4 Answers

পাইলস বলতে পায়ুপথে মাংস বৃদ্ধি কে বোঝাই
3198 views

পাইলস্ হলো পায়খানার রাস্তার চারপাশের শিরা ফুলে যাওয়া বা মাংস বৃদ্ধি পেলে আমরা তাকে পাইলস্ বলে থাকি বা অর্শরোগ বলে থাকি। আমাদের পায়ুপথের টিস্যুগুলো যখন ফুলে যায় বিশেষ করে টয়লেট করার সময় প্রবল চাপ প্রয়োগ করলে এই পাইলস্ দেখা দেয় যেটা ব্যথাযুক্ত হতে পারে এমনকি মাঝেমধ্যে রক্তপাতও হতে পারে।

3198 views

পাইলস বা অর্শ রোগঃ পথে-ঘাটে পাইলস বা অর্শ (Hemorrhoids) রোগের চিকিৎসার নিশ্চয়তাসহ টোটকা, কবিরাজি ও নানা ধরনের অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসার সাইনবোর্ডের সমাহার দেখা যায়। পাইলস বা অর্শ একটি সাধারণ সমস্যা, যার সুচিকিৎসা করা হলে রোগী ভালো থাকেন।


কীভাবে বুঝবেনঃ মলত্যাগের সময় ব্যথাহীন রক্তপাত, চুলকানি বা অস্বস্তিকর জ্বালাপোড়া, মলদ্বারে ব্যথা, পায়ুপথের বাইরের দিকে ফোলা বা বেরিয়ে আসা অনুভব করা, বা চাকার মতো অনুভূতি।

কেন পাইলস হয়ঃ মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা, জন্মগতভাবে দুর্বল ধমনি, দীর্ঘদিনের কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, ভারী বস্তু বহন করতে হয় এমন কাজ, অতিরিক্ত ওজন, গর্ভাবস্থা ইত্যাদি।পাইলসের চিকিৎসা না করা হলে প্রায়ই মলের সঙ্গে রক্তপাতের জন্য ধীরে ধীরে রক্তশূন্যতা হতে পারে, প্রায়ই ব্যথা হয় এবং সংক্রমণ হয়। পাইলসের বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসার কিছু ধাপ রয়েছে। প্রথম দিকে ওষুধ ও নির্দিষ্ট জীবনাচরণ প্রণালি মেনে চললে কাজ হতে পারে, তবে জটিল আকার ধারণ করলে অস্ত্রোপচারও লাগতে পারে। পাইলসের রোগীরা কিছু পদ্ধতি মেনে চললে ভালো থাকতে পারেন।
  • পায়ুপথের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
  • কুসুম গরম পানিতে দিনে কয়েকবার ভিজিয়ে নিন
  • ফুলে গেলে বরফ দেওয়া যায়
  • চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত মলম ব্যবহার করুন
  • প্রদাহ বা সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা নিন
  • প্রতিদিন প্রচুর আঁশযুক্ত সবজি, ফলমূল ও খাবার গ্রহণ করবেন; 
  • মাংস, কম আঁশ ও বেশি চর্বিযুক্ত খাবার, ফাস্টফুড ইত্যাদি পরিহার করুন। 
  • প্রচুর তরল ও দিনে ছয়-সাত পানি পান করুন।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা করুন, মলত্যাগে কখনো বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না
  • ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন,
  •  নিয়মিত ব্যায়ামে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে।
3198 views

অর্শ্বরোগ (ইংরেজি: Haemorrhoids, মার্কিন ইংরেজিতে Hemorrhoids) হল পায়ূ পথে বিদ্যমান অঙ্গ রক্তনালী যা মল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।ফোলা বা প্রদাহ থেকে এগুলো রোগ সংক্রান্ত বিষয় বা পাইলস-এ পরিণত হয়। শারীরবৃত্তীয় পর্যায়ে এগুলো ধমনী-শিরা পথ এবং যোজক কলা দ্বারা গঠিত কুশনের ন্যায় কাজ করে।

আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন ।


3198 views

Related Questions