3 Answers

কিন্তু নিকটবর্তী হয়ো না’র অর্থ হল সঙ্গমের জন্য তাঁদের কাছে যেও না। অর্থাৎ যোনিপথে সঙ্গম হারাম। পায়খানারদ্বারেও সঙ্গম হারাম। আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) বলেন, “আল্লাহ আযযা অজাল্ল (কিয়ামতের দিন) সেই ব্যক্তির দিকে তাকিয়েও দেখবেন না, যে ব্যক্তি কোন পুরুষের মলদ্বারে অথবা কোন স্ত্রীর মলদ্বারে সঙ্গম করে।” (তিরমিযী, ইবনে হিব্বান, নাসাঈ, সহিহুল জামে ৭৮০১ নং) তিনি আরও বলেন, “যে ব্যক্তি কোন ঋতুমতী স্ত্রী (মাসিক অবস্থায়) সঙ্গম করে অথবা কোন স্ত্রীর মলদ্বারে সহবাস করে, অথবা কোন গনকের কাছে উপস্থিত হয়ে (সে যা বলে তা) বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সঃ) এর উপর অবতীর্ণ কুরআনের সাথে কুফরী করে।” (অর্থাৎ কুরআনকেই সে অবিশ্বাস অ অমান্য করে। কারণ, কুরআনে এক সব কুকর্মকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।) (আহমাদ ২/৪০৮, ৪৭৬, তিরমিযী, সহীহ ইবনে মাজাহ ৫২২ নং)

16927 views

কতিপয় দুর্বল ঈমানের ফাসেক লোকেরা স্ত্রী ও পুরুষদের পায়ুপথে সহবাস করে থাকে ! যা শারিয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে কাবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত কাজ। নাবী সাল্লালাহু আলাইহি অয়াসাল্লাম এই কাজে জড়িত ব্যক্তিদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন। আবু হুরাইরা (রাদীয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, রাসুল (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেন, "তার প্রতি আল্লাহ্‌র লানত যে তার স্ত্রী'র মলদ্বারে সঙ্গম করে " (মুসনাদে আহমাদ) অন্য হাদিসে আছে, "যে ব্যক্তি কোন পুরুষ বা নারীর মলদ্বারে সংগম করবে, আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না।" (তিরমিযী, নাসায়ী) কিছু খবিশ লোকদের অন্য পুরুষদের প্রতি আকর্ষণ থাকে,যা কিনা লুত(আলাইহিস সালাম) এর কওম এর মধ্যেও ছিল।এ ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানা ওয়া তা’আলা বলেনঃ “এবং আমি লূতকে প্রেরণ করেছি। যখন সে স্বীয় সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ, যা তোমাদের পূর্বে সারা বিশ্বের কেউ করেনি ? তোমরা তো কামবশতঃ পুরুষদের কাছে গমন কর নারীদেরকে ছেড়ে। বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করেছ।”(কুরআন,সূরাঃ৭,আয়াত-৮০,৮১) “তোমরা কি পুংমৈথুনে লিপ্ত আছ, রাহাজানি করছ এবং নিজেদের মজলিসে গর্হিত কর্ম করছ? জওয়াবে তাঁর সম্প্রদায় কেবল একথা বলল, আমাদের উপর আল্লাহর আযাব আন যদি তুমি সত্যবাদী হও।”(কুরআন,সূরাঃ২৯,আয়াত-২৯) অনেক সুস্থ বিবেকবান স্ত্রী আছেন যারা এই নোংরা কাজে স্বামীকে বাঁধা দিয়ে অস্মমতি প্রকাশ করে থাকেন, কিন্তু স্বামীরা জোর-জবস্তি কিংবা তালাকের ভয় দেখিয়ে এই কুরুচিপূর্ণ কাজ করে থাকেন। আবার অনেক স্ত্রী'রা যেহেতু লজ্জাশীল, তাই এই ব্যাপারে শারিয়াতের হুকুম সমন্ধে কোন আলেমের নিকট জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা পান। আবার অনেক স্বামী এই ব্যাপারে ধোঁকা দিয়ে তাঁদের স্ত্রীদের কে বলেন, এই কাজ হালাল ! দলিল স্বরূপ তাঁরা কুরআনে কারিমের এই আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে থাকেন, “তোমাদের স্ত্রী তোমাদের শস্য ক্ষেত্র। অতএব তোমরা তোমাদের শস্য ক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার।” (কুরআন, ২: ২২৩) জাবির (রাদীয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইহুদীরা বলত যে, যদি কেউ স্ত্রীর পেছন দিকে থেকে সহবাস করে তাহেল সন্তান টেরা চোখের হয়। তখন (তাদের এ ধারণা রদ করে) “নিসাউকুম হারসুল লাকুম” আয়াত অবতীর্ণ হয়। আর এই কথা সবার জানা যে, কুরআনে কারিমের আয়াতের তাফসীর -হাদিসে রয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, "স্বামীর যেভাবে ইচ্ছে স্ত্রীর সামনের দিক দিয়ে পেছনের দিক দিয়ে সঙ্গম করতে পারে, যতক্ষণ তা তার (স্ত্রীর) যোনিপথে ও প্রসবদ্বারে হবে।" আর এই কথা অবোধ্য নয় যে, নারীর মলদ্বার এবং পায়ুপথ সন্তানাদির প্রসবদ্বার নহে ! আসলে, মানুষের এই জঘন্য পাপের অস্তিত্বর কারন হল এই যে, মানুষ বিবাহের পূর্বে কামনা পূরণের জন্য নানা রকম অশ্লীল সিনেমার সাহায্য নেয় ! আর এইসব থেকে তাওবা না করেই বিবাহের মতো পবিত্র জীবনে প্রবেশ করে এবং পূর্বেকার নোংরামি অভিজ্ঞতার মন মানসিকতার প্রতিফলন এই জীবনে প্রকাশ করায় ! অথচ, এই কাজটি যে (পায়ুপথে সঙ্গম) হারাম, তা কারো জানার বাহিরে থাকার কথা নহে ! যদিও সেটা স্বামী-স্ত্রীর উভয়ের সম্মতিক্রমে হয়ে থাকুক না কেন ! কারন উভয় পক্ষের সম্মতিতে কোন হারাম কাজ কে হালাল করে দিতে পারে না! আল্লাহপাক যেন উনার এই ক্রোধের এবং অভিসম্পাতের কাজ থেকে আমাদের দূরে রাখেন। আমীন।

16927 views

Anus ( মলদ্বার ) অনেক রকম মাইক্রোওর্গানিজম দিয়ে পূর্ণ। আনহাইজিনিক সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সের কারণে ফিমেল পার্টনার ভয়াবহ রকমের পি, আই , ডি তে আক্রান্ত হয়ে যায়। এনাল ফিসার, পাইলস হবার ঝুঁকি বাড়ে। এনাল স্ফিংটার এর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়।

হাদিসে আছে , “যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে এনাল সেক্স ( নিতম্বে সহবাস ) করবে আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না।” ( নাসাঈ আল ইশ্রাহ ২/ ৭৭- ৭৮/১ ; তিরমিযী ১/২১৮ )

হাদিসে আরো আছে , “যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে নিতম্বে সহবাস করবে সে লা’নত প্রাপ্ত” ( আবু দাউদ ২১৬২ , আহমদ ২/ ৪৪৪, ৪৭৯ )

16927 views

Related Questions