎ। করা উচিৎ ছোটোখাটো কিছু ব্যায়াম। এতে স্বাস্থ্য ভালো থাকার পাশাপাশি খুব বেশি মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা পাবেন।
হাঁটাহাঁটি করুন :-
হাঁটাহাঁটি করা সব চাইতে কার্যকর এবং সহজ একটি ব্যায়াম। প্রতিদিন অন্তত ২০-২৫ মিনিট বাইরে থেকে হেঁটে আসুন। বিকেলে নিজের সন্তানটিকে কোলে নিয়ে হেঁটে বেড়িয়ে আসুন কাছাকাছি কোনো পার্ক থেকে। এতে দেহের সুস্থতার পাশাপাশি মনের সুস্থতাও বৃদ্ধি পাবে।
কেগাল কিক :-
এই সহজ ব্যায়ামটি আপনি যেকোনো সময় কাজের মধ্যে থেকেই করে নিতে পারেন। এই ব্যায়ামের সহজ বাংলা হলো পা ঝাড়া দিয়ে লাথি মারার কায়দা। আপনি যখন কোনো কাজ করছেন দাড়িয়ে। তখন পা দিয়ে সামনে লাথি দেয়ার মতো করে ঝাকি দিয়ে সামনে এগিয়ে দিন। এভাবে আপনার তলপেট, পা এবং উরুর ভালো ব্যায়াম হবে। আগের রুটিনে
স্ট্রেচ করুন :-
ধীরে ধীরে স্ট্রেচ করার চেষ্টা করুন। সকালে উঠে বাচ্চা ঘুমে থাকতে থাকতেই একটি মাদুর পেতে খানিকক্ষণ স্ট্রেচ করে নিতে পারেন। অথবা করতে পারেন খানিকক্ষণ যোগব্যায়াম। যদি একেবারেই সময় না পান তবে বাচ্চার ডায়াপার বদলানোর সময় অথবা দুধের বোতল তৈরি সময় নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করে নিতে পারেন বুক ভরে শ্বাস নিয়ে ও ধীরে ধীরে ছেড়ে। এতে করেও অনেক ভালো ফল পাবেন।
যতোটা সম্ভব ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করুন :-
যদি ব্যায়াম করার একেবারেই সময় না পান তবে নিয়মিত কাজের মাধ্যমে নিজের শরীরের সুস্থতা পেতে পারেন। রান্না বান্না, ঘরের কাজের মাধ্যমেও অনেক ব্যায়াম হয়। সেগুলো করার চেষ্টা করুন, ভালো কাজে দেবে আশা করি।
গর্ভধারণের সময় নিজের প্রতি বাড়তি কিছুটা যত্ন নেয়া, অনাগত সন্তানের জন্য বাড়তি খাবার খাওয়া, অনেক বেশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং খুব বেশি পরিশ্রমের কাজ না করা সন্তানের জন্য ভালো। এসকল কারণে গর্ভধারণের সময় বেশীরভাগ নারীই মুটিয়ে যান। এটি গর্ভে সন্তান থাকাকালীন সময়ে যতোটা ভালো ততোটাই খারাপ গর্ভকালীন পরবর্তী সময়ের জন্য।
সন্তান জন্মদানের কিছুটা সময় পর থেকেই প্রত্যেক মায়ের উচিৎ নিজের শরীরে দিকে নজর দেয়া। নিজেকে আরও মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা। কারণ, তা না হলে মুটিয়ে যাওয়ার জন্য দেহে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। এবং বেশি মুটিয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে গর্ভধারণে আসতে পারে ঝুঁকি। তাই সন্তান জন্মদানের কিছু সময় পর থেকেই স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠা উচিৎ। করা উচিৎ ছোটোখাটো কিছু ব্যায়াম। এতে স্বাস্থ্য ভালো থাকার পাশাপাশি খুব বেশি মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা পাবেন।
হাঁটাহাঁটি করুন
হাঁটাহাঁটি করা সব চাইতে কার্যকর এবং সহজ একটি ব্যায়াম। প্রতিদিন অন্তত ২০-২৫ মিনিট বাইরে থেকে হেঁটে আসুন। বিকেলে নিজের সন্তানটিকে কোলে নিয়ে হেঁটে বেড়িয়ে আসুন কাছাকাছি কোনো পার্ক থেকে। এতে দেহের সুস্থতার পাশাপাশি মনের সুস্থতাও বৃদ্ধি পাবে।
স্ট্রেচ করুন
ধীরে ধীরে স্ট্রেচ করার চেষ্টা করুন। সকালে উঠে বাচ্চা ঘুমে থাকতে থাকতেই একটি মাদুর পেতে খানিকক্ষণ স্ট্রেচ করে নিতে পারেন। অথবা করতে পারেন খানিকক্ষণ যোগব্যায়াম। যদি একেবারেই সময় না পান তবে বাচ্চার ডায়াপার বদলানোর সময় অথবা দুধের বোতল তৈরি সময় নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করে নিতে পারেন বুক ভরে শ্বাস নিয়ে ও ধীরে ধীরে ছেড়ে। এতে করেও অনেক ভালো ফল পাবেন।
কেগাল কিক
এই সহজ ব্যায়ামটি আপনি যেকোনো সময় কাজের মধ্যে থেকেই করে নিতে পারেন। এই ব্যায়ামের সহজ বাংলা হলো পা ঝাড়া দিয়ে লাথি মারার কায়দা। আপনি যখন কোনো কাজ করছেন দাড়িয়ে। তখন পা দিয়ে সামনে লাথি দেয়ার মতো করে ঝাকি দিয়ে সামনে এগিয়ে দিন। এভাবে আপনার তলপেট, পা এবং উরুর ভালো ব্যায়াম হবে।
আগের রুটিনে যতোটা সম্ভব ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করুন
যদি ব্যায়াম করার একেবারেই সময় না পান তবে নিয়মিত কাজের মাধ্যমে নিজের শরীরের সুস্থতা পেতে পারেন। রান্না বান্না, ঘরের কাজের মাধ্যমেও অনেক ব্যায়াম হয়। সেগুলো করার চেষ্টা করুন, ভালো কাজে দেবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy