2 Answers
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্নিত তিনি বলেন মানুষ ঘুমালে তার আত্মা আকাশে চলে যাই এবং তাকে আল্লাহর আরশের কাছে সিজদা করার নির্দেস দেয়া হয়। যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার আত্মা আল্লাহর আরসের কাছে সিজদা দেয় এবং যে ব্যক্তি অপবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার আত্মা আল্লাহর আরশ থেকে দূরে সিজদা দেয়। আর আমরা যে সপ্ন দেখি সে গুলা ঘুমানর আগে যা ভাবি তাই দেখি।
আগে আমরা জানি!স্বপ্ন কি?
মানুষ জীবনের ৩৩% সময় ঘুমিয়ে কাটায়। স্বপ্ন মানুষের ঘুমন্ত জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ। নিদ্রিত অবস্থায় ইন্দ্রিয়গণ স্তিমিত হয় কিন্তু সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয় না। তাই নিদ্রাকালে নানারূপ কল্পনাশ্রয়ী চিন্তা ও দৃশ্য উদিত হয়। এই সব দৃশ্য দেখাকে একরকমের “স্বপ্ন দেখা বলা হয়।অন্যভাবে বলা যায়- নিদ্রিত অবস্থায় জাগ্রত অবস্থার ধারাবাহিকতাকেও স্বপ্ন বলা যেতে পারে।মুলত -স্বপ্ন মানুষের ঘুমন্ত অবস্থার একটা অংশ!
সে হিসেবে আমরা বলতে পারি,ঘুমন্ত অবস্থায় মানুষের আত্মা যেখানে থাকে,স্বপ্ন দেখা অবস্থায়ও মানুষের আত্মা ওখানেই থাকে৷
এখন বলি,ঘুমন্ত অবস্থায় মানুষের আত্মা কোথায় থাকে??
রাসুল সা: এর জলিলুল কদর সাহবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সা: বলেছেন, মানুষ যখন ঘুমায়, তখন তার আত্মা ঊর্ধ্ব আকাশে চলে যায়। অতঃপর তাকে মাহান আল্লাহর আরশের কাছে সিজদা করার নির্দেশ দেয়া হয়। যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার আত্মা আল্লাহর আরশের কাছেই সিজদা করে। আর যে ব্যক্তি অপবিত্র অবস্থায় ঘুমায়, তার আত্মা আরশ থেকে দূরে সিজদা করে। (বায়হাকী, হাদিসটি ইমাম বুখারী তাঁর আত- তারীখুল কাবীর’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন)।
হাদিসে আরো এসেছে -মহানবী (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা রাত-যাপন করে এবং ঐ ব্যক্তি জাগ্রত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। ফেরেশতা বলতে থাকে, “হে আল্লাহ! তুমি তোমার এই বান্দাকে ক্ষমা করে দাও। কেননা সে পবিত্র অবস্থায় রাত-যাপন করছে। (তাবরানী ও বায়হাকী।)
অতএব, আসুন! আমরা পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় যাতে আমাদের আত্মা আল্লাহর আরশের কাছেই সিজদা দিতে পারে এবং ফেরেশতারা যেন আমাদের জন্য মাহন প্রভুর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে।