2 Answers
বারো ভুঁইয়া। মোগল সম্রাট আকবর এর শাসন আমলে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে কতিপয় জমিদার বা ভুস্বামী বা বারো জন শাসক ছিলেন, যাদেরকে বারো ভুঁইয়া বলে ডাকা হতো বা বারো ভুঁইয়া নামে পরিচিত ছিলেন। বারো ভুঁইয়াদের নিয়ে অনেক জনশ্রুতি রয়েছে। তবে সেসব এই সংক্ষেপিত উত্তরে উল্লেখ করা থেকে বিরত থেকে শেষ পর্যন্ত যে যেসব বারো ভুঁইয়ার নাম শোনা যায় কিংবা আমরা যেসব নাম শুনে থাকি সেই বারো ভুঁইয়াদের নাম উল্লেখ করছি।
১. ঈশা খাঁ, খিজিরপুর বা কত্রাভু।
২. প্রতাপাদিত্য, যশোর বা চ্যান্ডিকান।
৩. চাঁদ রায় ও কেদার রায়, শ্রীপুর বা বিক্রমপুর।
৪. কন্দর্প রায় ও রামচন্দ্র রায়, বাকলা বা চন্দ্রদ্বীপ।
৫. লক্ষণ মানিক্য, ভুলুয়া।
৬. মুকুন্দরাম রায় ও সত্রাজিত রায়, ভূষনা বা ফতেহাবাদ।
৭. ফজল গাজী, ভাওয়াল ও চাদঁপ্রতাপ।
৮. বীর হাম্বীর, বিষ্ণুপুর।
৯. কংশ নারায়ন রায়, তাহিরপুর।
১০. রাজা রামকৃষ্ণ, সাতৈর বা সান্তোল।
১১. পীতম্বর ও নীলাম্বর, পুটিয়া।
১২. ঈশা খাঁ লোহানী ও উসমান খাঁ লোহানী, উড়িষ্যা ও হিজলী।
বাংলায় পাঠান কর্রানী বংশের রাজত্ব দূর্বল হয়ে পড়লে বাংলাদেশের সোনারগাঁও,খুলনা, বরিশাল প্রভৃতি অঞ্চলে কিছু সংখ্যক জমিদার স্বাধীন রাজার মতো রাজত্ব করতে থাকেন। সম্রাট আকবর ১৫৭৫ সালে বাংলা দখল করার পর এসকল জমিদার ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোগল সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। এরাই 'বারো ভুঁইয়া' নামে পরিচিত। এই সকল জমিদাররা হলেন:
১. ঈশা খাঁ, খিজিরপুর বা কত্রাভু।
২. প্রতাপাদিত্য, যশোর বা চ্যান্ডিকান।
৩. চাঁদ রায় ও কেদার রায়, শ্রীপুর বা বিক্রমপুর।
৪. কন্দর্প রায় ও রামচন্দ্র রায়, বাকলা বা চন্দ্রদ্বীপ।
৫. লক্ষণ মানিক্য, ভুলুয়া।
৬. মুকুন্দরাম রায় ও সত্রাজিত রায়, ভূষনা বা ফতেহাবাদ।
৭. ফজল গাজী, ভাওয়াল ও চাদঁপ্রতাপ।
৮. বীর হাম্বীর, বিষ্ণুপুর।
৯. কংশ নারায়ন রায়, তাহিরপুর।
১০. রাজা রামকৃষ্ণ, সাতৈর বা সান্তোল।
১১. পীতম্বর ও নীলাম্বর, পুটিয়া।
১২. ঈশা খাঁ লোহানী ও উসমান খাঁ লোহানী, উড়িষ্যা ও হিজলী।
(তথ্যসূত্রঃ- https://bn.m.wikipedia.org/wiki/বারো_ভুঁইয়া)