1 Answers

আল্লাহর নামে ওয়াদা করলে বা না করলেও কোন কাফফারা দিতে হবে না। কেননা ওয়াদা করা আর কসম এক জিনিস নয়। দুটি ভিন্ন জিনিস।

উদাহরণঃ কেউ হয়ত মনে মনে বা কারো কাছে ওয়াদা করল যে, সে এ কাজটা করবে কিন্তু পরে কোন কারণে তা করতে পারল না। তাহলে তা ‘কসম ভঙ্গ’ হিসেবে গণ্য হবে না। কারণ সে আল্লাহর নামে কসম করে নি।

পক্ষান্তরে কেউ যদি বলে, আল্লাহর নামে কসম করে বলছি, উমুক কাজটা করব। তাহলে এটা হল কসম। এখন সে যদি উক্ত কাজটা না করে তাহলে তা ‘কসম ভঙ্গ’ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে তাকে কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে।

কিন্তু সাধারণ ওয়াদা বা অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে তার কোন কাফফারা নেই। কিন্তু ওয়াদা রক্ষা করতে না পারার কারণে আল্লাহর নিকট তওবা করবে এবং যার সাথে ওয়াদা করেছিল তার কাছে ক্ষমা চাইবে।

ইসলামে কসম ভঙ্গের কাফফারা হল:

১। দশজন মিসকিনকে মধ্যম ধরণের খাবার খাওয়ানো।

২। ১০ জন মিসকিনকে পোশাক দেয়া।

৩। অথবা একজন গোলাম আযাদ করা।

এই তিনটির কোনটি সম্ভব না হলে লাগাতার তিনটি রোযা রাখা। (রেফারেন্সঃ সূরা মায়িদাহ: ৮৯)।


1785 views Answered

Related Questions

Next steps