1 Answers
যে ব্যক্তি আজান দেয়, শরিয়তের পরিভাষায়
তাকে মুয়াজ্জিন বলা হয়।
আজান দেওয়া অতীব
গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত একটি আমল।
কেয়ামতের দিবসে মুয়াজ্জিনগণ বিশেষ
মর্যাদাবান হবেন। সেদিন চন্দ্র, সূর্য, পাহাড়-
পর্বত, নদনদী, গাছপালা, পশু, পাখি এবং
প্রত্যেক প্রাণী ও নিষ্প্রাণ দুনিয়াতে
যাদের কাছে মুয়াজ্জিনের আজান পৌঁছত,
সবাই তার জন্য সাক্ষ্য দেবে। মুয়াজ্জিনের
জন্য রয়েছে অফুরন্ত নেয়ামত, সুউচ্চ
মর্যাদা ও জান্নাতের সুসংবাদ।
মহান আল্লাহতায়ালা সূরা হা-মীম সেজদার ৩৩ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেন, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা কার? যে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন মুসলমান।
আজানের ফযীলত হচ্ছেঃ
মুআবিয়াহ ইবনে আবূ সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিনে সমস্ত লোকের চাইতে মুয়াজ্জিনদের গর্দান লম্বা হবে।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে স্বা‘স্বা‘আহ হতে বর্ণিত, একদা আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, আমি তোমাকে দেখছি যে, তুমি ছাগল ও মরুভূমি ভালোবাসো। সুতরাং তুমি যখন তোমার ছাগলে বা মরুভূমিতে থাকবে আর নামাযের জন্য আজান দেবে, তখন উচ্চ স্বরে আজান দিয়ো। কারণ মুয়াজ্জিনের আজান ধ্বনি যতদূর পর্যন্ত মানব-দানব ও অন্যান্য বস্তু শুনতে পাবে, কিয়ামতের দিন তারা তার জন্য সাক্ষ্য দেবে। আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছি।
(সহীহুল বুখারীঃ ৬০৮ ৬০৯, নাসায়ী ৬৪৪, ইবনু মাজাহ ৭২৩, রিয়াযুস স্বা-লিহীন, ১০৪১ ১০৪২ মুসলিম ৩৮৯, তিরমিযী ৩৯৭, আবূ দাউদ ৫১৬, হাদিসের মানঃ সহিহ)।
মহান আল্লাহতায়ালা সূরা হা-মীম সেজদার ৩৩ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেন, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা কার? যে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন মুসলমান।
আজানের ফযীলত হচ্ছেঃ
মুআবিয়াহ ইবনে আবূ সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিনে সমস্ত লোকের চাইতে মুয়াজ্জিনদের গর্দান লম্বা হবে।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে স্বা‘স্বা‘আহ হতে বর্ণিত, একদা আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, আমি তোমাকে দেখছি যে, তুমি ছাগল ও মরুভূমি ভালোবাসো। সুতরাং তুমি যখন তোমার ছাগলে বা মরুভূমিতে থাকবে আর নামাযের জন্য আজান দেবে, তখন উচ্চ স্বরে আজান দিয়ো। কারণ মুয়াজ্জিনের আজান ধ্বনি যতদূর পর্যন্ত মানব-দানব ও অন্যান্য বস্তু শুনতে পাবে, কিয়ামতের দিন তারা তার জন্য সাক্ষ্য দেবে। আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছি।
(সহীহুল বুখারীঃ ৬০৮ ৬০৯, নাসায়ী ৬৪৪, ইবনু মাজাহ ৭২৩, রিয়াযুস স্বা-লিহীন, ১০৪১ ১০৪২ মুসলিম ৩৮৯, তিরমিযী ৩৯৭, আবূ দাউদ ৫১৬, হাদিসের মানঃ সহিহ)।
2977 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy