1 Answers
আল্লাহ তায়ালা মদকে সম্পূর্ণরূপে সূরা মায়েদার
আয়াতে ৩য় বারে হারাম ঘোষণা করলেন।
আল্লাহপাক ইরশাদ করেন, হে ঈমানদারগণ! মদ, জুয়া, মূর্তি এবং তীর নিক্ষেপ এ সবগুলো নিকৃষ্ট বস্তু, শয়তানের কার্য। কাজেই তোমরা এ সবগুলোকে বর্জন করো। যাতে তোমরা সফল হতে পারো। শয়তান মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও তিক্ততা ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে বিরত রাখতে চায়। তবুও কি তোমরা তা থেকে বিরত থাকবে না। (সূরা মায়েদাঃ ৯০-৯১)
এ আয়াতে সুস্পষ্টভাবে মদকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।
মদ সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক নেশা জাতীয় বস্তু হারাম। (মুসনাদ আহমাদঃ ২/১৭১, সনদ সহীহ, আবূ দাঊদঃ ৩৬৭৪)।
অন্যত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যা বেশি পরিমাণ পান করলে নেশা আসে তা কম পারিমাণও পান করা হারাম। (জামিউল উসূলঃ ৩১১২, ইবনু মাযাহঃ ৩৩৯৪, সহীহ)।
আল্লাহপাক ইরশাদ করেন, হে ঈমানদারগণ! মদ, জুয়া, মূর্তি এবং তীর নিক্ষেপ এ সবগুলো নিকৃষ্ট বস্তু, শয়তানের কার্য। কাজেই তোমরা এ সবগুলোকে বর্জন করো। যাতে তোমরা সফল হতে পারো। শয়তান মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও তিক্ততা ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে বিরত রাখতে চায়। তবুও কি তোমরা তা থেকে বিরত থাকবে না। (সূরা মায়েদাঃ ৯০-৯১)
এ আয়াতে সুস্পষ্টভাবে মদকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।
মদ সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক নেশা জাতীয় বস্তু হারাম। (মুসনাদ আহমাদঃ ২/১৭১, সনদ সহীহ, আবূ দাঊদঃ ৩৬৭৪)।
অন্যত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যা বেশি পরিমাণ পান করলে নেশা আসে তা কম পারিমাণও পান করা হারাম। (জামিউল উসূলঃ ৩১১২, ইবনু মাযাহঃ ৩৩৯৪, সহীহ)।
2648 views
Answered