1 Answers

আমার নিজেরও একটা ইকমার্স সাইট আছে। গত ১ বছরে যে সব ঝামেলা সামনে এসেছে, তাতে অনেক কিছুই শিখলাম এই বিষয়। ১. পণ্যের ছবি ও বিস্তারিত যতটা সম্ভব "ফোকাস" করা উচিৎ। দামটা অনেকে হাই-লাইট করে। তবে, যদি না বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কমে দেওয়া সম্ভব না হয়ে থাকে, তবে হাই-লাইট করার দরকার নাই। ২. পণ্যের ব্যাপারে আরও জানার জন্য ইন্সটান্ট মেসেঞ্জার রাখা যায়। কিংবা ২৪x৭ কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস। ৩. আর পণ্যের ব্যাপার যা বলা হচ্ছে সাইটে, তাই যেন হয়। বিদেশী বলে বঙ্গ-বাজারের মাল ধরিয়ে দিলে কাস্টমার আর ফেরৎ তো আসবেই না, উল্টো Negative WOM ছড়াবে। কারণ, এখনকার ক্রেতারা অনেক বেশি স্মার্ট। তারা পণ্যের ব্যাপারে ভালই খোঁজ রাখে। ৪. আপনার টার্গেট মার্কেট কারা, সে ব্যাপারে আগে নিশ্চিত হয়ে নিন। উচ্চ-বিত্ত হলে উঁচু দরের (বেশি লাভ ধরে) ব্র্যান্ডেড ও প্রিমিয়াম ডিজাইনার জামা রাখতে পারেন। আর মধ্যবিত্ত হলে একটু ভালো মানের কাপড় রেখে কম লাভে ও কম দামে বিক্রি করলে বেশি কাস্টমার ধরা সম্ভব। নিম্নবিত্তদের টার্গেট করে লাভ নেই, তারা ইন্টারনেটে এসে কেনাকাটা করবে না। আরও অনেক ব্যাপার আছে। তবে, এখন পরবর্তী অংশে যাই। পেমেন্ট মেথড: পেমেন্ট মেথড এখন সাধারণত "ক্যাশ অন ডেলিভারী"টাই বেশি জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য। এর পাশাপাশি ডাচবাংলা নেক্সাস ও ব্র্যাক ব্যাংকের এটিএম এবং বিকাশ সুবিধা রাখা যেতে পারে। কার্ড পেমেন্টের গেটওয়ের জন্য এসএসএল কমিউনিকেশনের সার্ভিস বেশ ভালো ও সাশ্রয়ী। ব্যাংক থেকে আনতে গেলে অনেক খরচ পরে যায়। ডেলিভারীর বিষয়ে বলে দেই: সাধারণত এখনকার ক্রেতারা দিনে দিনেই ডেলিভারী চায়। তাদের আবার মাঝে মাঝে এক্সট্রা ডিমান্ডও থাকে। আমার একটা প্রোডাক্ট অর্ডার করার সময় ক্রেতা বলেছিলেন, তিনি ৫টার ভেতর ডেলিভারী চান। আমাদের ডেলিভারী বয় আসার সময় ১২.৩০ এ। কিন্তু, সে জ্যামে পরে ২টার দিকে এসে হাজির হয়। আর পণ্য পৌছানোর জন্য তার যেতে যেতে ৬:৩০ বেজে গেছে। দেরী হয়ে গিয়েছে দেখে ক্রেতা শুরুতে ডেলিভারী বয়ের কল পিক করে নাই, ৮টা পর্যন্ত সে অপেক্ষা করে সেখানে। পরবর্তীতে অন্যদের পণ্য ডেলিভারী দিতে চলে যায়। আমরা পরে ক্রেতাকে কল দিলে, তিনি বলেন - ৫টার ভিতর পাই নাই পণ্য। তাই নিবো না। ইত্যাদি আরও হাজার বিষয়েই ঝামেলা পোহাতে হয় ক্রেতাদের নিয়ে। মুলঃ http://beshto.com/public/proshnoDetails/24829

2712 views

Related Questions