2 Answers
শুয়ে থাকার সাথে এলার্জির কোনো সম্পর্ক নাই। আশাকরি শুয়ে থাকলে এলার্জির রোগ হবে না।
2894 views
Answered
না। শুধু নিম্নোক্ত কারনগুলোর কারনে এলার্জি হয়।
নিম্নলিখিত বিভিন্ন
কারনে এলার্জি হতে
পারে। ঘরের জমানো ধুলো
হাপানি জনিত এলার্জির
জন্য একটি অন্যতম কারণ।
ঘরের ধুলোতে মাইট নামক
এক ধরনের ক্ষুদ্র জীবানু
থাকে যা শতকরা প্রায় ষাট
শতাংশ ক্ষেত্রে এলার্জি
সৃষ্টির জন্য দায়ী। সে জন্যে
যারা হাপানি জনিত
এলার্জি সমস্যায় ভোগেন
তারা ঘরের ধুলো সবসময়
এড়িয়ে চলতে হবে বিশেষ
করে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার সময়।
ঘরের কম্বল, পর্দা, তোষক,
বালিশ, আপবাবপত্র
প্রভৃতিতে যে ধুলো জমে, তা
পরিস্কার করার সময়ও দুরে
থাকতে হবে।
দুষিত বাতাস, ঘরের ধুলো,
ফুলের পরাগ, ধোয়া, কাঁচা
রংয়ের গন্ধ, চুনকাম, পুরানো
ফাইলের ধুলো ইত্যাদি
দেহে এলার্জিক বিক্রিয়া
সৃষ্টি করে হাপানি রোগের
সৃষ্টি করতে পারে।
হাপানির সঙ্গে এলার্জির
গভীর সংযোগ আছে তাই
যারা হাপানিতে ভুগছেন
তাদেরকে এগুলি পরিত্যাগ
করে চলতে হবে। আবার
ছত্রাক দেহে এলার্জি তথা
হাপানি সৃষ্টি করে। ছত্রাক
একটি অতি ক্ষুদ্র সরল উদ্ভিদ।
কোন কোন খাদ্য ছত্রাক
দ্বারা দুষিত হয়ে থাকে।
আবার কোন কোন খাদ্য
যেমন- পনির, পাউরুটি এবং
কেক তৈরিতে ছত্রাক
ব্যবহার হয়। এই ছত্রাক
এলার্জি তথা হাপানি
সৃষ্টির একটি অন্যতম কারণ।
ফোড়া, পাঁচড়া, মাথা ব্যথা,
জ্বর, শরীর ব্যথা ইত্যাদির
জন্য পেনিসিলিন ও
অ্যাসপিরিন এই ওষুধ দুটো
আমরা ডাক্তারের
প্রেসক্রিপশন ছাড়াই খেয়ে
থাকি। পেনিসিলিন ও
অ্যাসপিরিন থেকে শরীরে
এলার্জি জনিত চুলকানি
হতে পারে এমনকি
অতিরিক্ত পেনিসিলিন
ব্যবহারের কারণে মৃত্যু
পর্যন্ত হতে পারে। তাই
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া
কোন ওষুধ সেবন করা যাবে
না।
খাদ্যে প্রচুর এলার্জির
সম্ভাবনা থাকে যেমন- দুধে
বিশেষ করে শিশুদের
ক্ষেত্রে গরুর দুধে খুব বেশি
এলার্জি হতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে গরুর দুধে
গায়ে চুলকানি, হাপানি
ইত্যাদি হতে পারে।
এছাড়াও মাছ, বাদাম, কলা,
আপেল, আঙ্গুর, ব্যাঙের
ছাতা, গম, ডিম, তরমুজ,
পেয়াজ, রসুন, চকোলেট
এমনকি ঠান্ডা পানীয়ও
কোন কোন ব্যক্তির এলার্জি
সৃষ্টি করতে পারে।
2894 views
Answered