1 Answers

এসব প্রাণীর ছবি অঙ্কন করা বৈধ নয়, কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছবি অঙ্কনকারীদেরকে অভিশাপ (লানত) দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: «إن أشد الناس عذابا عند الله يوم القيامة المصورون» ( أخرجه البخاري) “কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে মানুষের মধ্য কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে ছবি অঙ্কনকারীগণ।” - (বুখারী, হাদিস নং- ৫৬০৬), আর এটা প্রমাণ করে যে, ছবি অঙ্কন করা কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত, কারণ, কবীরা গুনাহ ব্যতীত লা‘নতের (অভিশাপের) বিষয়টি আসে না এবং কবীরা গুনাহের প্রসঙ্গ ছাড়া কঠিন শাস্তির হুমকিও প্রদান করা হয় না, কিন্তু শরীরের হাত, পা ও অনুরূপ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ছবি অঙ্কন বৈধ, কারণ, এসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রাণ অবস্থান করে না, হাদিসের বক্তব্যসমূহের বাহ্যিক দিক হল, ঐ ছবি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অঙ্কন করা হারাম, যার মাঝে প্রাণ বা জীবনের অবস্থান সম্ভব, কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: «من صور صورة في الدنيا كلف يوم القيامة أن ينفخ فيها الروح وليس بنافخ» ( أخرجه البخاري) “যে ব্যক্তি ছবি তৈরি করে, তাকে কিয়ামতের দিন তাতে জীবন দানের জন্য নির্দেশ দেয়া হবে, কিন্তু সে সক্ষম হবে না।” - (বুখারী, হাদিস নং- ৫৬০৬)। শাইখ ইবনু ‘উসাইমীন অবস্থা যখন এই, তখন ছাত্র এই কাজে বাধ্য ও নিরুপায়, আর গুনাহ হবে ঐ ব্যক্তির, যে ব্যক্তি তাকে নির্দেশ দিয়েছে এবং এই কাজে তাকে বাধ্য করেছে।কিন্তু আমি কর্তৃপক্ষের নিকট আশা করবো, তারা যেন তাদের নির্দেশকে এই সীমানা পর্যন্ত নিয়ে না যায়, যার কারণে আল্লাহর বান্দাগণ আল্লাহর অবাধ্য হতে বাধ্য হয়। শাইখ ইবনু ‘উসাইমীন মাজমু‘উ ফতোয়া ওয়া রাসায়েল (مجموع فتاوى و رسائل ): ২ / ২৭৪ (ঈষৎ পরিবর্তিত)

4449 views

Related Questions