কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় এবং ঔষুধ..?

কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কি ছোলা জাতীয় খাবার খাওয়া  যাবে
3285 views

3 Answers

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রেহাই লাভের উদ্দেশ্যে অনেকে মল নরম করার ঔষুধ ব্যবহার করেন যেমন ল্যাক্সেটিভ। এছাড়া মলদ্বারের ভেতরে দেওয়ার ঔষুধ আছে। এসব ঔষধের দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারে স্বাভাবিকবাবে মলত্যাগের অভ্যাস নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের মূল কারণ অপসারণের ওপর জোর দেয় হয়ে থাকে। বাংলাদেশে ইসবগুল বা ভূসি ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে চিনি বা গুড়সহ নিয়মিত খালি পেটে সেবন করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার পদ্ধতি গ্রামে-গঞ্জে দীর্ঘকাল যাবৎ চালু আাছে। এছাড়া মিষ্টি পাকা বরই চটকে খোসা ও বীজ ফেলে অথবা ছেঁকে অল্প পানি মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের উপশম হয়। বেলের সরবতও উপকারী। ৩০-৩৫ গ্রাম পাকা বেলের শাঁস প্রতিবারে ১ গ্লাস পানিতে শরবত তৈরী করে দিনে ২ বার সেবন করতে হয়। এভাবে কমপক্ষে ৫-১০ দিন বেলের সরবাত পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। বুচকি দানাও উপকারী। ২ গ্রাম পাতা চূর্ণ রাতে ঘুমানোর সময় গরম পানি অথবা দুধসহ সেবন করতে হবে। খারাপ লাগলে দই খেতে হয়।

3285 views Answered

ছোলা জাতীয় খাবার না খেলেই ভালো ঘরোয়া কিছু উপায় আছে যার মাধ্যমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দীর্ঘস্থায়ী উপকার পাওয়া সম্ভব। আসুন, এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক- ১) লেবু- লেবু বা লেবুর রস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে অনেক খুবই কার্যকরী। এক গ্লাস গরম পানিতে অর্ধেক লেবুর রস দিয়ে দিন। এর সঙ্গে আধা চা চামচ নুন এবং সামান্য মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এটা পান করুন। দ্রুত ফল পেতে সন্ধ্যায় আরেকবার পান করুন এই মিশ্রণ। কিছুদিনের মধ্যেই ফল পাবেন। ২) মধু- মধু উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে মধু খুবই উপকারী। দিনে তিনবার দুই চা চামচ করে মধু খান। আপনি চাইলে এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে মধু ও লেবুর রস মিশিয়েও খেতে পারেন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এটি পান করুন। কিছু দিনের মধ্যে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। তবে ডায়াবেটিক রোগীরা মধু খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। ৩) আঙ্গুর- প্রতিদিন অর্ধেক বাটি আঙ্গুর বা অর্ধেক গ্লাস আঙ্গুরের রস পান করুন। যদি বাড়িতে আঙ্গুর না থাকে বা আঙ্গুর খেতে ভাল না লাগে, তাহলে দু চামচ কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। কিশমিশসহ এই পানি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করুন। দেখবেন কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দ্রুত দূর হয়ে যাবে। ৪) পালং শাক- প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন পালং শাক। এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। আপনি চাইলে এটি সালাদের মতো করেও খেতে পারেন বা রান্না করেও খেতে পারেন। যদি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা খুব বেশি জটিল আকার ধারণ করে তাহলে, পালং শাকের রস বানিয়ে অর্ধেকপানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন ২ বেলা নিয়ম করে খেয়ে নিন। দ্রুত কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন। ৫) ক্যাস্টর অয়েল- ক্যাস্টর অয়েল শুধু ত্বক বা চুলের যত্নে ব্যবহার হয় না, এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও খুবই কার্যকরী। সকালে খালি পেটে এক বা দুই চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল খান। আপনি চাইলে ফলের রসের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। কয়েক ঘন্টার মধ্যে আপনি পরিবর্তন দেখতে পাবেন। তবে দীর্ঘদিন এটি খাবেন না। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। https://www.bd-pratidin.com/life/2018/09/21/362294

3285 views Answered

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্যে আপনি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে Abolac syrup সেবন করতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে অনেক কার্যকরী৷ বয়স অনুযায়ী সেবন নির্দেশনা বোতলের ভেতরে পেয়ে যাবেন। কিছুদিন সেবনের মধ্যেই উপকার পাবেন। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেবন করুন। ছোলা দিয়ে তৈরি খাবার খেতে পারবেন। তবে লক্ষ্য রাখবেন খাবারে যেন তেল ও মসলার পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে। নিয়মিত রাত্রে গরম দুধ পান করুন। গরম দুধ শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি যোগাবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে। সপ্তাহে প্রতিদিন পান করার চেষ্টা করুন। ঘুমানোর আগে পান করলে ভালো হয়। এতে আপনি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। এচাড়া প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পানি মল নরম করতে সহায়তা করে। দৈনিক পানির চাহিদা পানি পানের মাধ্যমে মেটানোর চেষ্টা করুন। নিকটস্থা কোন সুপার মার্কেট থেকে বা ফার্মেসি থেকে ইসুবগুলের ভূসি কিনে আনতে পারেন। ভূসি কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে কার্যকরী। প্রতিদিন এক গ্লাস পানিতে ২–৩ চা চামচ ইসুবগুলের ভূসি মিশিয়ে পান করুন। নিয়মিত পান করুন। এতে আপনি চিনি বা গুঁড় মিশিয়ে নিয়ে সেবন করতে পারেন। আপনি লাউয়ের জুস পান করতে পারেন। এর জন্যে এক টুকরো লাউ কেটে নিয়ে ব্লেন্ড করে এক গ্লাস জুস বানিয়ে নিন। তারপর পান করুন। নিয়মিত লাউয়ের জুস পান করুন। বাইরের খাবার খাবেন না। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার বর্জন করুন। মানসিক চিন্তা করলে দূর করুন। নিয়মিত মল ত্যাগের অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। প্রয়োজনে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

3285 views Answered

Related Questions

Next steps