ফজরের নামাজ কি ঘরে পড়তে পারব?
আমার মসজিদ বাসার পাশেই,,,কিন্তু খোদার কাছে কান্নাকাটি করার উদ্দেশ্যে,নিরব ও শান্ত পরিবেশে ফজরের নামাজ বাসায় পড়তে পারব কি,,,,
3006 views
2 Answers
বাড়িতে নামাজ আদায়ের চেয়ে জামায়াতে সালাত আদায়ে ফজিলত বেশী পাওয়া যায়।তাই বাড়িতে নামাজ না পড়ে জামায়াতে সালাত আদায় করার চেষ্টা করুন।
3006 views
Answered
ফজরের সুন্নাত নামায ঘরে পড়তে পারবেন। তবে ফজরের ফরজ নামায ঘরে পড়া উচিত নয়।
মসজিদে গিয়ে জামাআতে নামায আদায় প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ। প্রিয়নবির নির্দেশ সুন্নাত তরিকায় পালন করা আবশ্যক কর্তব্য। যে ব্যক্তি এ সুন্নাত পালন থেকে বিরত থাকল সে পথভ্রষ্ট হলো।
জামাআতের সঙ্গে নামায আদায়ে হযরত উম্মে মাকতুমের প্রতি প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশনা ছিলো অনেক জোরালো। তাই যারা নিজ নিজ ঘরে ফরজ নামায আদায় করে এটা অনেক বড় ভুল কাজ করে। তাই মসজিদ থেকে নিজেদের নিবৃত রাখা একেবারেই ঠিক নয়।
জামাআতের সাথে নামায পড়ার আগ্রহ ও উৎসাহ প্রদানে এবং তার ফযীলত সম্পর্কে অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, অপর দিকে জামাআত বর্জন ও জামাতের সাথে নামায আদায়ে অবহেলাকারীর বিরুদ্ধেও তার অবহেলার ক্ষেত্রে সতর্কতকারী হাদীস এসেছে।
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন কসম সেই সত্তার, যার হাতে আমার জীবন! আমার ইচ্ছে হয়, কাঠ-খড়ি জমা করার নির্দেশ দিতে। অতপর যখন সেগুলো কুড়িয়ে একত্র করা হবে, তখন নামাযের আযান দেবার নির্দেশ দিতে। অতপর কোনো একজনকে ইমামতি করার নির্দেশ দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখতে-কে কে নামায পড়তে আসেনি।
অপর বর্ণনায় বলা হয়েছে, আমার ইচ্ছে হয়, যারা আযান শুনেও মসজিদে হাযির হয়না, তাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে দিতে। (বুখারী ও মুসলিম)।
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: যদি লোকদের ঘরে নারী ও শিশু না থাকতো, তাহলে আমি যুবকদের আদেশ দিতাম, সেইসব ঘরে আগুন লাগিয়ে দিতে, যেসব ঘরের লোকেরা ইশার জামাতে হাযির হয়নি। (মুসনাদে আহমাদ)
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছৈন: যে ব্যক্তি আযান শুনলো, অথচ জামাআতে হাযির হলোনা, তার নামাযই নাই। তবে কোনো ওযর থাকলে ভিন্ন কথা। (দারু কুতনি, আবু দাউদ)।
জামাআতে নামাযের ফযীলত ও মর্যাদা আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: জামাআতে নামায পড়ার মর্যাদা একা পড়ার চাইতে সাতাশ গুণ উর্ধ্বে। (বুখারী মুসলিম)।
মসজিদে গিয়ে জামাআতে নামায আদায় প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ। প্রিয়নবির নির্দেশ সুন্নাত তরিকায় পালন করা আবশ্যক কর্তব্য। যে ব্যক্তি এ সুন্নাত পালন থেকে বিরত থাকল সে পথভ্রষ্ট হলো।
জামাআতের সঙ্গে নামায আদায়ে হযরত উম্মে মাকতুমের প্রতি প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশনা ছিলো অনেক জোরালো। তাই যারা নিজ নিজ ঘরে ফরজ নামায আদায় করে এটা অনেক বড় ভুল কাজ করে। তাই মসজিদ থেকে নিজেদের নিবৃত রাখা একেবারেই ঠিক নয়।
জামাআতের সাথে নামায পড়ার আগ্রহ ও উৎসাহ প্রদানে এবং তার ফযীলত সম্পর্কে অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, অপর দিকে জামাআত বর্জন ও জামাতের সাথে নামায আদায়ে অবহেলাকারীর বিরুদ্ধেও তার অবহেলার ক্ষেত্রে সতর্কতকারী হাদীস এসেছে।
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন কসম সেই সত্তার, যার হাতে আমার জীবন! আমার ইচ্ছে হয়, কাঠ-খড়ি জমা করার নির্দেশ দিতে। অতপর যখন সেগুলো কুড়িয়ে একত্র করা হবে, তখন নামাযের আযান দেবার নির্দেশ দিতে। অতপর কোনো একজনকে ইমামতি করার নির্দেশ দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখতে-কে কে নামায পড়তে আসেনি।
অপর বর্ণনায় বলা হয়েছে, আমার ইচ্ছে হয়, যারা আযান শুনেও মসজিদে হাযির হয়না, তাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে দিতে। (বুখারী ও মুসলিম)।
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: যদি লোকদের ঘরে নারী ও শিশু না থাকতো, তাহলে আমি যুবকদের আদেশ দিতাম, সেইসব ঘরে আগুন লাগিয়ে দিতে, যেসব ঘরের লোকেরা ইশার জামাতে হাযির হয়নি। (মুসনাদে আহমাদ)
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছৈন: যে ব্যক্তি আযান শুনলো, অথচ জামাআতে হাযির হলোনা, তার নামাযই নাই। তবে কোনো ওযর থাকলে ভিন্ন কথা। (দারু কুতনি, আবু দাউদ)।
জামাআতে নামাযের ফযীলত ও মর্যাদা আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: জামাআতে নামায পড়ার মর্যাদা একা পড়ার চাইতে সাতাশ গুণ উর্ধ্বে। (বুখারী মুসলিম)।
3006 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy