3 Answers

১. স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হয়। যার প্রভাব পরে নিজের ক্যারিয়ারে। ২. শরীর একটা বায়োলজিক্যাল ক্লক। সেই ঘড়ির স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যহত করলে অনেক শারীরিক মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। আয়ু কমে যায়। ৩. লিভারের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। ৪. রাত জাগা মানেই অল্প আলোতে মোবাইল টেপা বা বই পড়া। দুটোই চোখের জন্য ক্ষতিকর।  ৫. অনেকে বলে থাকে ব্রেইনেও এর প্রভাব পরে।

2950 views Answered

অতিরিক্ত রাত জেগে থাকলে কি হয় কিছু লক্ষন নিচে দেওয়া হলো,, মানসিক সমস্যার আশঙ্কা গবেষণায় দেখা গেছে যারা প্রায়ই রাত জাগেন তাদের উদ্বিগ্নতা, অবসাদ ও বাইপোলার ডিজঅর্ডারে ভোগার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমনকি রাতে না ঘুমানোর সঙ্গে আত্মহত্মার প্রবণতারও সম্পর্ক রয়েছে। চেহারায় মলিনতা এমনটা কি হয়েছে, নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেওয়ার পরও ব্রণ বা চোখের চারপাশে কালো দাগ হচ্ছে। নিয়মিত রাত জাগা এর একটা কারণ হতে পারে। এই একই কারণে অকালে চেহারায় বয়সের ছাপ ও ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। কর্মোদ্যম কমে যাওয়া ডাক্তাররা বলেন, রাতে মানুষের ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন যেন দিনের বেলা দেহ ও মন কর্মক্ষম থাকতে পারে। ঘুমে অনিয়ম মানুষের কাজের উদ্যম কমিয়ে দিতে পারে। এমনকি রাতে ঘুম কম হলে মানুষের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। রোগ প্রতিরোধে সমস্যা গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত রাত জাগেন তাদের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, শারীরিক স্থূলতা এমনকি স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেশি থাকে। বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ যতো বেশি রাত জাগে ততই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। দেহ ঘড়িতে বিশৃঙ্খলা মানবদেহ তার অভ্যন্তরীণ নানা কাজ দেহের নিজস্ব সময় অনুযায়ী চলে। যেমন, রাত ২টায় মানুষের ঘুম সবচেয়ে গভীর অবস্থায় থাকে। রাত জাগার ফলে দেহের নিজস্ব ঘড়িতে বিশৃঙ্খলা ও হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। অবশেষে বলা যায়, বিবর্তনগতভাবেই রাত মানুষের ঘুমানোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। তাই প্রকৃতির বিরুদ্ধে না যাওয়াতেই মঙ্গল।

2950 views Answered

কম বয়সে মারা যায় 

2950 views Answered

Related Questions