2 Answers
ক্লান্তি ময় ঘুম হল রাতে বেলা।সারা দিনের ক্লান্তির শেষে রাতে বেলা ঘুমটা ভাল হয়।বেশী সময় ঘুমালেও মনে হয় কম ঘুমানো হয়েছে।দিনের বেলায় ক্লান্তি কম থাকে,তাই কম ঘুমালেও দীর্ঘ মনে হয়।মূল কথা হল ক্লান্তি।ক্লান্তির উপর ঘুমটা নির্ভর করে।
যে কোন প্রানীর জন্য ঘুম হলো মহৌষধ। সারাদিনের ধকলে সকল প্রানীর দেহে যে বিষক্রিয়া হয় তা থেকেই প্রানীর দেহে ক্লান্তি ও অবসাদের সৃষ্টি হয়। তখনই সকল প্রানী ঝিমিয়ে পড়ে বা ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুমন্ত অবস্থায় দেহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন গ্লান্ড হতে এক জাতীয় এনজাইম নিঃসরন হয় এবং এই এনজাইম দেহের বিষক্রিয়াগুলি নষ্ট করে দেয়। তাতেই প্রানী দেহগুলি ঝরঝরে হয়ে উঠে, পুনরায় উদ্দিপনা ফিরে পায় কাজ করার। মানুষের ক্ষেত্রে ও তাই হয়। একটি মানুষ সাধারনত ১৬/১৭ ঘন্টা জাগ্রত থাকার পর ঘুমানোর কথা, সেখানে যদি মানুষ ৮/১০ ঘন্টা পর কিছু সময় ঘুমায়, তাতে ৮/১০ ঘন্টার ক্লান্তিটুকু শেষ হয়ে শরীর পুনরায় ঝরঝরে উঠে এবং রাত্রিতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত সরীর বেশ ঝরঝরে থাকে। এখন কথা হলো, রাত্রিতে শরীর অবসাদ্গ্রস্থ হওয়ার আগেই ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে সেরাতে ভালো ঘুম হবে না এবং যতটুকু ঘুম হবে তাতে তত তৃপ্তি পাবেন না।