3 Answers

ভাল অ্যাপগুলো আইফোনকে প্রধান্য দেয়

আইফোনের মার্কেট শেয়ার ছোট হলেও ডেভেপাররা আই ফোনের জন্য ভাল অ্যাপটি তৈরি করার সর্বাত্মক চেষ্টা করে থাকেন।

দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন

এইচটিসি ওয়ান এবং শাওমি এমআই নোট বাদে খুব কম সংখ্যক এন্ড্রয়েড মোবাইল বাজারে আছে যা দেখতে সুন্দর। এন্ড্রয়েড চালিত বেশিরভাগ ফোনই দেখতে আইফোনের তুলনায় দৃষ্টিনন্দন নয়, অনেকগুলো আবার প্লাস্টিক বডির। অপরদিকে আইফোন সবসময়ই বেশ নজরকাড়া ফিনিশিং ও ডিজাইন নিয়ে আসে।

অ্যাপল পে

শুরুর দিকে থাকলেও এখনো পর্যন্ত অ্যাপল পে মোবাইলের জন্য একমাত্র বিস্তৃত এবং উন্নত পেমেন্ট সিস্টেম যা বড় বড় সব ব্যাংক এবং ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলোর সেবা সাপোর্ট করে।

বিক্রয়োত্তর সেবা

অ্যাপল আপনাকে সর্বোত্তম গ্রাহক সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়। আপনার ফোন কেনার পর যদি কোন সমস্যা হয় তবে আপনি এদিক থেকে অনেকটাই নিরাপদ যা এন্ড্রয়েড ফোন প্রস্তুতকারকদের থেকে কিছুটা হলেও বেশি।

স্মার্ট হোম

অ্যাপল এবছর নিয়ে আসতে যাচ্ছে হোম কিট প্ল্যাটফর্ম যা দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার গৃহস্থলি তৈজসপত্র আপনার হ্যান্ডসেট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

বাচ্চাদের উপর বাবা-মা এর অ্যাপ নিয়ন্ত্রণ সুবিধা

আইওএস ৮ এ আপনি পাচ্ছেন ফ্যামিলি শেয়ার নামক সেবা যা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অ্যাপ শেয়ার করার সুবিধা দিবে। এছাড়া পরিবারের বাচ্চাদের জন্য যেসব অ্যাপ নয় তা ব্যবহার করা থেকে আপনি তাদের সীমাবদ্ধ করে দিতে পারবেন।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার

অনেক ফোন কোম্পানি ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার সুবিধা দিলেও কোন ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারই অ্যাপল টাচ-আইডির মত এত ভাল কাজ করে না।

ক্যামেরা

খুব কম সংখ্যক এন্ড্রয়েড ফোনের ক্যামেরাই আইফোন ক্যামেরার মত/এর চেয়ে ভাল।

সফটওয়্যার আপডেট

আপনি যদি আইফোন ব্যবহার করে থাকেন তবে এর সফটওয়্যার আপডেট নিয়ে কোন চিন্তা করতে হবেনা। বিদ্যমান মডেলগুলো নিয়মিত আইওএস আপডেট পেয়ে থাকে। অপরদিকে এন্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে আপনি পরবর্তী ভার্সন পাবেন কিনা তা সেই ভার্সনটি না আসা পর্যন্ত অনিশ্চিত। অনেক এন্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রেই দেখা যায় তা পরবর্তী ভার্সন আর সাপোর্ট করে না। পরবর্তী ভার্সনের জন্য নতুন ফোন কিনতে হয়।

2645 views

আইফোনে এমন অনেক কিছুই আছে যা এন্ড্রয়েডে নেই । যেমন...



  • আইফোনের মতো প্রতারনা এন্ড্রয়েড করতে পাবেনা ।
  • আইফোনের মাদারবোর্ড  তৈরি হয়  সোনা দিয়ে আর এন্ড্রয়েডের মাদারবোর্ড  তৈরি হয় তামা দিয়ে ।
  • আইফোন বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি নিরাপত্তা দিয়ে থাকে, অন্যদিকে এন্ড্রয়েড তা পারে না ।
  • আইফোনের স্ক্রিন অনেক উন্নত মানের যেখানে চাকু দিয়ে কাটলে ্ও দাগ হবে না ।
  • আইফোনে সব সময় বিশ্বের সেরা ্ও উন্নত মানের প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়  এন্ড্রয়েডে  যা হয় না । 
2645 views
অ্যাপল ও অ্যান্ড্রয়েড এর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবগুলো প্রায় বলা অসম্ভব। আমি নিচে কিছু উল্লেখ করলামঃ
  1. আইফোন এর অপারেটিং সিস্টেম আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড।
  2. আইওএস এর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো সি, সি++, সুইফট। অ্যান্ড্রয়েড এর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো সি, সি++, জাভা (ইউ আই)
  3. অ্যান্ড্রয়েড এর ওএস সদৃশ হলো ইউনিক্স কিন্তু আইওএস এর হলো ডারউইন বিএসডি এর উপর ভিত্তিক, ম্যাকওএস।
  4. অ্যাপল এ মূল পর্দায় এপ্লিকেশন আইকন ও একদম নিচে একটি ডক দেখা যায়। অ্যান্ড্রয়েড এর ডকে প্রি-ইন্সটলড অ্যাপ দেওয়া থাকে তা চেঞ্জ করা যায়।
  5. আইফোনের TouchID ফিঙ্গারপ্রিন্টের কারণে লক স্ক্রিন বাইপাস হয়ে সরাসরি মূল বা হোম স্ক্রিনে চলে আসে যায়। অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ফেস রিকোগনেশন রয়েছে যা দ্রুত কাজ করলেও নিরাপদ নয় এবং লো-লাইট কন্ডিশনে কাজ করতে সক্ষম নয়।
  6. ফোনে সংরক্ষিত প্রিয় নাম্বারগুলো এবং কিছু কিছু রমে মোস্ট ইউসড নাম্বারগুলো খুব চমৎকার ভাবে দেয়া থাকে অ্যান্ড্রয়েডে। অপর দিকে আইফোনের অন্যতম একটি চমৎকার ফিচার ‘FaceTime’ এর জন্যে এখানেও আইফোনই এগিয়ে থাকছে।
  7. অ্যান্ড্রয়েডে রয়েছে সুপার-ডিম ‘ডে-ড্রিম’ মোড যার মাধ্যমে আপনি চার্জিং এর সময় আপনার স্মার্টফোনটিকে ডিজিটাল বা অ্যানালগ ওয়াচ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। আইফোনে আপনাকে ‘সময়’ দেখাবে যখন আপনি হোম বাটন বা লক বাটন প্রেস করবেন।
  8. অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলোতে যথেষ্ট রিচ ক্যামেরা হার্ডওয়্যার (হাই-এন্ড ডিভাইস) থাকে। আইফোন এর ক্যামেরা কোয়ালিটি ডিসেন্ট এবং জুমিং কোয়ালিটি ভালো।
  9. অ্যান্ড্রয়েডের স্টক কীবোর্ড AOSP কীবোর্ড অনেক ভালো অ্যাপল কীবোর্ড থেকে। আইওএস এর কীবোর্ড এ টাইপিং অনেক কষ্টকর। বাংলা টাইপ করা যায় না। যদিও এখন অভ্র ডাউনলোড করা যায়। কিন্তু এখানে অ্যান্ড্রয়েড ভালো।
  10. আইফোনে আপনি Itunes, App Store, Apple Calendar এগুলো রয়েছে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েডে এরকম অ্যাপ সাপোর্ট করে না।
  11. অ্যাপলের ইমেইল অ্যাপ অনেক ভালো। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ততটা সমৃদ্ধ নয়।
  12. Siri’র পার্সোনালিটি রয়েছে তবে খুব বেশি কিছু করতে সক্ষম নয়। অন্যদিকে, অ্যান্ড্রয়েডের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট এর কোন প্রকার পার্সোনালিটি নাই এবং সিরির সাথে তুলনা যোগ্য না হলেও আপনি এর মাধ্যমে কথা বলে (কমান্ড) চমৎকার সার্চ রেজাল্ট পাবেন।
  13. অ্যান্ড্রয়েডে 'Ok Google’ বলেও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করতে পারবেন। কিন্তু অ্যাপল এ পারবেন না।
  14. অ্যান্ড্রয়েড রুট অ্যাক্সেস করা যায়। কিন্তু অ্যাপল এ আপনাকে জেইলব্রেক করতে হবে।
2645 views

Related Questions