4 Answers
- বাইরে থেকে ফিরে গোসল সেরে নিন। সারা দিনের কান্তি এক নিমিষে চলে যাবে।
- এক গ্লাস গরম দুধ খান।
- ঘুমোতে যাওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে টিভি, কম্পিউটার বন্ধ করুন।
- পরের দিনের কাজের পরিকল্পনা আগেই করে ফেলুন, টেনশনে ঘুম নষ্ট হবে না।
- বিছানায় যাওয়ার অনেক আগেই রাতের খাবার খেয়ে নিন।
- চেষ্টা করুন দুশ্চিন্তা না করার ।
- শোবার ঘরটি অযথা একগাদা জিনিস দিয়ে ভরে রাখবেন না।
- রাত ১০টা / ১১টার মধ্যেই ঘুমোতে যান। এ সময় বিছানায় গেলে ভালো ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- পারলে সন্ধ্যার পরই চা-কফি খাওয়া বন্ধ করে দিন।
- সফট্ মিউজিক শুনুন।
- শোবার ঘরে বেশি আলো ঢুকে যেন ঘুমে ব্যাঘাত না ঘটায় না নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে ভারি পর্দা ব্যবহার করুন।
রাতের ঘুম দেহকে পরদিন কাজ করার শক্তি যোগায় ও চনমনে ভাব এনে দেয়। আবার দিনের পর দিন ঘুমের অভাবে শরীর রীতিমতো অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তাই যারা ইনসমনিয়ার মতো ভয়ঙ্কর সমস্যায় ভুগছেন এবং একটু ঘুমের জন্য বিভিন্ন ওষুধের শরণাপন্ন হচ্ছেন তাদের এসব ক্ষতিকর ওষুধের গ্রাস থেকে বাঁচাতে বিশেষজ্ঞরা ৭টি পরামর্শ দিচ্ছেন। এই পরামর্শ ঘুমের ওষুধ থেকে বাঁচাবে আপনাকে। ১. আপনার কতোক্ষণ ঘুমের প্রয়োজন একেক জনের একেক সময় পর্যন্ত ঘুমাতে হয়। তবে প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা না ৯ ঘণ্টা সে তর্কে যাওয়ার দরকার নেই। মূলত আপনার কাজের ধরন, দৈহিক অবস্থা এবং ঘুম কতটা গভীর হয়ে আসে তার ওপর নির্ভর করে কতো ঘণ্টা ঘুমালে আপনার চাহিদা পূরণ হবে। পুরোনো ধারণা মতে, এটি ৬ থেকে ৯ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে। বুঝতে হবে, আপনি কতটুকু ঘুমানোর পর ঝরঝরে বোধ করেন। ২. নতুন গবেষণা সম্পর্কে সচেতনতা আধুনিক অনেক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মানুষের আসলে প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ঘুমালেই চলে। তবে যারা এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাদের কোনো সমস্যা হয় না। তাই আপনিও দেখুন, এতে অভ্যস্ত হতে পারেন কিনা। ৩. বিছানায় প্রার্থনা ঘুমের অভ্যাস পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতিটি হলো বিছানায় শুয়ে শুয়ে একটু প্রার্থনা করে নেওয়া। তবে প্রার্থনা শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে যাবেন তা নয়। এতে আপনার উত্তেজনা প্রশমিত হবে এবং মন-মানসিকতা ঘুমের জন্য প্রস্তুত হবে। আবার এই প্রার্থনার বিকল্প হতে পারে আধা ঘণ্টার ইয়োগা বা মেডিটেশন। আবার এক কাপ হারবাল চা শান্ত করতে পারে আপনাকে। ৪. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কিছু লেখার চেষ্টা করুন ইতিবাচক মনোবিজ্ঞান বলে, প্রতিদিন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে মনে শান্তি অনুভূত হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতিদিন আপনার জীবনের তিনটি কৃতজ্ঞতা লিখুন রাতে বিছানায়। এতে ইনসমনিয়ার মাত্রা কমে যায়। ৫. আপনার মানসিক চাপের কারণ খুঁজে বের করুন দৈনন্দিন মানসিক চাপের অন্যতম দুটি কারণ ব্যস্ততা এবং দীর্ঘ সময়ের কাজ। বাইরের কিছু কাজকে কমিয়ে এনে বাসায় করা যেতে পারে। শান্ত মানসিকতা নিয়ে বাসায় কাজ করলে চাপ কম অনুভব করবেন। অথবা কিছু কাজ এগিয়ে নিয়ে রাখতে পারেন। যেমন, আগামীকাল কী কী কাজ করবেন তার তালিকা আজ রাতেই তৈরি করে ফেলা। ৬. ফেসবুক বা মেইলে ঢুঁ দেওয়া ঘুম না আসলে এসব কাজ সবচেয়ে বাজে অভ্যাসগুলোর একটি। এগুলো ঘুম তাড়ানোর উত্তম মাধ্যম। ঘুম না আসলে বরং শুয়ে শুয়ে চোখ বন্ধ করে চিন্তা করুন বা কিছু শুনুন। ৭. প্রতিদিনের কাজে রুটিন অভ্যাস করুন দৈনন্দিন রুটিন কাজের অভ্যাস গড়ে তুলুন। ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত সব কাজের তালিকা এবং সময়সূচি নির্দিষ্ট করে ফেলুন। তথ্যসূত্র: কালেরকণ্ঠ
গোসল ঠিকমতো করুন। অতিরিক্ত চা পান করবেন না। দেরি করে বিছানায় যান। টানা ১০ মিনিট দুই হাতের তালু ঘসে শুয়ে পরুন। শোয়ার পর মোবাইল ব্রাউজ করবেন না। মৃদু সাউন্ডে গান বাজিয়ে রাখতে পারেন, যদি অসুবিধা না হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy