কেউ কি পিয়ানো কবিতাটি বাংলা অনুবাদ দিতে পারবে। কবিতাটি অনার্সের ইনট্রোডাকশন টু পোয়েট্রি বইয়ের কবিতা?
1 Answers
দ্য পিয়ানো ধীরলয়ে, গোধূলিবেলায়, এক নারী শোনায় আমায় গান; সুদূর অতীতের স্মৃতি পথে ফেরায়, যতটুকু আমার পড়ে মনে, শিশু বসে একা, পিয়ানোর পাশে, উদ্দাম সুর যেথা ভাসে নিটোল পা দুটি মায়ের, চেপে ধরে বার বার, মা গায় আর হাসে। আমাকে ছাড়িয়ে সেই মোহময়ী সুর স্মৃতিরে আমার নিয়ে যায় দূর বহুদূর ফেলে আসা শীত-বিকেলের সে সব ছুটির দিনে পিয়ানোর সুরে আর গানে সুখের পথ নিতাম চিনে। পিয়ানোর বাদনে বা গীত সঙ্গীতে সেই সুর আজ কোথা বিপুলায়তন কালো পিয়ানোর সব তান যায় বৃথা। বালক কালের সে সব স্মৃতিতে ঢাকা পড়ে পরিণত মন প্লাবিত স্বরণে ফিরে পেতে সে দিনে কাঁদি শিশুর মতন । সারাংশঃ শৈশবকালে কবির মায়ের পিয়ানো বাজনা আর গানের প্রতি এক স্মৃতিকাতরতা ও আকর্ষণ কবিতাটির মূল বিষয়। শিশুকালে তার মায়ের পিয়ানো আর গানের সুর কবিকে এক কল্পলোকে নিয়ে যেত। কবি নিজ অস্তিত্বকে ভুলে সে কল্পলোকে হারিয়ে যেতেন, পিয়ানো আর গানের সুরের রোমান্টিক আবহে মগ্ন হয়ে ডুবে থাকতেন। কবির দুঃখ সে সব দিন, সুরের মূছনায় হারিয়ে যাবার সুযোগ আজ আর নেই । শৈশবের স্মৃতিকে ফিরে পেতে কবি শিশুর মতোই কাদেন যেন। প্রথম স্তবক: কবি তার শৈশব স্মৃতিচারণ করছেন; গোধূলি লগ্নে তাঁর মা পিয়ানো বাজাতেন আর গান গাইতেন। শিশু কবি তখন বার বার তাঁর মার পা দুটো ছুয়ে যেতেন। তার মা গাইতেন আর হাসতেন। কবি কল্পনার চোখে সেই সন্ধ্যার দৃশ্যটি যেন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন। দ্বিতীয় স্তবক: কবি সেই ফিরে পাওয়া অসম্ভব দিনগুলোর কথা ভেবে বার বার শিহরিত হচ্ছেন আর ভাবছেন যদি সে দিনে ফিরে যাওয়া যেত, যদি সে অসম্ভবকে সম্ভব করা যেত! যদি সে সব রবিবার সন্ধ্যায় ফিরে যাওয়া যেত যখন কবির মা পিয়ানো বাজাতেন আর ধর্মীয় সঙ্গীত গাইতেন! তৃতীয় স্তবক: পরিণত মনে কবি বোঝেন সে মধুর গান কোনোদিন আর ফিরে পাওয়া যাবে না। আজকের কোনো গায়কই কবিকে সে সুরের মাধুর্য উপহার দিতে পারবে না। তবুও কবি শৈশবের সে দিনগুলোতে ফিরে যাবার জন্য শিশুর মতোই কাদেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy