2 Answers
ইসলাম ধর্ম নারীদেরকে সবচাইতে বেশী মান-সম্মান আর মর্যাদা দিয়েছে বলে দাবী করে। কোন ইসলামী তফসিরকার যদি নারীদের মান মর্যাদা নিয়ে কথা বলা শুরু করে তো প্রথমেই বলে- পৃথিবীতে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীদেরকে পুর্নাঙ্গ মান মর্যাদা দিয়েছে। যখন তাদেরকে কোরান হাদিস ঘেটে দেখানো হয় যে ইসলাম নারীদেরকে উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু সম্পত্তি দেয়া ছাড়া বস্তুতঃ আর কোন মান সম্মান দেয়া তো দুরের কথা, বার বার অপমান অপদস্ত করেছে, এমনকি তাদেরকে পূর্নাঙ্গ মানুষ হিসাবেই স্বীকার করেনি। তখন তারা প্রশ্ন করে অন্য ধর্মে তো নারীদের একেবারেই মান সম্মান দেয়নি, সে তুলনায় ইসলাম নারীদেরকে অনেক মান সম্মান দিয়েছে যদিও তা তারা কোরান হাদিস থেকে একবারও প্রমান করতে পারে না একমাত্র কিছু সম্পত্তি দেয়ার বিধান ছাড়া। প্রশ্নটা হলো- তারা দাবী করছে কোরান হলো আল্লার বানী, আল্লার কাছে তার সব বান্দাই সমান ও সেহেতু তারা সমান মর্যাদার অধিকারী সেখানে কোরান কেন বার বার নারীদেরকে অসম্মান করবে? তথা আল্লার বানীতে এমন কিছু থাকতে পারে না যা কিছু মানুষের জন্য সব সময় সুবিধাজনক ও কিছ মানুষের জন্য অপমানজনক। যদি তা হয়, তাহলে তা আল্লাহর বানী কিনা তাতে সন্দেহ দেখা দেয়া স্বাভাবিক। এমনকি হাদিস যা নাকি মহানবীর জীবনের নানারকম কার্যাবলীর বর্ননা আছে, আছে মানুষের জন্য চলার নানারকম দিক নির্দেশনা, সেখানেও নারীদেরকে স্রেফ ভোগ্য পন্য ছাড়া পরিপূর্ন মানুষ রূপে তিনি নারীদেরকে স্বীকার করেন নি বরং তার নারী সম্পর্কিত ব্যক্তিগত জীবন ছিল খুবই কদর্য ও প্রশ্ন বিদ্ধ। যেমন তিনি আল্লাহ প্রেরিত রসুল, কিন্তু তার সম্পূর্ন জীবন ছিল নারী কেলেংকারী ও যৌনাচারে ভরপূর। তিনি একাধারে ১৩ টির বেশী বিয়ে করেছিলেন, এ ছাড়াও তার ছিল অনেক দাসী বাদী যাদের সাথে তার অবৈধ যৌন সম্পর্ক ছিল আর তা জায়েজ করতে আল্লার বানীর নামে তিনি যুদ্ধ জয়ে বন্দীকৃত নারীদেরকে গনিমতের মাল হিসাবে বর্ননা করে তাদেরকে ধর্ষন করাকে জায়েজ করে দিয়ে যান, একসাথে অনেক স্ত্রী নিয়ে হারেম তৈরী করেছিলেন, ৫১ বছর বয়েসে মাত্র ৬ বছর বয়সের শিশু আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন যে নাকি ছিল তার ধর্ম সম্পর্কিত ভাতিজি, তিনি তার পালিত পূত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নবের রূপ যৌবন দেখে রিপু তাড়িত হয়ে নানা ছলাকলা করে জায়েদ কর্তৃক জয়নবকে তালাক দিতে বাধ্য করেন ও পরে নিজেই তার সেই পূত্র বধূকে বিয়ে করেন, এ নিয়ে সমাজে কানাঘুষা শুরু হলে, আল্লাহ থেকে আয়াত নাজিলের নামে তা বন্দ করেন , অথচ পৃথিবীর সব সমাজেই পালিত পূত্রকে নিজের পূত্র হিসাবে জ্ঞান করা হয়ে থাকে, একমাত্র মোহাম্মদ তার বিকৃত যৌন কামনা চরিতার্থ করতে পবিত্র সম্পর্ক কলুষিত করেন ও যাকে ধর্মের নামে গোটা মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে দেন ও আল্লাহর আয়াতের নাম দিয়ে বলেন- পালিত পুত্রের তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকেও বিয়ে করা যাবে এবং যার ফলে গোটা মুসলমানরা আজকে মানষিকভাবে বিকৃত। গনিমতের মাল হিসাবে বন্দী নারীদেরকে ভোগ করা যাবে এটা কোরান অনুমোদিত আর তাই ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যে দুই লাখ মা বোন (যার প্রায় ৯৯% জনই মুসলমান) ধর্ষিতা হয়েছিলেন তৎকালীন জামাতে ইসলামী তাকে আল্লার বিধান হিসাবে বিধি সম্মত বলে রায় দিয়েছিল ও সেকারনে তারা আজও এ জঘন্য ঘটনার জন্য অনুতপ্ত নয়।এবার সরেজমিনে দেখা যাক, ঐশি কিতাব কোরানে আল্লাহ কতটুকু মর্যাদা নারী জাতিকে দিয়েছে।
তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেএ, সুতরাং তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যে প্রকারে ইচ্ছা অবতীর্ন হও। সূরা-২: বাক্কারাহ, আয়াত:২২৩
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy