3 Answers
-
০ (উচ্চারণ: শূন্য) হলো একাধারে একটি সংখ্যা এবং অঙ্ক। এটি এককভাবে মানের অস্তিত্বহীনতা ও অন্যান্য সংখ্যার পিছনে বসে তাদের যুত পরিচয় প্রদান করে। এছাড়াও দশমিকের ডানে বসে এটি বিভিন্ন সংখ্যার দশমাংশ প্রকাশ করে। অঙ্ক হিসেবে ০ (শূন্য) একটি নিরপেক্ষ অঙ্ক এবং সংখ্যার স্থানধারক হিসেবে কাজ করে।। শূন্য (০) একটি স্বাভাবিক পূর্ণ সংখ্যা।
-
উৎপত্তিঃ ইংরেজিতে জিরো (zero) শব্দটি এসেছে ভেনিশিয় শব্দ জিরো (zero) থেকে, যা আবার ইতালিয় জিফাইরো (zefiro=জেফিরো) থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছিলো। ইতালীয় জিফাইরো শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ "সাফাইর" বা "সাফাইরা" (صفر) থেকে যার অর্থ "সেখানে কিছু ছিল না"। এই শব্দটি প্রথমে ভারতীয় সংস্কৃত হতে অনুদিত হয়েছে। সংস্কৃত শব্দ শ্যুন্যেয়া (শ্যূন্য), যার অর্থ খালি বা ফাঁকা। ইংরেজি শব্দ জিরোর প্রথম ব্যবহার পাওয়া যায় ১৫৯৮ খ্রিষ্টাব্দে। ৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে পারস্যের মুসলিম বিজ্ঞানি মোহাম্মদ ইবন আহাম্মদ আল-খাওয়ারিজমি তাঁর বিজ্ঞানগ্রন্থ "বিজ্ঞানের চাবি"-তে বলেন, “যে গাণিতিক হিসাবের সময় যদি দশকের ঘরে কোন সংখ্যা না থাকে, তাহলে সামঞ্জস্য রাখার জন্য একটি ছোট্ট বৃত্ত দিয়ে তা পূরণ করা যেতে পারে।” সেই ছোট বৃত্তকে তিনি সিফার (صفر) নামে অভিহিত করেন। তাঁর উল্লেখিত এই সিফারই বর্তমান যুগের জিরো বা শূন্য। সুতরাং, শূন্য (০) আবিষ্কার করেন মুসলিম বিজ্ঞানী আল-খোয়ারিজমি, যাকে বীজগণিতের জনক বলা হয়।
-
তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া।
-
ধন্যবাদ।
3032 views
Answered
ভারতীয় গণিতবিদ পিঙ্গালা-কে শুন্যের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়।
(সুত্রঃ- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, সিসটেক পাবলিকেশন, অধ্যায় ৩, সংখ্যা পদ্ধতি)
3032 views
Answered