2 Answers

যোজনী বা যোজ্যতা বলতে, রসায়ন শাস্ত্রে, কোনো মৌলিক পদার্থের আরেকটি মৌলিক পদার্থের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষমতা বোঝায়। যোজনী দ্বারা কেবল মৌলিক পদার্থ নয় কোনো যোগমৌলেরও আরেকটি মৌলিক পদার্থ বা যৌগমৌলের সঙ্গে বিক্রিয়ার ও যৌগ গঠনের ক্ষমতা বোঝায়। সংখ্যা দ্বারা মৌলিক পদার্থের যোজনী প্রকাশ করা হয়। কার্বনের যোজনী ৪ ; এর অর্থ হচ্ছে কার্বনের একটি পরমাণু হাইড্রোজেনের সর্বোচ্চ ৪টি পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। হাইড্রোজনের পরমাণুতে মুক্ত ইলেক্ট্রণের সংখ্যা ১ ; অন্য দিকে কার্বনের পরমাণুতে মুক্ত ইলেক্ট্রণের অভাব ৪। এই হিসাবেই কার্বনের যোজনী স্থির করা হয়েছে ৪। অর্থাৎ, কোন মৌলিক পদার্থ বা যৌগমৌলের যোজনী নিরূপণে হাইড্রোজনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়। তবে যোজনী কোনো স্থিরাংক নয়, অবস্থাভেদে এটির পরিবর্তন ঘটে। তদসত্বেও, হাইড্রোজেনের যোজনী একক এবং অপরিবর্তনীয় বিধায় একেই অন্যান্য মৌলিক পদার্থ বা যোগমৌলের যোজনী নিরূপণের ভিত্তি হিসাবে বিচেনা করা হয়। একইভাবে যৌগমৌল মিথাইলের (CH 3) যোজনী একক এবং অপরিবর্তনীয় গণ্য করা হয়।

Source: Wikipedia  

3420 views Answered

পরমাণুর শেষ কক্ষপথে যে কয়েকটি ইলেকট্রন থাকে, তাকে ঐ মৌলের যোজ্যতা ইলেকট্রন বলে। যেমনঃ Cl এর যোজ্যতা ইলেকট্রন ৭টি। *কোনো পরমাণুর অপর পরমাণুর সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে ঐ মৌলের যোজনী বলে। যেমনঃ Cl এর যোজনী হলো = 1.

3420 views Answered

Next steps