2 Answers
নাভি পর্যন্ত নিষিদ্ধ সতর। নামাজের মধ্যে নাভির নিচের সামান্য অংশ অনবৃত থাকলেও নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। নাভির নিচে প্যান্ট বা লুঙ্গি পড়লে যদি নাভির নিচের অংশ অনাবৃত হয় তাহলে নামাজ হবে না। আর যদি নাভির নিচে প্যান্ট বা লুঙ্গি পরে উপরে শার্ট বা পাঞ্জাবী পরার কারণে নাভির নিচের অংশ আবৃত হয়ে যায় তাহলে নামাজ হয়ে যাবে। সূত্র :বিষ্ময়
যে ব্যক্তি সতর ঢেকে নামায পড়ছিলেন কিন্তু অনিচ্ছাকৃতভাবে সতরের কিছু অংশ অনাবৃত হয়ে গেছে এবং সে সাথে সাথে ঢেকে নিয়েছে তাহলেও তার নামায শুদ্ধ হবে। সে ব্যক্তি পুরুষ হোক অথবা নারী হোক। সতরের সে অংশ সাধারণ অঙ্গ হোক অথবা বিশেষ অঙ্গ হোক। উন্মুক্ত অংশ কম হোক অথবা বেশি হোক। অনিচ্ছাকৃতভাবে সতরের কিছু অংশ উন্মুক্ত হয়ে গেলে নামায বাতিল হবে না। যদি সতরের কিছু অংশ দীর্ঘ সময়ের জন্য উন্মুক্ত থাকে তবুও। আর যদি সতরের বড় একটা অংশ স্বল্প সময়ের জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে সে ক্ষেত্রেও নামায বাতিল হবে না। যদি বাতাসে তার সতর থেকে আচ্ছাদন সরে যায়, এমনকি এতটুকু সরে যায় দীর্ঘসময় যতটুকু উন্মুক্ত রাখা যায় না; এমনকি এতে করে যদি তার সম্পূর্ণ সতর উন্মুক্ত হয়ে পড়ে কিন্তু সে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমলে কাছির (বেশি কাজ) না করে ঢেকে নিতে পারে তাহলেও তার নামায বাতিল হবে না। কারণ সময়ের স্বল্পতা সামান্য সতর বেশি সময় ধরে উন্মুক্ত থাকার সাথে তুল্য। যদি সতর ঢাকতে গিয়ে আমলে কাছির (বেশি কাজ) এ লিপ্ত হতে হয় তাহলে নামায বাতিল হয়ে যাবে। -কাশশাফুল কিনা (১/২৬৯) শাইখ উছাইমীন (রহঃ) বলেন: যদি সতরের বেশি অংশ সামান্য সময়ের জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে তাহলে নামায বাতিল হবে না। যেমন- ‘কেউ নামাযের রুকুতে ছিলেন, এর মধ্যে তীব্র বাতাসে কাপড় সরে গেল এবং তাৎক্ষণিকভাবে সে কাপড় ঠিক করে নেয়’ গ্রন্থকারের মতে এ ব্যক্তির নামায বাতিল। কিন্তু সঠিক মতানুযায়ী: নামায বাতিল হবে না। যেহেতু তিনি অতিদ্রুত কাপড়টি পরে নিতে পেরেছেন এবং তিনি তো ইচ্ছাকৃতভাবে সতর খোলেন নি। আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা সাধ্যানুযায়ী আল্লাহকে ভয় কর।”[সূরা আত-তাগাবুন, আয়াত: ১৬] -শরহে আল-শরহুল মুমতি (২/৭৫) উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে আপনি আপনার উত্তর আশা করি পেয়েছেন। তদুপরি অসম্পূর্ণ মনে হলে মন্তব্য করবেন। ধন্যবাদ।