2 Answers
১০ টি পুষ্টিকর খাবার যা আপনার বাচ্চার উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে
১) পূর্ণ সেদ্ধ ডিম
ইকুয়েডরে ৬-৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে এক সমীক্ষা করে গবেষকেরা দেখেছেন, যে সব শিশুরা প্রতিদিন একটি করে ডিম খায় তাদের মধ্যে, যারা খায় না তাদের চাইতে বৃদ্ধি থেমে যাবার হার ৪৭% কম হয়। এ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় যে দিনে একটি করে ডিম শিশুদের বৃদ্ধি প্রতিবন্ধকতার রাক্ষসকে দূরে রাখতে সক্ষম!
পূর্ণ-সেদ্ধ ডিমের বদলে আরও অনেক উপায়ে আপনার বাচ্চাদের ডিম খাওয়াতে পারেন। কুসুম ওপরে। ভাজা, অর্ধ-সেদ্ধ, স্ক্র্যাম্বেল্ড, - আপনার খাদুল বাচ্চা প্রতিদিন ডিম খেতে কখনোই বিরক্ত হবে না।
২) সয়া বীনকার্ড
প্রোটিন-সমৃদ্ধ সয়াবীন একটি দারুণ উচ্চতা বৃদ্ধিকারী খাবার। সায়েন্টিফিক আমেরিকান পত্রিকার মতে শিশুদের উচ্চতা বাড়াবার জন্য প্রোটিন হচ্ছে সবচেয়ে জরুরী পুষ্টি। এক বাটি ঠান্ডা সয়া বীনকার্ড গরম কালের বিকেলে আপনার শিশুকে তরতাজা করে দেবে।৩
। টুনা স্যান্ডউইচ
প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস হালকা টুনা, যা ধাতু পাত্রে রক্ষিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এটি টোস্টে ছড়িয়ে দিলেই হয়ে যাবে একটি উচ্চাঙ্গের অথচ উপাদেয় খাবার।
৪) মিশ্র বাদাম বাদাম, কুমড়ো বীচি, পেস্তা, চিনেবাদাম, কাজু, ...... এই সব প্রোটিনে ভরপুর দানাগুলি দুটি ভোজনের মাঝে দেবার মতো বাহুল্য বর্জিত ও মুচমুচে হালকা খাদ্যবস্তু। এগুলি নুন না দেওয়া লেবেলের নিলে তা আরও স্বাস্থ্যকর।
5) চিনাবাদাম মাখনের ক্র্যাকার
চিনেবাদানের মাখন প্রোটিনে ভরপুর, অবশ্য কেমনটা আপনি পাচ্ছেন, তার উপরেও নির্ভর করে। প্যাকিং এর লেবেলে দেখে উচ্চ প্রোটিন পুষ্টিগুণ সম্পন্নটি কিনবেন, আর ক্র্যাকার, টোস্ট, এমনকি প্যানকেকের ওপরেও মাখিয়ে খেতে দিন।
৬) দই
ক্যালসিয়াম হাড়ের বৃদ্ধিতে সর্বাধিক সাহায্য করে - এটি আপনার বাচ্চাদের ক্রমবর্ধমান হাড়ের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ! দই, বিশেষ করে গ্রিক দই, ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনে পরিপূর্ণ।
৭। তাজা নিংড়ানো কমলালেবুর রস
৯। ছাগলের পনীর স্যান্ডউইচ
ছাগলের পনীর সবচেয়ে বেশী ভিটামিন এ-সমৃদ্ধ পনীগুলির মধ্যে অন্যতম, যদিও চেডার এবং ক্যামেমবারট কাছাকাছি আসে। আপনি রুটির ওপর এটি মাখিয়ে দিতে পারেন বা এর ঘন মিশ্রণে লাল টমেটোু দিতে পারেন।
১০) আমে দুসর্বত্র এই সুমিষ্ট ফলটি বাচ্চাদের প্রিয় - এটিতে প্রচুর ভিটামিন এ আছে! ছাড়ানো ঠান্ডা আম আর সম পরিমাণ দুধ ব্লেন্ডারে চালিয়ে স্বাদিষ্ট এবং স্বাস্থ্যকর পানীয় প্রস্তুত করুন।
-
শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় পুষ্টিকর খাদ্যঃ
-
ধান বা চাল।
-
গম।
-
ভূট্টা।
-
বাজরা।
-
আলু।
-
ওল।
-
কচু।
-
বীট।
-
গাজর।
-
খেজুর।
-
আঙ্গুর।
-
আপেল।
-
শাক-সবজি।
-
বেল।
- তরমুজ।
-
আম।
-
কলা।
-
কমলালেবু।
-
চিনি।
-
গুড়।
-
মিছরী।
-
দুধ।
-
আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পুষ্টিকর খাদ্যঃ
-
মাছ।
-
মাংস।
-
ডিম।
-
দুধ।
-
ছানা।
-
ডাল।
-
সয়াবিন।
-
বীন।
-
গম।
-
স্নেহপদার্থ বা ফ্যাট জাতীয় পুষ্টিকর খাদ্যঃ
-
বাদাম।
-
নারিকেল।
-
সরষে।
-
রেড়ী বীজ।
-
তুলা বীজ।
-
মাখন।
-
ঘি।
-
চর্বি।
-
তেল।
- খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন জাতীয় পুষ্টিকর খাদ্যঃ
-
দুধ।
-
ডিম।
-
মাছ।
-
মাংস।
-
প্রাণীদের যকৃৎ।
-
মাছের যকৃৎ নিঃসৃত তেল।
-
মাখন।
-
উদ্ভিজ্জ তেল।
-
বাদাম।
-
ঢেঁকিছাটা চাল।
-
লাল আটা।
-
ছোলা।
-
মুগ।
-
বীট।
-
গাজর।
-
মটরশুঁটি।
-
পালংশাক।
-
টমেটো।
-
বাঁধাকপি।
-
ফুলকপি।
-
লেবু।
-
কলা।
-
আম।
-
আমলকি।
-
আপেল।
- খনিজ লবণ।
- পানি (সর্বোত্তম পুষ্টিকর পানীয়) : পানি খাদ্যের একটি উপাদান। মানবদেহের জন্য পানি অপরিহার্য। দেহের গঠন এবং অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না। আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০-৭০% পানি। আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানি প্রয়োজন। দেহকোষ গঠন ও কোষের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলো পানি ছাড়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ধন্যবাদ।