আমার শশুর উনার দাদার সাথে বড় জীনের আসর ছিল। বংশ পরম্পরায় উনার সাথে ও আসর রয়েছে। উনি সব অদ্ভুত ব্যবহার করেন। যেমন রাস্তায় ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে, উনি একজন ভাল ঘরের মানুষ উনি এসব কাজ করেন। কিন্তু উনার ছেলে মেয়ে উচ্চ শিক্ষিত ভালো জব ও করেন। কিন্তু আমার শশুর লুকিয়ে এসব কাজে চলে যান।  তারা খবর পেয়ে ঘরে আনে। এরকম চলতেই থাকে। সবার সামনে আমাদের লজ্জিত হতে হয়। একজন বলেছিল উনাকে তদি ডাক্তার বা তাবিজ খরা হয় তবে নাকি উনি পাগল হয়ে যাবেন। তাই পরিবারের মধ্যে ও ভয় কাজ করে। এখন কি করা উচিত?
2689 views

2 Answers

হ্যাঁ অবশ্যই ডাক্তার দেখানো যাবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মনোরোগের কারনেই মানুষ উদ্ভট আচরণ করতে পারে, তাই তদবিরের পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারবে।

2689 views

ভাই আপনার বিষয়টাকে গুরত্বের সাথেই দেখছি। তবে ড্রেন নির্মাণে অংশ গ্রহণ করাটা নিচু কাজ না। তিনি হয়তো সমাজ সেবার জন্য ধনী ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও সেচ্ছা শ্রম দেন। যাহোক তিনি যদি সত্যিই জ্বীনের রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবে তাকে কুরআন ও হাদীসের আলোকে চিকিৎসা করা যায়। যেমন, ঘরে সূরা বাকারা তেলাওয়াত অব্যাহত রাখা। কারণ যে ঘরে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয় সেখানে জ্বীন প্রবেশ করতে পারেন। তাছাড়া পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর আয়াতুল কুরসীর আমল করা যেতে পারে। এতে জ্বীনের সমস্যা দূর হয়। একইভাবে তিনকুল তথা সূরা ইখলাস, সূরা নাস ও ফালাকের আমল করে উনাকে ফুঁ দেওয়া যেতে পারে। আশা করি উক্ত আমলগুলো চালু করলে জ্বীনের সমস্যা থাকবে না। তবে আপনি ভালো কোন আমল ওয়ালা বুযর্গ থেকে বৈধ উপায়ে তদবীরও গ্রহণ করতে পারেন। আর ডাক্তারের চিকিৎসায় জ্বীনে ধরা ‍রোগের চিকিৎসা তেমন ফলপ্রসূ হবে বলে আমি মনে করি না। ধন্যবাদ।

2689 views