2 Answers
ইসলাম ধর্ম হলো শান্তির ধর্ম তাই যে দল সবার শান্তির নিশ্চিত করণে কাজ করে এবং ইসলামের আদর্শ মেন চলে এমন দল করা উচিত
ভোট একটি দেশের জনগনের অন্যতম গণতান্ত্রিক অধিকার। এর মাধ্যমে জনগণ কোনো ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় আসার জন্য নির্বাচিত করে। তবে কে ভোট পাবার উপযুক্ত কাকে ভোট দিবেনঃ রাষ্ট্রীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ার জন্য ব্যক্তির চরিত্রে কুরআন হাদীস ও প্রয়োজনের আলোকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য থাকা জরুরী। ইসলামী চিন্তাবিদগণের ঐক্যমতে মুসলিম নাগরিকগণ যেসব বৈশিষ্ট্যের আলোকে তাদের দেশের জন্য উপযুক্ত সরকার-প্রধান বা জন-প্রতিনিধি নির্বাচন করবে সেগুলো হলোঃ +☞ তাকওয়া বা আল্লাহভীতি। +☞ সততা ও ন্যায়পরায়ণতা। +☞ জ্ঞান ও প্রজ্ঞা। +☞ রাষ্ট্রে ইসলামী আইন ও আদর্শ বাস্তবায়নের মানসিকতা। +☞ মুসলিম উম্মাহর স্বার্থসংরক্ষণের প্রবনতা। +☞ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। +☞ লোভ-লালসাহীনতা। +☞ প্রশাসনিক দক্ষতা, ইত্যাদি। আপনার ভোট এমন ব্যক্তিকেই দেবেন। উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যাবলীর আলোকে যোগ্য ব্যক্তি/দলকে ভোট দেয়া আবশ্যক। একাধিক যোগ্য প্রার্থী/দল হলে সেক্ষেত্রে মহান আল্লাহর বাণী, তোমাদের মধ্যে সেই সর্বোত্তম, যে বেশি তাকওয়াবান। এর আলোকে সর্বোত্তম ব্যক্তি/দলকে ভোট দেয়া কর্তব্য। অনেক সময় এমন হয় যে, প্রার্থীদের মধ্য থেকে একজনকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতেই হবে, নতুবা দেশ বেশি খারাপ শাসকবর্গের কবলে পড়বে। কিন্তু, প্রার্থীদের মধ্য থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার মত খুব পছন্দসই কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না কিংবা প্রার্থীদের সবাই অযোগ্য, সেক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত কম অযোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দিতে হবে। কোন অবস্থাতেই ভোট দেয়ার উপযুক্ত কাউকে পাওয়া না গেলে সুযোগ থাকলে ‘না ভোট’ দিতে হবে। 'না ভোট' এর সুযোগ না থাকলে যোগ্য আলেমের সাথে পরামর্শক্রমে বা মুসলিম নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ভোট প্রদান থেকে বিরত থাকা যাবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy